উজানের ঢল ও টানা বৃষ্টিতে তিস্তা নদীতে পানি বৃদ্ধি পেয়ে বিপৎসীমার ১০ সেন্টিমিটারের উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
শুক্রবার সকাল ৯টায় তিস্তার ডালিয়া পয়েন্টে এ পানিপ্রবাহ রেকর্ড করা হয় বলে পানি উন্নয়ন বোর্ড ডালিয়া শাখার নির্বাহী প্রকৌশলী আসাফ উদ দৌলা জানান। খবর বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের।
বুধবার রাত থেকেই তিস্তার পানি হালকা বৃদ্ধি পেতে শুরু করে; বৃহস্পতিবার বেলা ৩ টায় বিপৎসীমার ১০ সেন্টিমিটার ওপরে প্রবাহিত হতে শুরু করে। ফলে ভাটি এলাকায় ধীরে ধীরে পানি বৃদ্ধি পেয়ে নদী তীরবর্তী নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হতে শুরু করে। ইতোমধ্যে জেলার গংগাচড়া উপজেলার লক্ষ্মীটারী, মহিপুর ছালাপাক ও মর্নেযা ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে।
এই বছরে পঞ্চম দফা বন্যায় জেলার গংগাচড়া, কাউনিয়া উপজেলার তিস্তা নদীর তীরবর্তী অঞ্চলে লক্ষাধিক মানুষ পানিবন্দি হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। পানি বৃদ্ধির কারণে নদী পারের মানুষগুলো বন্যা মোকাবেলায় নিজেদের সবটুকু গুছিয়ে নিচ্ছেন বলে তাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে।
লক্ষ্মীটারী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুল হাদি বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে জানান, তার ইউনিয়নের জয়রাম,বাঘের হাট আশ্রয় কেন্দ্রের ৭০০ পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে।
পানি উন্নয়ন বোর্ড ডালিয়া শাখার নির্বাহী প্রকৌশলী আসাফ বলেন, “পরবর্তী ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টায় তিস্তার উজানের অংশে (সিকিম,গ্যাংটক) পুনরায় মাঝারি থেকে ভারি বৃষ্টি পাতের সম্ভাবনা আছে। ফলে তিস্তার পানি আবার বাড়তে পারে এবং ডালিয়া পয়েন্টে বিপদসীমা অতিক্রম করতে পারে।”
তিনি জানান, পরিস্থিতি মোকাবেলায় তিস্তা ব্যারাজের ৪৪টি স্লুইস গেট খুলে রাখা হয়েছে। পাশাপাশি তিস্তার নদীর গতিপথ পর্যবেক্ষণ করছেন তারা।
