মিয়ানমারে যুক্তরাজ্যের সাবেক রাষ্ট্রদূত ভিকি বোম্যান ও তার স্বামীকে গ্রেপ্তার করেছে সামরিক কর্তৃপক্ষ। বুধবার তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
বিবিসি জানায়, বোম্যানের বিরুদ্ধে ভিসা আইন লঙ্ঘন এবং তার স্বামীর বিরুদ্ধে তাকে মিয়ানমারে থাকতে সহায়তা করার অভিযোগ আনা হয়েছে।
এ অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত হলে তাদের ৫ বছর পর্যন্ত জেল হতে পারে। খবর বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের।
বোম্যান ২০০২ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত মিয়ানমারে যুক্তরাজ্যের রাষ্ট্রদূত হিসেবে কাজ করেছিলেন। তার স্বামীর নাম হতেইন লিন। তিনি এক বার্মিজ শিল্পী এবং সাবেক রাজবন্দি।
বোম্যান বর্তমানে ইয়াঙ্গুনে অবস্থিত ‘মিয়ানমার সেন্টার ফর রেসপন্সিবল বিজনেস’ (এমসিআরবি)- পরিচালনা করছেন।
মিয়ানমারে অবস্থিত বৃটিশ দূতাবাস থেকে বলা হয়েছে, তারা বোম্যানকে কনস্যুলার সহায়তা দিচ্ছে।
এমসিআরবি নিজেদেরকে মিয়ানমারজুড়ে দায়িত্বশীল ব্যবসায়িক কর্মকাণ্ড উৎসাহিত করার একটি উদ্যোগ হিসেবে বর্ণনা করেছে।
‘ইনস্টিটিউট ফর হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড বিজনেস’ (আইএইচআরবি) এর সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করে থাকে এমসিআরবি। প্রতিদিনের ব্যবসায় মানবাধিকারের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শন আইএইচআরবির লক্ষ্য।
মিয়ানমারের সামরিক জান্তার বিরুদ্ধে মানবাধিকার ব্যাপকভাবে লঙ্ঘনের অভিযোগ আছে। দেশের ভেতরে লড়াইয়ে অস্থির পরিস্থিতি বিরাজ করায় এ মাসের শুরুর দিকে জেনারেলরা জরুরি অবস্থার মেয়াদ ২০২৩ সাল পর্যন্ত বাড়িয়েছে।
এর আগে তারা গত বছর ফেব্রুয়ারিতে গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত অং সান সুচির সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করে।
যুক্তরাজ্য সম্প্রতি মিয়ানমারে সামরিক বাহিনী সংশ্লিষ্ট ব্যবসায় নতুন নিষেধাজ্ঞা আরোপের সিদ্ধান্ত জানানোর পাশাপাশি আন্তর্জাতিক ন্যায়বিচার আদালতে (আইসিসি) মিয়ানমারের বিরুদ্ধে চলা মামলায় যোগ দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। এর মধ্যেই জান্তা কর্তৃপক্ষ বোম্যানকে গ্রেপ্তার করল।
