বিএনপির আন্দোলনের ‘সক্ষমতা’ নিয়ে প্রশ্ন তুলে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বিএনপি নেতাদের আন্দোলনের কথা কমেডি ক্লাবের জন্য যুৎসই হতে পারে।
মঙ্গলবার ঢাকায় নিজের সরকারি বাসভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপে সরকারের পরিবহন মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন, “সরকার নাকি আন্দোলনে ভীত। বিএনপি নেতাদের এমন বক্তব্য কমেডি ক্লাবের জন্য যুৎসই হতে পারে। দেশে কোথায় তাদের আন্দোলন? কোথায় তাদের উত্তাপ? জনগণ কিছুতো দেখছে না।”খবর বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের।
কাদের বলেন, “একবার শুনি রাজপথ দখলে নেবে, আবার শুনি সরকারকে টেনে নামাবে, কখনো শুনি নির্বাচন হতে দেবে না। আসলে বিএনপির সক্ষমতা কতটুকু তা আমাদের জানা আছে। বিএনপি নেতাদের প্রতিদিন অভিন্ন বক্তব্য, হুমকি-ধামকি শুনতে শুনতে জনগণ এখন হাসে।"
সরকারের বিরুদ্ধে দুর্নীতি আর লুটপাটের যে অভিযোগ বিএনপি নেতারা করেন, তার জবাবে সেতুমন্ত্রী বলেন, “অন্ধকারে ঢিল না ছুড়ে সুনির্দিষ্ট তথ্য প্রমাণ দিয়ে বলুন, কোথায়, কারা, কে দুর্নীতি করছে? দুর্নীতির প্রশ্নে… নীতির কোন নড়চড় হয়নি।"
সেতুমন্ত্রী বলেন, বৈশ্বিক সঙ্কটের কারণেই জ্বালানির সরবরাহে ‘অস্থিতিশীলতা ও মূল্যের অস্বাভাবিক ঊর্ধ্বগতি’ দেখা যাচ্ছে। এ সংকট কোনো দেশের নয়, সারা বিশ্বের।
এ বাস্তবতা ‘অনুধান না করে’ বিএনপি নেতারা শুধু সরকারকে দায়ী করছে বলে অভিযোগ করেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক।
তিনি বলেন, “নির্বাচনে আসা না আসা যে কোন দলের নিজস্ব সিদ্ধান্তের ব্যাপার, কিন্তু নির্বাচন হতে না দেওয়ার আস্ফালন করে লাভ নেই। যতই বাধা আসুক… নির্বাচন হবে।"
সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপে গণ পরিবহনের ভাড়া নিয়েও কথা বলেন কাদের।
তিনি বলেন, “জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে পরিবহন ভাড়া সমন্বয় করা হয়েছে। কিন্তু কোনো কোনো পরিবহন বাড়তি ভাড়া আদায় করছে।
“যারা সমন্বয়কৃত ভাড়ার বেশি আদায়ের চেষ্টা করছেন, আমাদের মনিটরিং এর আওতায় তারা রয়েছেন, তাই আবারো তাদের সহযোগিতা চাচ্ছি, অন্যথায় আইনগত ব্যবস্থা নিতে বাধ্য হব।”
যানবাহনে যারা ডাকাতি এবং ধর্ষণের মত ঘটনা ঘটাচ্ছে, তাদের ‘গণশত্রু’ আখ্যায়িত করে তিনি বলেছেন, “তারা গণশত্রু, ক্ষমার অযোগ্য অপরাধ করছে, এদের কঠোর হস্তে দমন করতে হবে।"
