Loading...

খরায় শুকনো নদীখাতের দিকে তাকিয়ে ‘হতবাক’ ইউরোপ

| Updated: August 22, 2022 17:07:40


রাইন নদীর পানি রেকর্ড পরিমাণ হ্রাস পাওয়ায় বেরিয়ে এসেছে একটি ‘হাঙ্গার স্টোন’, যার ওপরে খোদাই করে লেখা ২০১৮। অতীতে কখন রাইনের পানি এতটা নিচে নেমেছিল তাই স্মরণ করিয়ে দিচ্ছে এই পাথর। রাইন নদীর পানি রেকর্ড পরিমাণ হ্রাস পাওয়ায় বেরিয়ে এসেছে একটি ‘হাঙ্গার স্টোন’, যার ওপরে খোদাই করে লেখা ২০১৮। অতীতে কখন রাইনের পানি এতটা নিচে নেমেছিল তাই স্মরণ করিয়ে দিচ্ছে এই পাথর।

প্রচণ্ড তাপপ্রবাহে ভয়াবহ খরার কবলে পড়েছে ইউরোপ। নদী, হ্রদ সব শুকিয়ে যাচ্ছে। পানির স্তর এতটাই নিচে নেমে যাচ্ছে যে, নৌযান চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। পানি কমে যাওয়ায় বেরিয়ে আসছে হারিয়ে যাওয়া গ্রাম, ডুবে যাওয়া জাহাজ এমনকী অতীতের খরার স্মৃতি মনে করিয়ে দেওয়া ‘হাঙ্গার স্টোন’, যেগুলো এতদিন পানির নিচে ডুবে ছিল। খবর বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের।

বেরিয়ে আসা প্রত্নসম্পদগুলোর মধ্যে ‘হাঙ্গার স্টোন’ই সবচেয়ে অশুভ সংকেত। অতীতে খরার সময় নদীর পানিসীমায় এই পাথরগুলোতে খোদাই করে লেখা হয়েছিল। ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সতর্কবার্তা দিতেই পাথরে খোদাই করে যেন বলে দেওয়া হয়েছে- নদীর পানি আবার এই স্তরে নেমে গিয়ে পাথরগুলো দৃশ্যমান হলে বুঝতে হবে সামনে দুর্ভোগ আছে।

চেক রিপাবলিক থেকে জার্মানির মধ্য দিয়ে বয়ে যাওয়া এলব নদীর তীরে সেই অশুভ সংকেতের বেশির ভাগ হাঙ্গার স্টোনই এখন আবার দেখা যাচ্ছে।

ওদিকে, সার্বিয়ার দানিয়ুব নদীর পানির স্তর নিচে নেমে গিয়ে বেরিয়ে এসেছে সেই দ্বীতিয় বিশ্বযুদ্ধের সময়কার ডুবে যাওয়া জাহাজ। এখনও জাহাজটি বিস্ফোরকে ভর্তি।

চোখে পড়ছে ১৯৪৪ সালে ডুবে যাওয়া নাৎসী নৌবহরও। রিভার পো-র তলদেশ থেকে বেরিয়ে এসেছে ‘জিবেলো’ রণতরী। জার্মান বাহিনী এ রণতরী ব্যবহার করত, যেটি ১৯৪৩ সাল ডুবে গিয়েছিল।

ইতালির রোমে তিবের নদীর পানি শুকিয়ে রোমান সম্রাট নিরোর আমলে তৈরি একটি সেতুর ধ্বংসাবশেষ বেরিয়ে এসেছে। ১৯২৬ সালে একজন প্রত্নতত্ত্ববিদ এটি আবিষ্কার করেন। কিন্তু ১৯৬৩ সালে একটি গ্রামীণ উন্নয়ন প্রকল্পের কারণে ওই এলাকা প্লাবিত হয় এবং তারপর থেকে মাত্র্র চারবার এটি দৃশ্যমান হয়েছে।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের কয়েকটি ছবিতে তুলে ধরা হয়েছে বেরিয়ে আসা এমনই কিছু প্রত্নসম্পদ:

<div class="paragraphs"><p>সার্বিয়ার প্রাহোভো শহরের কাছে পানির নিচ থেকে বেরিয়ে এসেছে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ব্যবহার করা জার্মানির নাৎসি বাহিনীর কয়েকটি জাহাজের ধ্বংসাবশেষ। এখানেই ১৯৪৪ সালে হিটলারের নাৎসি বাহিনীর একটি নৌবহর ডুবিয়ে দেওয়া হয়। খরা চলতে থাকলে ওই সময়ের আরও জাহাজ বেরিয়ে আসতে পারে।</p></div>

সার্বিয়ার প্রাহোভো শহরের কাছে পানির নিচ থেকে বেরিয়ে এসেছে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ব্যবহার করা জার্মানির নাৎসি বাহিনীর কয়েকটি জাহাজের ধ্বংসাবশেষ। এখানেই ১৯৪৪ সালে হিটলারের নাৎসি বাহিনীর একটি নৌবহর ডুবিয়ে দেওয়া হয়। খরা চলতে থাকলে ওই সময়ের আরও জাহাজ বেরিয়ে আসতে পারে।

<div class="paragraphs"><p>ইতালির সেনাবাহিনী ‘দ্য রিভার পো’ তে দৃশ্যমান হয়েছে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ব্যবহৃত একটি অবিস্ফোরিত বোমাও। গত জুলাই মাসে নদীর পানি কমে গিয়ে বোমাটি বেরিয়ে আসে। এরপর সেটি নিরাপদে নিস্ক্রিয় করতে মানতুয়া নগরীর কাছের একটি গ্রামের প্রায় তিন হাজার বাসিন্দাকে সরিয়ে নেওয়া হয়।</p></div>

ইতালির সেনাবাহিনীদ্য রিভার পোতে দৃশ্যমান হয়েছে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ব্যবহৃত একটি অবিস্ফোরিত বোমাও। গত জুলাই মাসে নদীর পানি কমে গিয়ে বোমাটি বেরিয়ে আসে। এরপর সেটি নিরাপদে নিস্ক্রিয় করতে মানতুয়া নগরীর কাছের একটি গ্রামের প্রায় তিন হাজার বাসিন্দাকে সরিয়ে নেওয়া হয়।

<div class="paragraphs"><p>জার্মানিতে নদীর পানি কমে গিয়ে জেগে উঠেছে আরেকটি ‘হাঙ্গার স্টোন’।</p></div>

জার্মানিতে নদীর পানি কমে গিয়ে জেগে উঠেছে আরেকটিহাঙ্গার স্টোন

<div class="paragraphs"><p>সার্বিয়ার দানিয়ুব নদীতে পানি কমে গিয়ে ভেসে ওঠা দ্বীতিয় বিশ্বযুদ্ধকালের আরেকটি জার্মান যুদ্ধজাহাজের ধ্বংসাবশেষ।</p></div>

সার্বিয়ার দানিয়ুব নদীতে পানি কমে গিয়ে ভেসে ওঠা দ্বীতিয় বিশ্বযুদ্ধকালের আরেকটি জার্মান যুদ্ধজাহাজের ধ্বংসাবশেষ।

<div class="paragraphs"><p>স্পেনে পানির নিচ থেকে বের হয়ে এসেছে প্রাগৈতিহাসিক যুগের পাথরের একটি চক্রাকার সমাবেশ। যেগুলোকে ‘স্পেনিশ স্টোনহ্যাঞ্জ’ বলা হয়। এটি এতদিন একটি বাঁধের কারণে তৈরি হওয়া কৃত্রিম হ্রদের পানিতে ঢাকা ছিল।</p></div>

স্পেনে পানির নিচ থেকে বের হয়ে এসেছে প্রাগৈতিহাসিক যুগের পাথরের একটি চক্রাকার সমাবেশ। যেগুলোকে ‘স্পেনিশ স্টোনহ্যাঞ্জ’ বলা হয়। এটি এতদিন একটি বাঁধের কারণে তৈরি হওয়া কৃত্রিম হ্রদের পানিতে ঢাকা ছিল।

Share if you like

Filter By Topic