‘অবৈধ’ চিকিৎসা কেন্দ্র বন্ধে  অভিযানে নামছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর


FE Team | Published: August 28, 2022 18:32:44 | Updated: August 28, 2022 21:43:07


ছবি:বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

তিন মাস সুযোগ পেয়েও যেসব হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার কাগজপত্র হালনাগাদ করেনি, তাদের বিরুদ্ধে আগামী সোমবার থেকে চার দিনের অভিযানে নামছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। খবর বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম-এর।

রোববার ঢাকায় এক সংবাদ সম্মেলনে অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আহমেদুল কবীর বলেন, সোমবার থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত সারাদেশে এ অভিযান চলবে।

তিনি জানান, এর আগে গত ২৬ মে থেকে অনুমোদনহীন হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের বিরুদ্ধে অভিযান শুরু করেছিল স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এক মাস ধরে চলা সেই অভিযানে ১ হাজার ৬৪১টি প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেওয়া হয়।

এর পরের তিন মাসে সময় ১ হাজার ৪৮৯টি স্বস্থ্য সেবা প্রতিষ্ঠানকে নতুন লাইসেন্স দেওয়া হয়েছে, লাইসেন্স নবায়ন করা হয়েছে ২ হাজার ৯৩০টি প্রতিষ্ঠানের।

বারবার তাগাদার পরও অনেক প্রতিষ্ঠান লাইসেন্স ছাড়াই চলছে জানিয়ে ডা. আহমেদুল বলেন, যারা লাইসেন্স নবায়ন করছে না, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রায় দুই হাজারের মত প্রতিষ্ঠান রয়েছে এমন।

তাদের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নেই। এ অবস্থায় তারা স্বাস্থ্যসেবা দিতে পারেন না। তাদের মধ্যে একটা ধারণা যে তারা এভাবেই হাসপাতাল চালাবেন।

তিন মাস সুযোগ দেওয়ার পরও তারা লাইসেন্স নবায়ন করেনি জানিয়ে তিনি বলেন, এবার আমরা কোনো মার্সি করব না। যদি কেউ হাসপাতাল চালায়, তাহলে আমরা তা বন্ধ করে দেব।

আহমেদুল কবীর বলেন, লাইসেন্স না থাকলে বা হালনাগাদ করা না থাকলে ওইসব প্রতিষ্ঠানের সঠিক তথ্য স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানতে পারে না। ফলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থাও নেওয়া যায় না।

অবৈধ হাসপাতাল, ক্লিনিকে যেসব রেজিস্টার্ড চিকিৎসক সেবা দিতে যান, তাদেরও আইনের আওতায় আনা হবে বলে হুঁশিয়ার করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এ কর্মকর্তা।

তিনি বলেন, যে হাসপাতাল অবৈধ, ওই হাসপাতালের কার্যক্রমে অংশগ্রহণও অবৈধ। রেজিস্টার্ড চিকিৎসক ওই হাসপাতালে চিকিৎসা দিতে গেলে তাদের ব্যাপারে আমরা কোনও দায়িত্ব নেবে না।

বেসরকারি হাসপাতালকে তিন শ্রেণিতে (এ, বি, সি) ভাগ করার পরিকল্পনা করা হচ্ছে জানিয়ে ডা. আহমেদুল কবীর বলেন, এতে সেবা নিতে যাওয়া মানুষ বুঝতে পারবে ওই হাসপাতালের কী অবস্থা। তাতে খরচ কেমন হতে পারে। এই প্রক্রিয়াটি নিয়ে আমরা কাজ করছি।

Share if you like