তিনি বলেন, “বহু মানুষের ক্যান্সার চিকিৎসায় সাইরামজা ব্যবহারে যথাযথ ফল মিলেছে। বাংলাদেশে মেটাস্ট্যাটিক, নন-স্মল সেল লাং ক্যান্সারের প্রথম পর্যায়ের চিকিৎসায় এবং পাকস্থলীর ক্যান্সারের দ্বিতীয় পর্যায়ের চিকিৎসায় সাইরামজা কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে।”
ওষুধটি কীভাবে কাজ করে তার বর্ণনা দিয়ে হেলথকেয়ার বাংলাদেশের মেডিকেল সার্ভিসেস বিভাগের সহকারী ব্যবস্থাপক হাফিজুর রহমান বলেন, এটি মূলত ক্যান্সার কোষগুলোর পুষ্টির যোগান বন্ধ করে সেগুলোকে মেরে ফেলে। এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ‘যৎসামান্য’।
নির্বাহী পরিচালক বি কে রায় বলেন, ক্যান্সারের চিকিৎসায় ব্যবহৃত অন্যান্য কেমোথেরাপির মত সাইরামজার পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া ‘অত বেশি নয়’। তবে কারও কারও ডায়রিয়া, রক্তচাপ বৃদ্ধি, রক্ত চলাচল নালী আটকে যাওয়া, মাথা ঘোরাসহ আরো কিছু পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া হতে পারে।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, ২০১৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রের ওষুধ ও খাদ্য নিয়ন্ত্রক দপ্তর এফডিএ ‘সাইরামজা’ অনুমোদন দেয়। এরপর থেকে ওষুধটি পাকস্থলীর, ফুসফুস, যকৃত ও বৃহদান্ত্রের ক্যান্সার ছাড়াও দেহের অন্যান্য অংশের ক্যান্সারের চিকিৎসায় ব্যবহার করা হচ্ছে।