logo

সরকারের একার পক্ষে করোনাভাইরাস মোকাবেলা সম্ভব নয়: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

Thursday, 12 August 2021


মানুষ স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলাচল না করলে সরকারের একার পক্ষে করোনাভাইরাস মোকাবেলা করা সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। খবর বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম-এর।

বৃহস্পতিবার দুপুরে হোটেল ইন্টার কন্টিনেন্টালে করোনাভাইরাস ও ডেঙ্গু বিষয়ক এক সভায় তিনি এমন কথা বলেন।

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ কিছুটা কমে এসেছে জানিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, এই কমার ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে হবে। এই সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে। এজন্য স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। গণপরিবহনে গাদাগাদি চললে হবে না।

জাহিদ মালেক বলেন, মহামারীর দেড় বছরে সারাদেশে চিকিৎসকরা দিন-রাত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। এর মধ্যে জরুরি, জটিল রোগ ও সাধারণ চিকিৎসার চাপতো আছেই। এখন নতুন করে যুক্ত হয়েছে ডেঙ্গু।

তিনি বলেন, এর মধ্যে মহামারী করোনাভাইরাস বেড়ে গেলে আর সামাল দেওয়া যাবে না। রাতারাতি হাসপাতাল বাড়ানো যাবে না। হাসপাতালের শয্যা অনেক বাড়ানো হয়েছে। এটার একটা সীমাবদ্ধতা রয়েছে। হাসপাতালের চিকিৎসা ব্যবস্থা ভালো রাখতে হলে সংক্রমণ ‘কনট্রোল’ করতে হবে। আর এটা সরকারের পক্ষে একা মোকাবেলা করা সম্ভব নয়।

টিকা নেওয়ার ক্ষেত্রে ধৈর্য ধরার আহ্বান জানিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, “কোটি কোটি লোক নিবন্ধন করেছে। আমরা সবাইকে একবারে টিকা দিতে পারব না।

“পৌনে দুই কোটি মানুষকে টিকা দেওয়া হয়েছে। এই সপ্তাহে ৫৪ লাখ ও চলতি মাসে এক কোটি টিকা আসছে। ধৈর্য ধরতে হবে, টিকা সবাই পাবেন।”

ডেঙ্গুর সর্বশেষ পরিস্থিতি তুলে ধরে তিনি বলেন, এবার ৫১৯২ জন ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছে, সুস্থ হয়ে বাসায় ফিরেছেন ৪২৬৩ জন, আর মৃত্যুবরণ করেছেন ২২ জন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর মহাপরিচালক আবুল বাসার খুরশিদ আলম বলেন, ডেঙ্গু হলে স্বাস্থ্য বিভাগ সেবা দেওয়ার আপ্রাণ চেষ্টা করবে। তবে ডেঙ্গু যাতে না হয় সে জন্য সিটি করপোরেশনকে কাজ করতে হবে।

“জনগণকে সম্পৃক্ত হতে হবে। হাসপাতালে শয্যা বাড়িয়ে লাভ হবে না যদি সংক্রণণের মূল উৎস চিহ্নিত না করে কমানোর ব্যবস্থা গ্রহণ না করা হয়।”

বাংলাদেশ সোসাইটি অব মেডিসিনের সভাপতি অধ্যাপক মোহাম্মদ বিল্লালের সভাপতিত্বে স্বাস্থ্য সচিব লোকমান হোসেন মিয়া, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ব্যক্তিগত চিকিৎসক অধ্যাপক এ বি এম আব্দুল্লাসহ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।