logo

সপ্তম ধাপ: ভোট চলছে ১৩৮ ইউপিতে

এফই অনলাইন ডেস্ক | Monday, 7 February 2022


ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের সপ্তম ধাপে দেশের ১৩৮টি ইউপিতে ভোট চলছে কড়া নিরাপত্তার মধ্যে। খবর বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের।

নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তারা জানান, সাড়ে ২৪ লাখ ভোটারের এসব ইউপিতে সোমবার সকাল ৮টায় ভোটগগ্রহণ শুরু হয়েছে, একটানা চলবে বিকাল ৪টা পর্যন্ত।

কে এম নূরুল হুদা নেতৃত্বাধীন নির্বাচন কমিশনের অধীনে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের বড় পরিসরের শেষ নির্বাচন এটি।

১৩৮ ইউনিয়ন পরিষদের ভোটের পর বৃহস্পতিবার আটটি ইউপির ভোট রয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নিজেদের মেয়াদে চার সহস্রাধিক ইউপি ভোট শেষ করতে যাচ্ছে এ কমিশন। 

এবারের ইউপি নির্বাচনে সহিংসতা নিয়ে বেশ সমালোচনায় পড়তে হয়েছে নূরুল হুদার কমিশনকে।

প্রথম পাঁচটি ধাপে ভোটের আগে-পরে সহিংসতায় অর্ধশতাধিক প্রাণহানি দেখেছে বাংলাদেশ। তবে সর্বশেষ ষষ্ঠধাপে ইভিএমের ভোটের সময় পরিস্থিতি তুলনামূলকভাবে ভালো ছিল। 

ইসি সচিবালয়ের যুগ্মসচিব ও জনসংযোগ পরিচালক এস এম আসাদুজ্জামান বলেছেন, সপ্তম ধাপের জন্যও তারা কঠোর নিরাপত্তার ব্যবস্থা করেছেন।

“প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে ২২ জন করে নিরাপত্তা সদস্য রয়েছেন। আমাদের যাবতীয় প্রস্তুতি রয়েছে।”

ভোটকেন্দ্রে পুলিশ, এপিবিএন ও ব্যাটালিয়ন আনসারের সমন্বয়ে মোবাইল টিম ও স্ট্রাইকিং ফোর্স রয়েছে। প্রতিটি ইউনিয়নে একটি মোবাইল টিম এবং প্রতি তিনটি ইউনিয়নে একটি করে স্ট্রাইকিং ফোর্স দায়িত্বে রয়েছে। উপকূলীয় এলাকায় কোস্ট গার্ড সদস্যরা নিয়োজিত রয়েছেন।

ভোট তথ্য

>> ২০ জেলার ২৪ উপজেলায় ভোট হচ্ছে ১৩৮টি ইউপিতে।

>> সপ্তম ধাপে ৯টি ইউপির ভোট ইভিএমে, বাকিগুলোয় ব্যালট পেপারে।

>> সব মিলিয়ে ১৩৫০টি ভোটকেন্দ্রের ৭,০৮৫টি ভোটকক্ষে হবে ভোটগ্রহণ।

>> এসব ইউপির ভোটার সংখ্যা ২৪ লাখ ৫১ হাজার ৭৮২ জন। তাদের মধ্যে ১২ লাখ ৫৭ হাজার ৫৮৬ জন পুরুষ; ১১ লাখ ৯৪ হাজার ২২৯ জন নারী এবং ৩ জন তৃতীয় লিঙ্গের প্রতিনিধি।

>> তিন পদে প্রার্থী মোট ৫ হাজার ৮৭৪ জন। এর মধ্যে চেয়ারম্যান পদে ৫৭৬ জন, সংরক্ষিত সদস্য পদে ১ হাজার ২৩৬ জন এবং সাধারণ সদস্য পদে ৪ হাজার ৬২ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতায় আছেন।

>> এ ধাপে চেয়ারম্যান পদে ১১ জন, সংরক্ষিত সদস্য পদে ১৩ জন ও সাধারণ সদস্য ৪৭ জন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছে।

চলতি বছরের মার্চে ইউপি ভোটের তফসিল দিয়ে ১১ এপ্রিল থেকে নির্বাচন শুরুর কথা ছিল। কিন্তু করোনাভাইরাস মহামারীর মধ্যে সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় তা আটকে যায়।

পরিস্থিতি উন্নতির পর প্রথম ধাপে ২১ জুন ২০৪ ইউপি এবং ২০ সেপ্টেম্বর ১৬০ ইউপির ভোট হয়।

দ্বিতীয় ধাপে ৮৪৬ ইউপির ১১ নভেম্বর এবং তৃতীয় ধাপে ১০০৪টির নির্বাচন হয় ২৮ নভেম্বর। ২৬ ডিসেম্বর চতুর্থ ধাপে ৮৪০টি ইউপি, পঞ্চম ধাপে ৭০৭ ইউপিতে ৫ জানুয়ারি, ষষ্ঠ ধাপে ২১৮ ইউপির ভোট শেষ হয়েছে ৩১ জানুয়ারি।

সপ্তমধাপে ১৩৮ ইউপির ভোট শেষে বর্তমান ইসির মেয়াদ শেষের আগে স্থানীয় সরকারের শেষ নির্বাচনে আরও ৮ ইউপির ভোট হবে ১০ ফেব্রুয়ারি।

আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি বিদায় নেবে বর্তমান কমিশন।