logo

শিশু সংবেদনশীল নগর কাঠামো গড়তে কাজ করবে বিআইপি ও সেইভ দ্য চিলড্রেন

এফই অনলাইন ডেস্ক | Sunday, 29 August 2021


শিশু সংবেদনশীল নগর কাঠামো গড়ে তোলার উদ্দেশ্যে অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে কাজ করার জন্য একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করেছে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব প্ল্যানার্স (বিআইপি) এবং সেইভ দ্য চিলড্রেন।

বিআইপি ‘র সাধারন সম্পাদক অধ্যাপক ড. আদিল মুহাম্মদ খানের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, রবিবার দুপুরে গুলশানের হোটেল লেকশোরে এ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

বাংলাদেশের টেকসই ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে পরিকল্পনার সঠিক চর্চার মাধ্যমে শিশুদের বসবাস উপযোগী নগর নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বিআইপি ও সেইভ দ্য চিলড্রেন স্থানীয় এবং জাতীয় নগর পরিকল্পনার নীতি ও উদ্যোগে শিশুদের অধিকারের প্রচার ও সুরক্ষার জন্য একসঙ্গে কাজ করবে।

শিশু-বান্ধব শহরগুলি গড়ে তোলার জন্য শিশুদের অগ্রাধিকার এবং চাহিদাগুলি শোনা এবং সমাধান করা নিশ্চিত করবে তারা।

এছাড়াও দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনার মধ্যে শিশুবান্ধব নগরী গড়ে তোলার কার্যপদ্ধতি তৈরি করবে এবং পরিকল্পনাবিদদের সাথে অন্যান্য পেশাজীবি, নীতিনির্ধারক, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, সিটি মেয়র, সচিব এবং প্রশাসনিক ক্যাডারসহ সকলের জন্য শিশুবান্ধব পরিকল্পনার মানদন্ড সম্পর্কিত প্রশিক্ষণ ও আলোচনা কর্মশালার আয়োজন করা হবে।

সেভ দ্য চিলড্রেন বাংলাদেশ এর কান্ট্রি ডিরেক্টর অনো ভ্যান ম্যানেন বলেন, পরিকল্পনার মাধ্যমে শিশুদের অধিকার এবং শিশুদের বিকাশ অর্জন সম্ভব।

“বর্তমানে জলবায়ু পরিবর্তন, নগরায়ন সহ অনেক নতুন চ্যালেঞ্জ রয়েছে, তবে আগামীর শিশুদের ভবিষ্যতের কথা বিবেচনায় রেখে বাংলাদেশের সকল শহর, কমিউনিটিতে শিশুদের প্রয়োজনীয় অধিকার পরিকল্পনার মাধ্যমে প্রদান করতে হবে। পরিকল্পনা ও নীতি প্রণয়নে শিশুদের সম্পৃক্ত করতে হবে, যেন শিশুরা তাদের অধিকার এবং চাহিদার কথা তুলে ধরতে পারে,” বলেন তিনি।

বিআইপি’র সাধারণ সম্পাদক আদিল মুহাম্মদ খান বলেন, “শিশুদের কথা শুনতে হবে, তাদের পরিকল্পনার প্রক্রিয়ায় সংযুক্ত করতে এবং বাংলাদেশকে শিশুদের বসাবাসযোগ্য করে গড়ে তুলতে শিশুদের সাথে নিয়ে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব প্ল্যানার্স (বি.আই.পি.) এবং সেইভ দ্য চিলড্রেন কাজ করবে।”

বিআইপি’র সভাপতি অধ্যাপক ড. আকতার মাহমুদ বলেন, “একটা শহর যখন মুনাফালোভী মানুষের জন্য তৈরি করা হয় তখন সেই শহর দোকানে রুপান্তরিত হয়।”

শহরগুলোকে দোকান বানাতে চাননা বলে মন্তব্য করে তিনি শহরকে মুনাফালোভী মানুষের শহর হিসেবে না গড়ে তুলে ব্যক্তিস্বার্থের বাইরে নগরী গড়ে তোলার আহ্বান জানান।

“একই সাথে শিশুবান্ধব শহর গড়ে তুললে সেই শহর সকলের জন্য বাসযোগ্যও হবে এবং টেকসই লক্ষ্যমাত্রার অন্তর্ভুক্তিমূলক শহর গড়ে তোলা সম্ভব হবে,” যোগ করেন তিনি।