রিকশাচালক থেকে ‘ড্যান্সার’, আড়ালে করেন ‘নারী পাচার’
Saturday, 30 October 2021
কুমিল্লার তরুণ কামরুল ইসলাম ২০০১ সালে ঢাকায় এসে রিকশা চালানো শুরু করেছিলেন। কদিনের মধ্যে ধরেন পণ্যবাহী ভ্যান। চিত্রজগতের মালামাল পরিবহনের সুবাদে দেড় দশকে বনে ‘ড্যান্সার’।
পরে হাতিরঝিল এলাকায় ‘নাচের স্কুল’ খুলে তার আড়ালে সহযোগীদের নিয়ে এই কামরুল ভারতে নারী পাচার করে থাকেন বলে র্যাবের ভাষ্য। খবর বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম-এর।
এই অভিযোগে তাকেসহ ১১ জনকে গ্রেপ্তারের পর শনিবার মিরপুরে সংবাদ সম্মেলনে র্যাবের মুখপাত্র খন্দকার আল মঈন ও র্যাব- ৪ এর পরিচালক মোজাম্মেল হক এসব তথ্য জানান।
র্যাব বলছে, শুটিংয়ের মালামাল পরিবহনের সুবাদে চিত্রজগতের লোকজনের সঙ্গে কামরুলের পরিচয় হয়। ২০১৬ সালের দিকে তিনি ‘সাইড ড্যান্সার’ হিসেবে কাজ শুরু করেন; বনে যান ‘ডিজে কামরুল’ বা ‘ড্যান্স কামরুল’।
‘ডিজে কামরুল ড্যান্স কিংডম’ নামে প্রতিষ্ঠান খুলে তার আড়ালে নাচে আগ্রহী তরুণীদের ভাল অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের সুযোগ বা চিত্রজগতে প্রতিষ্ঠার লোভ দেখিয়ে ভারতে পাচার করছিলেন।
কামরুল ও তার সহযোগীরা ২০১৯ সাল থেকে এ পর্যন্ত শতাধিক নারীকে ভারতে পাচার করেছেন। তাদের ডেরা (সেইফ হাউজ) থেকে পাচারের শিকার ২৩ নারীকে উদ্ধার করেছে।
র্যাব কর্মকর্তারা সংবাদ সম্মেলনে জানান, গ্রেপ্তার জন দুটি চক্রের সদস্য। এর মধ্যে কামরুলের চক্রের আরও তিনজন রয়েছে। এরা হলেন- রিপন মোল্লা, আসাদুজ্জামান সেলিম এবং নাইমুর রহমান শামীম।
এদের মধ্যে রিপন (ডেলিভারি ম্যান) সীমান্ত দিয়ে পাচারের জন্য ঢাকা থেকে নারীদের পরিবহন করতেন। তাদের নিয়ে চুয়াডাঙ্গার ডেড়ায় (সেইফ হাউজ) নিয়ে রাখা হতো, যেটি চালানোর ভার ছিল শামীমের উপর।
সেখান থেকে শুক্রবার মধ্যরাতে এক তরুণীকে উদ্ধারের পর সেখানে রাখা নারীদের নিপীড়ন চালানো হতে বলে জানিয়েছে র্যাব।
উদ্ধার হওয়া ওই তরুণী সাংবাদিকদের বলেন, তিনি ঢাকার একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়েন। মূলত নাচের প্রতি আগ্রহ থেকেই ফেইসবুকে কামরুলের সঙ্গে তার পরিচয় হয়। পরে কামরুলের ক্লাবে গিয়ে নাচের অনুশীলন করেন।
পরে কামরুল বিয়ে বাড়ি ও জন্মদিনে নাচার কাজও তাকে জুটিয়ে দেন। একপর্যায়ে ভারতে বিভিন্ন অনুষ্ঠানের নাচার প্রস্তাব দেন। তাকে চুয়াডাঙ্গার শামীমের সঙ্গে যোগাযোগ করিয়ে দেওয়া হয়। ভারতে যোগাযোগের নম্বরও দেওয়া হয়। পাসপোর্ট ছাড়াই সীমান্ত পার করে দেওয়া হবে বলেও তাকে বলা হয়। তারপরের কাজ দালালেরা করবে।
র্যাব কর্মকর্তারা সংবাদ সম্মেলনে জানান, গ্রেপ্তার জন দুটি চক্রের সদস্য। এর মধ্যে কামরুলের চক্রের আরও তিনজন রয়েছে। এরা হলেন- রিপন মোল্লা, আসাদুজ্জামান সেলিম এবং নাইমুর রহমান শামীম।
এদের মধ্যে রিপন (ডেলিভারি ম্যান) সীমান্ত দিয়ে পাচারের জন্য ঢাকা থেকে নারীদের পরিবহন করতেন। তাদের নিয়ে চুয়াডাঙ্গার ডেড়ায় (সেইফ হাউজ) নিয়ে রাখা হতো, যেটি চালানোর ভার ছিল শামীমের উপর।
সেখান থেকে শুক্রবার মধ্যরাতে এক তরুণীকে উদ্ধারের পর সেখানে রাখা নারীদের নিপীড়ন চালানো হতে বলে জানিয়েছে র্যাব।
উদ্ধার হওয়া ওই তরুণী সাংবাদিকদের বলেন, তিনি ঢাকার একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়েন। মূলত নাচের প্রতি আগ্রহ থেকেই ফেইসবুকে কামরুলের সঙ্গে তার পরিচয় হয়। পরে কামরুলের ক্লাবে গিয়ে নাচের অনুশীলন করেন।
পরে কামরুল বিয়ে বাড়ি ও জন্মদিনে নাচার কাজও তাকে জুটিয়ে দেন। একপর্যায়ে ভারতে বিভিন্ন অনুষ্ঠানের নাচার প্রস্তাব দেন। তাকে চুয়াডাঙ্গার শামীমের সঙ্গে যোগাযোগ করিয়ে দেওয়া হয়। ভারতে যোগাযোগের নম্বরও দেওয়া হয়। পাসপোর্ট ছাড়াই সীমান্ত পার করে দেওয়া হবে বলেও তাকে বলা হয়। তারপরের কাজ দালালেরা করবে।