যুদ্ধের ১০০তম জেলেনস্কি বললেন, ‘জয় আমাদের হবেই’
Friday, 3 June 2022
রাশিয়ার আগ্রাসনের ১০০তম দিনে প্রকাশিত ভিডিওতে ইউক্রেইনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বলেছেন, ‘জয় আমাদের হবেই’।
ভিডিওতে তার সঙ্গে ছিলেন ইউক্রেইনের প্রধানমন্ত্রীসহ ঘনিষ্ঠ কয়েকজন মিত্র। জেলেনস্কি ও তার টিম রাজধানীর কিইভের কেন্দ্রস্থলে প্রেসিডেন্ট কার্যালয়ের সামনে দাঁড়িয়ে ছিলেন।
ভিডিওতে জেলেনস্কি বলেন, “ইউক্রেইনের সশস্ত্রবাহিনীও এখানে আছে, আমাদের দেশের জনগণ এখানে আছে। আমরা ইতোমধ্যেই ১০০ দিন ধরে ইউক্রেইনকে রক্ষা করে এসেছি। জয় আমাদের হবেই। জয় ইউক্রেইন।”
বিবিসি বরাত দিয়ে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম জানায়, ইউক্রেইনে রাশিয়ার আগ্রাসন শুরুর পরদিন ২৫ ফেব্রুয়ারিতে কিইভ এর একই জায়গা থেকে প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি একই ধরনের একটি ভিডিও প্রকাশ করেছিলেন।
সেই সময় জেলেনস্কি পশ্চিমাদের আহ্বানে কিইভ ত্যাগের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেন। তিনি বলেছিলেন, “আমার গোলাবারুদ দরকার। কিইভ ছেড়ে যাওয়ার দরকার নাই।”
আর এখন চলমান যুদ্ধের ১০০ দিন পরও পোস্ট হওয়া ভিডিওতে তিনি দেখা দিলেন।
ইউক্রেইনে রাশিয়ার আগ্রাসন তিনমাস পেরিয়েছে। দীর্ঘ এই যুদ্ধের গুরুত্বপূর্ণ কিছু দিন তুলে ধরা হলো:
২৪ ফেব্রুয়ারি: এই দিনে ইউক্রেইনে আগ্রাসন শুরু করেছিল রাশিয়া
৩০ মার্চ: এই দিনে রাশিয়া ইউক্রেইনের রাজধানী কিইভে হামলা কমানোর ঘোষণা দেয় এবং পরে সেখান থেকে সরে গিয়ে পূর্ব ইউক্রেইনে যুদ্ধে মনোনিবেশ করে।
১৩ এপ্রিল: যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ইউক্রেইনে রুশ বাহিনীর বিরুদ্ধে গণহত্যার অভিযোগ করেন।
২১ এপ্রিল: রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ইউক্রেইনের গুরুত্বপূর্ণ বন্দরনগরী মারিউপোল প্রায় ২ মাস অবরুদ্ধ করে রাখার পর এই দিনে নগরীটি ‘মুক্ত’ ঘোষণা করেন। তবে তখনও মারিউপোলের আজভস্তাল ইস্পাত কারখানায় ইউক্রেইনীয় যোদ্ধারা অবস্থান করছিল।
৯ মে: রাশিয়ার বিজয় দিবসের ভাষণে প্রেসিডেন্ট পুতিন রুশ বাহিনীকে লড়ে যাওয়ার আহ্বান জানান। তবে ইউক্রেইনে আগামীদিনগুলোর যুদ্ধপরিকল্পনার ব্যাপারে পুতিন কিছু বলেননি।
১৮ মে: ইউক্রেইনে রাশিয়ার আগ্রাসনের জেরে নিরাপত্তাহীনতা নিয়ে উদ্বেগ থেকে ফিনল্যান্ড এবং সুইডেন নেটো জোটের সদস্য হওয়ার জন্য আবেদন করে।
২০ মে: রাশিয়া বাহিনী মারিউপোলের শেষ ঘাঁটি আজভস্তাল ইস্পাত কারখানাতেও পুরোপুরি জয় ঘোষণা করে।
মে মাসের শেষ দিকে রাশিয়ার লড়াই চলতে থাকে দনবাস অঞ্চলে।
২৬ মে: জাতিসংঘ জানায়, আগ্রাসন শুরুর পর থেকে ইউক্রেইনের ১ কোটি ৪০ লাখেরও বেশি মানুষ বাড়িঘর ছেড়ে পালিয়েছে।
৩১ মে: ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) রাশিয়ার তেলের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের জন্য রাজি হয়।