logo

ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁস হয়নি, গুজব রটনাকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে: ঢাবি উপাচার্য

Friday, 1 October 2021


ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘ক’  ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস হওয়ার ‘গুজব রটনাকারীদের’ বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন উপাচার্য অধ্যাপক মো. আখতারুজ্জামান।

শুক্রবার বিজ্ঞান অনুষদভুক্ত 'ক' ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার কেন্দ্র পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি একথা বলেন, খবর বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের।

মহামারী পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে শিক্ষার্থীদের কষ্ট কমাতে এবার প্রথমবারের মতো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের আটটি বিভাগীয় শহরের আট বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে এ পরীক্ষা নেওয়া হচ্ছে।

শুক্রবার 'ক' ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার একদিন আগেই সকল কেন্দ্রে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে প্রশ্নপত্র। একটি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপের স্ক্রিনশটসিহ টাকার বিনিময়ে প্রশ্ন সরবরাহ করা হচ্ছে বলে আগের রাতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে উপাচার্য বলেন, “হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপের মাধ্যমে ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁসের যে কথা বলা হচ্ছে, সেটি গুজব। গুজব রটনাকারীদের বিরুদ্ধে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা ব্যবস্থা নিচ্ছে।

 “সকল ধরণের জালিয়াতি চক্রের মূলোৎপাটন করা আমাদের দৃঢ় প্রত্যয়। সেটি এরই মধ্যে আমরা করেছি। বিভিন্ন সময় জালিয়াতি করা ৮৯ শিক্ষার্থীকে আমরা ভর্তি বাতিল করে আইনের আওতায় নিয়ে এসেছি।”

মহামারী পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে পরীক্ষা কেন্দ্রে অভিভাবকদের ভিড় না করার অনুরোধ জানান তিনি।

প্রায় এক বছরের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে শুক্রবার বেলা ১১টায় বিজ্ঞান অনুষদভুক্ত 'ক' ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার মধ্য দিয়ে শুরু হয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা।

৬০ নম্বরের বহুনির্বাচনী, ৪০ নম্বরের লিখিতসহ মোট ১০০ নম্বরের এই পরীক্ষা শেষ হয় দুপুর সাড়ে ১২টায়।

 ‘ক’ ইউনিটের ১ হাজার ৮১৫টি আসনের বিপরীতে এবার ভর্তি পরীক্ষার জন্য আবেদন করেছিলেন ১ লাখ ১৭ হাজার ৯৫৭ জন শিক্ষার্থী। এই হিসাবে ‘ক’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় প্রতি আসনের জন্য প্রার্থী গড়ে ৬৫ জন।

আগামীকাল ২ অক্টোবর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা অনুষদভুক্ত ‘খ’ ইউনিট ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

এরপর ২২ অক্টোবর ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদভুক্ত ‘গ’ ইউনিট এবং ২৩ অক্টোবর সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদভুক্ত বিভাগ পরিবর্তনের সমন্বিত ‘ঘ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা হবে।

সব মিলিয়ে বিশ্ববিদ্যারয়ের পাঁচটি ইউনিটের ৭ হাজার ১৪৮টি আসনের বিপরীতে মোট ৩ লাখ ২৪ হাজার ৩৪০ জন শিক্ষার্থী আবেদন করেছেন এবার।