logo

বাড়তে শুরু করেছে পেঁয়াজের দাম

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম | Friday, 21 May 2021


প্রতি বছর মে মাসের শুরুতেই পেঁয়াজের দাম বাড়তে শুরু করে। এবার রোজা ও লকডাউনে চাহিদা কম ছিল। ঈদের পর পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে, দামও বাড়তে শুরু করেছে।

শুক্রবার কারওয়ান বাজারে প্রতিকেজি দেশি ও ভারতীয় পেঁয়াজ ৪২ থেকে ৫০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে। আগের সপ্তাহে প্রতিকেজি ৩৬ টাকা থেকে ৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছিল।

পেঁয়াজ বিক্রেতা মোহাম্মদ মোশাররফ বললেন, “কৃষকের হাতে থাকা পেঁয়াজ শেষ হওয়ার পর এখন সংরক্ষণে থাকা পেঁয়াজ বিক্রি শুরু হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে পেঁয়াজের দাম প্রতিকেজি ৫০ টাকাও হয়ে যেতে পারে। বছরের বাকি সময়টায় ওই দামই থাকবে।”

গত এক সপ্তাহে চীন থেকে আমদানি রসুনের দাম কেজিতে ১০ টাকা বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ১৩০ টাকায়। অবশ্য দেশি রসুন আগের মতই প্রতিকেজি ৯০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

কারওয়ান বাজারে কেনাকাটা করতে আসা জোবায়ের মিলন বললেন “তেল, চিনির দাম অনেক আগে থেকেই বাড়তি। এখন পেঁয়াজ রসুনের দাম বাড়তে শুরু করেছে। কয়দিন পর হয়তো শুনবেন আদা, হলুদ, মরিচের দাম বেড়ে গেছে।”

পাইকারিতে চালের দাম কমলেও খুচরায় প্রভাব কম

বোরো ফসল আর আমদানির কারণে পাইকারি বাজারে চালের দাম গত এক মাসে কেজিতে দুই থেকে চার টাকা পর্যন্ত কমলেও খুচরায় এর প্রভাব কম।

শুক্রবার ঢাকার কারওয়ান বাজার ঘুরে দেখা গেছে, দেশি বিআর আটাশ চাল ৫০ কেজির বস্তা ২ হাজার ১০০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে, একমাস আগে যার দাম ছিল ২ হাজার ৩০০ টাক। আগের তুলনায় এই চালের দাম কেজিতে কমেছে ৪ টাকা।

একমাস আগে সরু চালের ৫০ কেজির বস্তার দাম ছিল ৩ হাজার টাকা। কেজি প্রতি যার দাম এখন ৪ টাকা কমে প্রতি বস্তা বিক্রি হচ্ছে ২ হাজার ৮০০ টাকায়।

মোটা চাল পাইজাম ও স্বর্ণা চালের দাম ২ হাজার ১০০ টাকায় নেমে এসেছে। মাসের শুরুতে ৩ থেকে ৪ টাকা বাড়তি দামে এই চালের ৫০ কেজির বস্তা ছিল ২ হাজার ২৫০ টাকা থেকে ২ হাজার ৩০০ টাকার মধ্যে।

চলতি মাসের শুরু থেকে দাম কমার এই ধারা চালের বাজারকে ‘স্বাভাবিক অবস্থায়’ ফিরিয়ে আনবে বলে আশা দিচ্ছেন পাইকারি ব্যবসায়ীরা।

আগের দামে ফিরছে মাছ-মাংস

ঈদের ছুটিতে সরবরাহ ঘাটতির কথা বলে দাম বাড়িয়ে দেওয়া মাছ-মাংসের দাম আবারও আগের অবস্থায় ফিরে আসছে।

এ সপ্তাহে রাজধানীর বিভিন্ন বাজারে ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে প্রতিকেজি ১৩০ থেকে ১৩৫ টাকায়। আগের সপ্তাহে যা ছিল ১৫০ থেকে ১৬০ টাকা। সোনালী মুরগি ও লেয়ার মুরগির দামও কেজিতে ৫০ টাকা কমে বিক্রি হচ্ছে ২৫০ টাকায়।

পাশাপাশি গরুর মাংসের দামও কিছুটা কমেছে। শুক্রবার মিরপুর ও কারওয়ান বাজারে প্রতিকেজি গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছিল ৫৮০ টাকায়, ঈদের ছুটিতে তা ৬০০ টাকা হয়েছিল।