logo

বরিস জনসনের পর ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কে, জানা যাবে ৫ সেপ্টেম্বর

এফই অনলাইন ডেস্ক | Tuesday, 12 July 2022


তারা মূলধারার বাইরের প্রার্থীদের দ্রুত বাদ দিতে নেতা হওয়ার দৌড়ে ঢোকা এবং লড়াইয়ে টিকে থাকার পথও আগের ‍তুলনায় কঠিন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। খবর বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের। 

বিবিসি জানিয়েছে, একের পর এক ভোটের মাধ্যমে টোরি এমপিদেরকে আগামী ২১ জুলাইয়ের মধ্যে দুই প্রার্থীর নাম চূড়ান্ত করতে হবে।

দলের প্রায় এক লাখ ৬০ হাজার সদস্য পরে পোস্টাল ব্যালটে এই দুইজনের মধ্যে একজনকে বেছে নেবেন।

এখন পর্যন্ত বরিস জনসনের স্থলাভিষিক্ত হওয়ার দৌড়ে ১১ জন তাদের প্রার্থীতা ঘোষণা করেছেন, প্রীতি প্যাটেলসহ আরও কয়েকজনও এ তালিকায় যুক্ত হতে পারেন বলে গুঞ্জন রয়েছে।

তবে ব্রেক্সিট অপরচুনিটিজ মন্ত্রী জ্যাকব রিস-মোগ টেলিগ্রাফকে বলেছেন, তিনি নেতা হওয়ার দৌড়ে থাকছেন না।

“ডানপন্থিদের আরও বিভক্ত না করে ঐক্যবদ্ধ করাই আমার লক্ষ্য,” বলেছেন তিনি।

নিজ দলের এমপি-মন্ত্রীদের বিদ্রোহের কারণে গত সপ্তাহে জনসনকে পদত্যাগ করতে হয়েছিল।

এখন পর্যন্ত যারা নেতা হওয়ার লড়াইয়ে শামিল হয়েছেন, তাদের প্রায় প্রত্যেকেই কর কমানোর অঙ্গীকার করলেও বিশ্লেষকরা এই প্রতিশ্রুতি ‘সহজে বাস্তবায়নযোগ্য নয়’ বলেই মনে করছেন।

কেবল সাবেক অর্থমন্ত্রী ঋষি সুনাকই বলেছেন, মূল্যস্ফীতির লাগাম টেনে ধরার আগ পর্যন্ত কর কর্তন ঠিক হবে না।

কনজারভেটিভ দলের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা দলের শীর্ষ নেতা বেছে নেওয়ার যে সময়সীমা ঠিক করেছেন তাতে দেখা যাচ্ছে, মঙ্গলবার আগ্রহীরা তাদের মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার পর বুধবার থেকেই চূড়ান্ত দুই প্রার্থী ঠিক করার মিশনে নেমে যাবেন টোরি এমপিরা।

ওই দুই প্রার্থীদের মধ্যে দলের সাধারণ সদস্যরা কাকে ১০ নং ডাউনিং স্ট্রিটে পাঠাচ্ছেন, তা জানা যাবে ৫ সেপ্টেম্বর।

১৯২২ ব্যাকবেঞ্চ কমিটির ঠিক করে দেওয়া নিয়ম অনুযায়ী, এবার মনোনয়নপত্র জমা দিতেই ২০ এমপির সমর্থন জোগাড় করতে হবে; প্রথম রাউন্ডের বাধা টপকাতে লাগবে অন্তত ৩০ এমপির সমর্থন, আগের বার এ সংখ্যা ছিল ১৮।

এদিকে বিদায়ী প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন বলেছেন, উত্তরসূরী হওয়ার দৌড়ে কাউকেই সমর্থন দেবেন না তিনি।

“সমর্থন দেওয়ার মাধ্যমে কারও সম্ভাবনা নষ্ট করতে চাই না আমি,” বলেছেন তিনি। 

লেবার নেতা কির স্টারমার টোরি নেতা হওয়ার লড়াইয়ে নামা প্রায় সবার কর কমানোর অঙ্গীকারের তীব্র সমালোচনা করে এ প্রার্থীরা ‘রূপকথার অর্থনীতিতে অস্ত্র প্রতিযোগিতায় নেমেছেন’ বলে অভিযাগ করেছেন।  

একই প্রার্থীরা জনসন সরকারের আমলে কর বাড়ানোকে সমর্থন দিয়েছিলেন জানিয়ে তাদের এখনকার অবস্থানকে ‘ভণ্ডামি’ বলেও অভিহিত করেছেন তিনি।