পেপারব্যাক বইয়ে বাঁধাই শৈশব-কৈশোরের রহস্য নায়কেরা
রওনক জাহান | Friday, 28 January 2022
তিনশ পঁয়ষট্টি দিনে এক বছর চোখের পলকেই শেষ হয় আজকাল। নাগরিক জীবন কাজের শেকলে বাঁধা। গতির সঙ্গে তাল মিলিয়ে পা ফেলতে ফেলতে ক্লান্তি আসে দেহ-মনে। তবুও গতিই জীবন, এই সত্যে পথচলা। পথ চলতে চলতে অতীতার্ত মন সোনালি সময়ে ডুব দেয়। শৈশব-কৈশোরের মতোন মিষ্টি সময় আর কি আছে? সেবা প্রকাশনীর পেপারব্যাক গ্রন্থপাঠে যে আনন্দ জমেছে শিশুমনে তা এখনো গোপনে বহমান ফল্গুধারার মতোন।
কথাগুলো বলছি কাজী আনোয়ার হোসেন এবং তাঁর সৃষ্ট ও প্রকাশিত গ্রন্থগুলোর প্রভাব আমাদের সময়কার শিশু কিশোরদের মধ্যে কেমন ছিলো তা বলতে গিয়ে।
১৯৩৬ সালের ১৯ জুলাই জন্মগ্রহণ করেন কাজী আনোয়ার হোসেন। আর তাঁর জীবনাবসান ঘটে এ বছর মানে ২০২২ সালের ১৯ জানুয়ারি । সাড়ে পঁচাশি বছরের বর্ণাঢ্য কর্মময় জীবনের পরিসমাপ্তি ঘটলেও কাজীদা আমাদের বয়সি তরুণ মনে সব সময়ই তারুণ্যে উদ্দীপিত যুবক। তাঁর সৃষ্ট চরিত্রের মতোই তিনি অমিত সামর্থ্যের আধার সমকালের রহস্য সিরিজ পাঠকের কাছে।
দুই.
সময় নিভৃতে পথ চলে, সময়ের পথ ধরে হেঁটে চলি আমরা পথিক হেঁটে চলি। শৈশব পেরিয়ে কৈশোর পেছনে ফেলে এবেলা জীবন পার করে দিয়েছে মেলা পথ। কতো বিচিত্র অভিজ্ঞতার সমষ্টি এক জীবন। সময়কে স্পর্শ করা যায় না, কেবল অনুভব করা যায়। চোখ বন্ধ করলেই ফিরে আসে চেনা গন্ধ, সেই সোনালি সময়। তখন তথ্য প্রযুক্তির উৎকর্ষের আজকের দিন কল্পনারও অতীত ছিলো। খেলার মাঠ, পাড়ার গলি, বাড়ির ছাদ, ভীড়মুক্ত নগরপথে সমবয়সিদের মিথস্ক্রিয়ার অবাধ সুযোগ মিলতো। বিদ্যালয়ে আসা-যাওয়ার পথটা ভীষণ স্মৃতিমণ্ডিত নব্বই দশকের শিশু-কিশোরদের জন্য। জিজ্ঞাসু মনে জগৎটা তখন রহস্যে ভরা যখন স্যাটেলাইট টিভি চ্যানেল ছিলো না। তখনো লোকে চিঠি লিখতো, ডাকপিয়নের অপেক্ষায় থাকতো। কারো বাড়িতে টিভি থাকলে তার বার্ষিক লাইসেন্স নবায়ন একটি জরুরি কাজ বিবেচিত হতো। ভিসিআর ভাড়ায় আনলে বাড়িতে ভীড় জমতো। সে সময়টায় রাত জেগে ভিসিআরে সিনেমা দেখার অভিজ্ঞতা নেই এমন ব্যক্তি খুঁজে পাওয়া কষ্টসাধ্য অবশ্যই। লম্বা বাঁশের মাথায় সড়া-হাড়ি বেঁধে ভারতীয় চ্যানেল দেখার লোভী চেষ্টা সেময়কার সাধারণ চিত্র। এক একটা দিন তখন বেশ সময় পেতো, রাত্রিগুলোও দীর্ঘ ছিলো। বর্ষা থেকে বসন্তের দূরত্ব ছিলো অনেক। শীতের ছুটি-রোজার ছুটি- পুজোর ছুটির জন্য অপেক্ষায় থাকতো শিশু-কিশোর মন।
বয়সে বাংলাদেশও তখন নবীন। সেই সময় অর্থনৈতিক ব্যবস্থা ততোটা মজবুত ছিলো না। আজকের শিশু-কিশোরেরা যতো কিছু পায় বা পাচ্ছে ততোটা সচ্ছ¡লতা অকল্পনীয় তখন। তখন বই পড়ার একটা আবহ সৃষ্টি হয়েছিলো শিক্ষিত মধ্যবিত্ত শ্রেণির মধ্যে। গৃহিনী মায়েরাও দুপুরে ভাতঘুমের আগে একটু সময় পেলে একটা উপন্যাসে চোখ বুলিয়ে নিতে ভুলতেন না। বালিশের পাশে অনায়াসে খুঁজে পাওয়া যেত দেবদাস, শ্রীকান্ত, কবি, চোখের বালি, পদ্মানদীর মাঝি এমনি আরো অনেক বই। মধ্যবিত্তের প্রাত্যহিক দিনযাপনের সংগ্রাম ছিলো, সাদা-কালো টিভিটা রঙিন হলেই বেশ আয়েশি মনে হতো। ঝালমুড়ি, চিনাবাদাম, লাঠি লজেন্স, চানাচুরে দিব্যি চলতো আড্ডা। চিপস, কেক, নুডুলস তো দৈনিক মিলতো না, জন্মদিনের মতো অনুষ্ঠানে এসব উঠতো প্লেটে। আজকের শিশুরা ওসব শুনে ভাবতে পারে কী সাদা-কালো ছিলো সেই সময়। নাহ, পারস্পরিক চেনা পরিচয়ে, সামাজিক- পারিবারিক গণ্ডিতে জীবন তখন অনেক বেশি আন্তরিক। যোগাযোগের এই সজীবতা রঙিন করে তুলতো প্রতিটি মুহূর্ত।
শুধু মানুষে মানুষে যোগাযোগে সময়টা রঙিন হয়ে উঠেছিলো তা নয়, বই পড়ার যে অভ্যাসটা শিক্ষিত মধ্যবিত্ত শ্রেণির মধ্যে বর্তমান ছিলো, তাও নতুন জগতের স্বাদ জোগাতো। এখানেই কাজীদা আমাদের শিশু-কিশোরদের নায়ক। কারণ তাঁর সৃষ্ট নায়ক চরিত্র মাসুদ রানার অভয় চিত্ত আর দুঃসাহসী কর্মকাণ্ড অদ্ভুত এক আবেশ ছড়াতো সেকালের ঢিমে তালে গড়ানো আমাদের দিনগুলোতে। এতোক্ষণ প্রাত্যহিকীর সাদামাটা কিন্তু আন্তরিক আয়োজনের কথা সেজন্যই বললাম। কারণ বয়সটা রহস্যগন্ধী, অথচ এক ছাঁচে গড়া নাটকীয়তাহীন আটপৌরে জীবন। কৈশোর মনে তাই দারুণ লেগেছিলো মাসুদ রানা ও কুয়াশা সিরিজের বইগুলো যদিও রানা পাঠ্য ছিল ’প্রাপ্ত বয়স্কদের জন্য। তবে সেবা প্রকাশনী থেকে বের হওয়া তিন গোয়েন্দা তো যেন আমাদের মনের অনিবার্য খোরাক হয়ে উঠেছিলো। গোগ্রাসে পড়তাম। লুকিয়ে পড়ার ঘটনা প্রায় অনেকের জীবনে আছে। তখনকার অনেক বাবা-মায়ের ধারণা ছিলো পাঠের রুচিটা শৈশব থেকেই চাপিয়ে দিতে হয়। রিডিং ফর প্লেজার বা আনন্দের জন্য পড়া বিষয়টিকে অনেকেই বাড়াবাড়ি মনে করতেন। তাই বিদ্যালয়গামী কিশোর পাঠক মা-বাবার চোখ ফাঁকি দিয়ে রহস্য-রোমাঞ্চের বই পড়তো। এ অভিজ্ঞতা কম-বেশি আমার সমবয়সীদের স্মৃতিতে উজ্জ্বল।
তিন.
সবসময় বই কিনে শখের পড়াটি চালিয়ে নেয়ার সহজ সুযোগ সকলের ছিলো না। কিন্তু অপরিমেয় আগ্রহ ছিলো শিশু-কিশোর মনে। পাড়ার লাইব্রেরি থেকে বই সংগ্রহ করে সেই খিদে মিটতো। আবার বাণিজ্যিক ছোটোখাটো বইঘরগুলোতে ভাড়ায়ও মিলতো কিছু বই। পয়সা জমিয়ে বই কেনার পাশাপাশি ভাড়া করে বই এনে পড়া যেতো। পেপারব্যাক বই দামে তরুণদের পকেট সাশ্রয়ী, তাই প্রাপ্যতা হাতের নাগালে। যখন বয়সটা অস্থির, চঞ্চল, রহস্যোন্মুখ, নতুন কিছু করা বা দেখার জন্য অধীর, তখন তিন গোয়েন্দা, মাসুদ রানা আর কুয়াশার মতো বইগুলো মনের আকাঙ্ক্ষা নিবারণের একটা উপায় হয়ে উঠেছিলো সময়ের অনিবার্য উপজাত হিসেবে।



কুয়াশা নামক জনপ্রিয় সিরিজটির স্রষ্টা কাজী আনোয়ার হোসেন। ১৯৬৪ সালের জুন মাসে কুয়াশা-১ প্রকাশিত হয়। এই সিরিজের ৭৬ বই প্রকাশিত হয়েছে। আর ১৯৬৬ সালে গুপ্তচর বা স্পাই মাসুদ রানা নামক জনপ্রিয় সিরিজটি রচনা শুরু করেন।
১৯৬১ সালে ঢাকা বিশ^বিদ্যালয় থেকে বাংলায় এমএ পাশ করে সঙ্গীত শিল্পী হিসেবে নিজেকে তৈরি করছিলেন কাজী আনোয়ার হোসেন। এরই মধ্যে ১৯৬৩ সালের মে মাসে বাবা ড. কাজী মোতাহার হোসেনের দেওয়া দশ হাজার টাকা নিয়ে সেগুনবাগিচায় প্রেসের যাত্রা শুরু করেন। সেই প্রেসই পরবর্তীকালে সেবা প্রকাশনী নাম ধারণ করে।
সেবা প্রকাশনী কেবল উঠতি ও তরুণ বয়সীদের জন্য রহস্য সিরিজ সৃষ্টি করেই দায়িত্ব শেষ করেনি, বাংলাদেশে পেপারব্যাক গ্রন্থ প্রকাশকে একটা মাত্রা দিয়েছে। এতে সুলভ মূল্যে সহজ লভ্য হয়ে উঠেছিলো বিভিন্ন স্বাদের গ্রন্থ। পাঠকদের জন্য বিশেষ করে উঠতি বয়সি সদ্য পাঠে আগ্রহীদের জন্য এটা বাড়তি পাওনা ছিলো। কিশোর সাহিত্যের ধারাকে সময়ের শুরু থেকে যতেœর সঙ্গে এগিয়ে নিয়ে গেছে সেবা প্রকাশনী। বিশ^ আলোড়িত সুপাঠ্য গ্রন্থের অনুবাদকে হাতের নাগালে এনে দিতে কাজ করেছে এই প্রকাশনী। রহস্যপত্রিকাও প্রকাশ করেছে সেবা প্রকাশনী।
কাজী আনোয়ার হোসেনতো একাধারে লেখক, সম্পাদক, প্রকাশক এবং ব্যবসায়ী। প্রকাশনা সংস্থার কর্ণধার হিসেবে তাঁকে পাঠকের আকাঙ্ক্ষা মোচনের লক্ষ্যে বিদেশি কাহিনির ছায়া অবলম্বনে সিরিজিগুলো যথাসময়ে পাঠকের সামনে তুলে ধরতে হয়েছে। এ কারণেই সেবা প্রকাশনীর বইয়ের গায়ে ‘বিদেশি কাহিনির ছায়া অবলম্বনে’ কথাটি লেখা থাকে। রহস্যকাহিনি লেখার ভাষা, উপকরণ, গ্রন্থনের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের সাহিত্যের দুর্বলতার দিকটি বিবেচনায় রেখেই এটি করতে হয়েছে।
কাজী আনোয়ার হোসেন স্বনামের পাশাপাশি বিদ্যুৎ মিত্র ও শামসুদ্দিন নওয়াব ছদ্মনামে লিখতেন। মাসুদ রানা সিরিজটি তাঁকে এবং তাঁর প্রকাশনা সংস্থাকে কয়েক দশক ধরে পাঠকপ্রিয়তার তুঙ্গে নিয়ে গিয়েছিলো। শুরুতে তিনি লিখতে চেয়েছিলেন দেশপ্রেমী দুঃসাহসী এক বাঙালি যুবকের কাহিনি। লিখতে লিখতেই স্পষ্ট হয়ে উঠেছে আলোচিত সমালোচিত এই চরিত্রটি। শুরুটা করেছিলেন মৌলিক ভাবনা থেকে। কিন্তু রহস্য গল্প লেখার ভাষা-উপাদান-উপকরণ-কাহিনি-গ্রন্থনা এসবে যে বিরাট দৈন্য আছে বাংলা সাহিত্যে তা তিনি ভালোভাবেই অবগত ছিলেন। নিজের সীমাবদ্ধতাকে উৎরে যেতে বন্ধু মাহবুব আমিনের পরামর্শ গ্রহণ করেন। ইয়ান ফ্লেমিঙের ডক্টর নো থেকে শুরু করে যতোটা সম্ভব ইংরেজি থ্রিলার পড়ে নিজেকে তৈরি করে শুরু হয় শক্তিশালী পথচলা। সৃষ্টি হয় মাসুদ রানা সিরিজের প্রথম গ্রন্থ ‘ধ্বংস পাহাড়’। মাসুদ রানা সিরিজ এক শ্রেণির পাঠক প্রিয়তা যেমন পেয়েছিলো তেমনি সমকালে তা নিয়ে নানা আলোচনা- সমালোচনার ঝড়ও উঠেছিলো। বিশেষত যৌনতার বিষয়টি নিয়ে কড়া সমালোচনার মখোমুখি হতে হয় তখন। এ বিষয়টিকে নজরে এনে কাজী আনোয়ার হোসেন ‘আলোচনা বিভাগ’ চালু করেন। এতে পাঠকের জিজ্ঞাসা, সমালোচনা আর পরামর্শ সবটাই লেখক তথা প্রকাশকের সম্মুখে থাকতো। এসবের প্রতি উত্তরে বুদ্ধিদীপ্ত জবাবও থাকতো তাঁর। এভাবেই সমালোচনাকে না এড়িয়ে বরং তাকে ইতিবাচকভাবে গ্রহণ ও চর্চার মাধ্যমে পাঠকের আরো কাছে পৌঁছে যাওয়ার কৌশলটি শিল্পের মাত্রায় যুক্ত করেছেন কাজীদা।

চার
চিরকেলে গ্রামীণ জীবন থেকে শহরে এসে সদ্য থিতু হওয়া মধ্যবিত্তের উত্তর প্রজন্ম তখন স্বাপ্নিক পৃথিবীর সন্ধান পেতো সেবা প্রকাশনীর তিন গোয়েদা সিরিজের ভেতর। কিশোর থ্রিলার তিন গোয়েন্দা সিরিজের বইগুলো এক প্রশ্বাসে পড়ে ফেলতো সেকালের চঞ্চল পাখা ঝাপটানো কিশোরের দল। পেপারব্যাক বইয়ের লাইনে লাইনে বিস্ময় বিস্ফারিত রোমাঞ্চ অপেক্ষা করছে। বিশে^র বিচিত্র প্রান্তের জীবনছবির সঙ্গে তিন গোয়েন্দাকে গল্পের পাতায় পাতায় অনুগমন করে ঘুরে বেড়ানো হয়েছে অনায়াসে। দূর দেশ তখন হয়ে উঠতো পাশের বাড়ি। মন-চোখ-দৃষ্টিতে কেমন রহস্য উন্মোচনের নেশা পেয়ে বসতো। আমিও নিজেকে খুঁজে ফিরতাম ওইসব রহস্যভেদী নায়কের মধ্যে। দারুণ উপভোগ্য এক সময়। শৈশব-কৈশোর আর তারুণ্যের ঘোরলাগা সেইসব দশক জুড়ে পথহাঁটা বা অবকাশ আড্ডায় সেবা প্রকাশনীর বই আলোচনার কেন্দ্র হয়ে উঠতো।
একালের শিশু-কিশোর-তরুণদের বিরাট একটা অংশ প্রাযুক্তির আসক্তিতে আবদ্ধ। ভালো করে নিজেকে দেখবার অবকাশ পর্যন্ত নেই ওদের। করোনা অবরুদ্ধ সময়ে এই আসক্তি একটা বাস্তব গ্রহণযোগ্যতা পেয়েছে। বইপাঠে আনন্দ লাভের প্রচেষ্টা কমেছে সকল বয়সির মধ্যেই। প্রাযুক্তিক প্রজন্মকে বুঝতে হবে ওদের আকাক্সক্ষা ও বাস্তবতা দিয়ে। তথ্য প্রযুক্তির কল্যাণে নতুন প্রজন্ম যে ভার্চ্যুয়াল বিশে^ অধিক সময় ব্যয় করে তাতে কোনো দেশ-কালের সীমা টানা নেই। ফলে ঘরের শিশুটি আপাত বাঙালির শিশু হলেও তার মস্তিষ্কের ভাঁজে সে হয়তো বিচরণ করে ভিন্ন এক সংস্কৃতির ভেতর, লালন করে অন্য পৃথিবীর কোনো বিশ্বাস।
কাজী আনোয়ার হোসেনতো তাঁর সেবা প্রকাশনীর মাধ্যমে সেদিন উত্তর প্রজন্মের আকাঙ্ক্ষা আর চাহিদাকে দৃষ্টিতে রেখে নানা গ্রন্থ পাঠের সুযোগ সৃষ্টি করে দিয়েছিলেন। আজ একালের প্রযুক্তিঘেরা শিশুদের বইমুখি করতেও নতুন কিছু ভাবতে হবে। শিশুরাও যেন ওদের আড্ডার বিষয় হিসেবে শুধু অ্যানিমেটেড দুনিয়ার চরিত্র নিয়েই কথা না বলে -- সেই দিনের অপেক্ষায় দিনযাপন করি। আর কাজের ভীড়ে ফিরে যাই রঙিন শৈশব-কৈশোরে। সেখানে স্মৃতির ভীড়ে কাজীদার চরিত্ররা আমাদের মায়াবী দিনের সঙ্গী হয়ে থাকে। জীবনের ওপারে ভালো থাকুন কাজীদা।
ড. রওনক জাহান, সহযোগী অধ্যাপক, সরকারি তোলারাম কলেজ, নারায়ণগঞ্জ।
rownakbabu21@gmail.com