logo

নিম্নচাপ কাটলে গরম কমবে, আভাস আবহাওয়া অধিদপ্তরের 

এফই অনলাইন ডেস্ক  | Sunday, 20 March 2022


বঙ্গোপসাগরে যে নিম্নচাপ সৃষ্টি হয়েছে, তা কেটে গেলে বুধবার থেকে তাপমাত্রা কমতে পারে বলে আভাস দিয়েছে আহাওয়া অধিদপ্তর।  

সাগরে অবস্থানরত নিম্নচাপটি সোমবার গভীর নিম্নচাপে রূপ নেওয়ার পর ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে। তবে এটার বাংলাদেশে আঘাত হানার সম্ভাবনা দেখছেন না আবহাওয়াবিদরা।  

এবার শীত বিদায়ের সঙ্গে সঙ্গে তীব্রতা নিয়ে হাজির হয়েছে গরম। চৈত্রের শুরুতেই মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের তাপপ্রবাহ বইতে শুরু করে দেশের বড় অঞ্চলজুড়ে।  খবর বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের। 

আবহাওয়াবিদ বজলুর রশীদ জানান, রোববারও রাঙামাটি, চাঁদপুর, ফেনী, সিলেট, দিনাজপুর, পঞ্চগড়, নীলফামারী ও পটুয়াখালী জেলাসহ রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা বিভাগের উপর দিয়ে মৃদু তাপপ্রবাহ বইছিল।  

এদিন দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে রাজশাহীতে ৩৮.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ঢাকায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৬.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। শনিবারও সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল রাজশাহীতে ৩৮.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।  

থার্মোমিটারের পারদ ৩৬ থেকে ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসে ওঠলে আবহাওয়াবিদরা তাকে মৃদু তাপপ্রবাহ বলে। উষ্ণতা বেড়ে ৩৮ থেকে ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস হলে তাকে বলা হয় মাঝারি তাপপ্রবাহ। আর তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি ছাড়িয়ে গেলে তাকে তীব্র তাপপ্রবাহ বলা হয়।  

তাপপ্রবাহ প্রশমিত হবে হবে কবে- উত্তরে আবহাওয়াবিদ বজলুর বলেন, “আর হয়ত তাপমাত্রা বাড়বে না, ধীরে ধীরে কমছে। আরও দুদিন এ তাপপ্রবাহ অব্যাহত থাকতে পারে। সাগরে নিম্নচাপটি সাইক্লোনে রূপ নিতে পারে। তা কেটে গেলে বুধবারের দিকে তাপপ্রবাহও প্রশমিত হতে পারে।”  

এ ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাব বাংলাদেশের উপর পড়ার শঙ্কা নেই বলে জানান তিনি।  

আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন দক্ষিণ আন্দামান সাগরে অবস্থানরত সুস্পষ্ট লঘুচাপটি আরও ঘনীভূত হয়ে নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে। এটি আরও ঘনীভূত হয়ে উত্তর–উত্তরপূর্ব দিকে অগ্রসর হতে পারে।  

এ জন্যে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে ১ নম্বর দূরবর্তী সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে ।  

ভারতীয় আবহাওয়া অফিস বলছে, এ ঘূর্ণিবায়ুর চক্র আরও ঘনীভূত গভীর নিম্নচাপে পরিণত হতে পারে এবং সোমবার তা ঘূর্ণিঝড়ের রূপ পেতে পারে।  

ঘূর্ণিঝড়ের রূপ নিলে তখন এর নাম হবে আসানি। এটি শ্রীলঙ্কার দেওয়া নাম।  

আরব সাগর ও বঙ্গোপসাগরে ঘূর্ণিঝড়ের নাম দেয় বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থার সাইক্লোন সংক্রান্ত আঞ্চলিক সংস্থা এসকাপ। এ অঞ্চলের ১৩টি দেশের দেওয়া নামের তালিকা থেকে পর্যায়ক্রমে নতুন নতুন ঘূর্ণিঝড়ের নাম ঠিক করা হয়।  

ভারতীয় আবহাওয়া অফিসের পূর্বাভাস ঠিক থাকলে আন্দামান দ্বীপপুঞ্জের কাছ দিয়ে মিয়ানমার উপকূলের দিকে যেতে পারে এ ঝড়।