যাত্রী মুন্না আহম্মেদ বলেন, “ঈদের ছুটি শেষে ঢাকায় ফিরছি। ভেবেছিলাম বেশ ভোগান্তিতে পড়তে হবে ফেরি ঘাটে। এবার মহাসড়ক ও ঘাটের ব্যবস্থাপনা খুবই সুন্দর, যে কারণে ঈদে ঘরে ফেরা ও ঈদ শেষে কর্মস্থলে ফেরা মানুষ কোনোপ্রকার ভোগান্তি ছাড়াই ফেরিতে উঠে গন্তব্যে চলে যাচ্ছে। সারা বছর এইরকম পরিস্থিতি থাকলে ভালোই হবে।”
বিআইডব্লিউটিসি দৌলতদিয়া ঘাট শাখার ব্যবস্থাপক প্রফুল্ল চৌহান বলেন, কর্মস্থলে ফেরা মানুষের ভোগান্তি কমাতে এই নৌ-পথে ২১টির মধ্যে ১৯টি ফেরি দিয়ে যানবাহন পারাপার করা হচ্ছে। যানবাহনের চাপ আছে তবে ভোগান্তি নেই।
ঘাট এলাকায় দায়িত্বরত ট্রার্ফিক সার্জেন্ট আকবার হোসেন বলেন, সকাল ১০টা পর্যন্ত পুরো ঘাট এলাকা ফাঁকা ছিল। ১০টার পরে যানবাহনের চাপ বাড়তে থাকে। বেলা ১২টার মধ্যে দুই কিলোমিটার এলাকায় যানবাহনের সারি সৃষ্টি হয়। তবে যানবাহনগুলোকে বেশি সময় অপেক্ষায় থাকতে হচ্ছে না।