দেয়াল সাজুক মনের রঙে
মোঃ ইমরান খান | Thursday, 25 March 2021
মানুষের ভালো লাগা-মন্দ লাগা তার সামগ্রিক মনস্তাত্ত্বিক অবস্থা আশপাশের পরিবেশের ওপর নির্ভর করে। এই কথাটি আপনি যে ঘরে বাস করেন, এর ক্ষেত্রেও সত্য। কেননা ঘরের পরিবেশ অনেকটাই ঘরের অভ্যন্তরীণ ধাঁচ বা দেয়ালের সাজগোজের ওপর নির্ভরশীল। তাই মনকে সব সময় সতেজ ও প্রফুল্ল রাখতে ঘরের দেয়ালকে বিভিন্নভাবে সাজিয়ে নেওয়া যায়। সেটি হতে পারে বিভিন্ন ধরনের নকশা, রং কিংবা আলোকচিত্র। এ রকমই কিছু দেয়াল সাজানোর উপায় নিয়ে আমাদের আজকে এই লেখা।
১. চিত্রকর্ম
দেয়াল সাজানোর জন্য রং-বেরঙের চিত্রকর্ম ব্যবহার করতে পারেন। বহু আগে থেকে এভাবে ঘরের দেয়াল সাজানো হয়ে আসছে। সিনেমা কিংবা নাটকের সেটেও ঘরের দেয়ালে আমরা বহু চিত্রকর্ম দেখি। এগুলো যেমন ঘরে বসবাসকারীর রুচিকে প্রকাশ করে, ঠিক তেমনি ঘরের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে।
আপনার পছন্দমতো যেকোনো ধরনের চিত্রকর্ম আপনি দেয়াল সাজানোর জন্য ব্যবহার করতে পারেন। এ ক্ষেত্রে ঘরের দেয়ালের রং এবং চিত্রকর্ম এর মাঝে সামঞ্জস্য থাকলে আরও ভালো।
ধরা যাক, একটি ঘরের দেয়াল সাদা রঙের। এ ক্ষেত্রে কালো ফ্রেমের একই সাইজের পরপর তিনটি চিত্রকর্ম দিয়ে আপনি দেয়ালটি সাজানো যায়। চিত্রকর্মগুলো যদি একটি সিরিজ হয় যে এতে প্রথম দৃশ্য, দ্বিতীয় দৃশ্য ও তৃতীয় দৃশ্য-এমন ধারাবাহিকতা রয়েছে, সে ক্ষেত্রে দেয়ালটি আরও সুন্দর হয়ে উঠবে।
বিভিন্ন সাইজের ফ্রেমের চিত্রকর্ম হলে সেটি মানানসই হয় না। আবার কাঠের ফ্রেমে খোদাই করা বিভিন্ন ধরনের চিত্র দেয়ালের সঙ্গে সংযুক্ত হতে পারে। এটি সম্পূর্ণ নির্ভর করবে ব্যক্তিগত চাহিদার ওপর। সবুজ রঙের দেয়াল হলে কালো ফ্রেমের ভেতরে সাদাকালো চিত্রকর্ম মানানসই হবে।
২. আলোকচিত্র
ছবি আমাদের হৃদয়ে খুব গুরুত্বপূর্ণ একটি জায়গা দখল করে থাকে। ছবির সঙ্গে আমাদের ভালো-মন্দ সময়ের স্মৃতি জড়িত।
শুধু স্মৃতিচারণই মুখ্য বিষয় নয়। স্মৃতিচারণের পাশাপাশি ঘরের সৌন্দর্য বর্ধনে ছবির ভূমিকা রয়েছে। হতে পারে সেটি আপনার পরিবারের সঙ্গে ছবি, আপনার বন্ধু-বান্ধবের সঙ্গে ছবি, কোথাও ঘুরতে গিয়েছিলেন, এমন কোনো ছবি বা আপনার ছোট থেকে বড় হওয়ার যাত্রায় ভিন্ন ভিন্ন সময়ের একটি করে ছবি। সবকিছু মিলিয়ে যেমন ঘরের সৌন্দর্য বর্ধন হবে, তেমনি আপনি আপনার পছন্দের জায়গায় সন্তুষ্ট থাকতে পারবেন।
তা ছাড়া আমাদের বাসা-বাড়ির দেয়ালগুলো এতটা পরিপাটি নয়, বিশেষ করে ভাড়া বাসাগুলোতে। অনেক সময় দেখা যায়, আগের বাসিন্দারা দেয়ালের রং নষ্ট করে দিয়েছে বা অনেক দিন ধরে থাকতে থাকতে তাদের প্রয়োজনে দেয়ালে পেরেক বা পিন গেঁথে রেখেছে। কোথাও হয়তো স্যাঁতসেঁতে হয়ে আছে, আবার কোথাও হয়তো ফাটল ধরেছে। এ রকম নানা ধরনের সমস্যা থাকে।
এ ধরনের অসংগতিকে ঢেকে দেওয়ার একটি উপায় হতে পারে-ছবি দিয়ে দেয়াল সাজিয়ে তোলা। এটি সাশ্রয়ী, কেননা সম্পূর্ণ দেয়াল রং করতে যে অর্থ ব্যয় হবে, তার থেকে বরং তিন থেকে চারটি ছবি দিয়ে একটি দেয়াল অনেক সুন্দরভাবে সাজিয়ে তোলা যায়।
১. চিত্রকর্ম
দেয়াল সাজানোর জন্য রং-বেরঙের চিত্রকর্ম ব্যবহার করতে পারেন। বহু আগে থেকে এভাবে ঘরের দেয়াল সাজানো হয়ে আসছে। সিনেমা কিংবা নাটকের সেটেও ঘরের দেয়ালে আমরা বহু চিত্রকর্ম দেখি। এগুলো যেমন ঘরে বসবাসকারীর রুচিকে প্রকাশ করে, ঠিক তেমনি ঘরের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে।
আপনার পছন্দমতো যেকোনো ধরনের চিত্রকর্ম আপনি দেয়াল সাজানোর জন্য ব্যবহার করতে পারেন। এ ক্ষেত্রে ঘরের দেয়ালের রং এবং চিত্রকর্ম এর মাঝে সামঞ্জস্য থাকলে আরও ভালো।
ধরা যাক, একটি ঘরের দেয়াল সাদা রঙের। এ ক্ষেত্রে কালো ফ্রেমের একই সাইজের পরপর তিনটি চিত্রকর্ম দিয়ে আপনি দেয়ালটি সাজানো যায়। চিত্রকর্মগুলো যদি একটি সিরিজ হয় যে এতে প্রথম দৃশ্য, দ্বিতীয় দৃশ্য ও তৃতীয় দৃশ্য-এমন ধারাবাহিকতা রয়েছে, সে ক্ষেত্রে দেয়ালটি আরও সুন্দর হয়ে উঠবে।
বিভিন্ন সাইজের ফ্রেমের চিত্রকর্ম হলে সেটি মানানসই হয় না। আবার কাঠের ফ্রেমে খোদাই করা বিভিন্ন ধরনের চিত্র দেয়ালের সঙ্গে সংযুক্ত হতে পারে। এটি সম্পূর্ণ নির্ভর করবে ব্যক্তিগত চাহিদার ওপর। সবুজ রঙের দেয়াল হলে কালো ফ্রেমের ভেতরে সাদাকালো চিত্রকর্ম মানানসই হবে।
২. আলোকচিত্র
ছবি আমাদের হৃদয়ে খুব গুরুত্বপূর্ণ একটি জায়গা দখল করে থাকে। ছবির সঙ্গে আমাদের ভালো-মন্দ সময়ের স্মৃতি জড়িত।
শুধু স্মৃতিচারণই মুখ্য বিষয় নয়। স্মৃতিচারণের পাশাপাশি ঘরের সৌন্দর্য বর্ধনে ছবির ভূমিকা রয়েছে। হতে পারে সেটি আপনার পরিবারের সঙ্গে ছবি, আপনার বন্ধু-বান্ধবের সঙ্গে ছবি, কোথাও ঘুরতে গিয়েছিলেন, এমন কোনো ছবি বা আপনার ছোট থেকে বড় হওয়ার যাত্রায় ভিন্ন ভিন্ন সময়ের একটি করে ছবি। সবকিছু মিলিয়ে যেমন ঘরের সৌন্দর্য বর্ধন হবে, তেমনি আপনি আপনার পছন্দের জায়গায় সন্তুষ্ট থাকতে পারবেন।
তা ছাড়া আমাদের বাসা-বাড়ির দেয়ালগুলো এতটা পরিপাটি নয়, বিশেষ করে ভাড়া বাসাগুলোতে। অনেক সময় দেখা যায়, আগের বাসিন্দারা দেয়ালের রং নষ্ট করে দিয়েছে বা অনেক দিন ধরে থাকতে থাকতে তাদের প্রয়োজনে দেয়ালে পেরেক বা পিন গেঁথে রেখেছে। কোথাও হয়তো স্যাঁতসেঁতে হয়ে আছে, আবার কোথাও হয়তো ফাটল ধরেছে। এ রকম নানা ধরনের সমস্যা থাকে।
এ ধরনের অসংগতিকে ঢেকে দেওয়ার একটি উপায় হতে পারে-ছবি দিয়ে দেয়াল সাজিয়ে তোলা। এটি সাশ্রয়ী, কেননা সম্পূর্ণ দেয়াল রং করতে যে অর্থ ব্যয় হবে, তার থেকে বরং তিন থেকে চারটি ছবি দিয়ে একটি দেয়াল অনেক সুন্দরভাবে সাজিয়ে তোলা যায়।
৩. বাতি
বিভিন্ন ধরনের চিত্রকর্ম ও ছবির পাশাপাশি বাতি দিয়ে যদি ঘরের দেয়াল সাজিয়ে দেওয়া যায়, তাহলে সবকিছু মিলিয়ে আপনার ঘরটি অতুলনীয় রূপ লাভ করবে।
ভেবে দেখুন, সাদা রঙের দেয়ালে তিনটি মাঝারি আকারে কালো ফ্রেমের চিত্রকর্ম আপনি দেয়ালে লাগিয়েছেন, যার ওপরে একটি করে সাদা বাতি। ছবিগুলোর ওপরে এগুলো স্পটলাইটের মতো আলো দিচ্ছে। কেমন দেখাচ্ছে? কোনো নান্দনিক প্রদর্শনীর মতো কি?
বা বাতি যদি বিভিন্ন রঙের নকশা করা কোনো ফ্রেমের ভেতর বের হয়ে ছড়িয়ে পড়ে, তখন কেমন দেখাবে? দেয়ালে বিভিন্ন রঙের বাতি থেকে ছড়িয়ে পড়া আলো দিয়ে দেয়ালে যে নকশা সৃষ্টি হবে, তা দেয়ালের সৌন্দর্যে ভিন্ন মাত্রা যোগ করবে। এই আলো দিয়ে নকশা করার ব্যাপারটি পুরো ঘরের দৃশ্য পরিবর্তন করে দিতে পারে। এটি ব্যক্তির নান্দনিকতার বহিঃপ্রকাশও বটে।
তা ছাড়া ছোট ছোট ফটোফ্রেমের কিনার ঘেঁষে ছোট ছোট তারাবাতি দিয়েও ঘরের দেয়াল সাজানো যায়। বাতিগুলো আকাশের তারার মতো মিটিমিটি জ্বলবে-নিভবে। সব মিলিয়ে অপরূপ আলোর খেলা দেখা যাবে, আর দেয়ালও সাজানো হয়ে যাবে।
বিভিন্ন ধরনের চিত্রকর্ম ও ছবির পাশাপাশি বাতি দিয়ে যদি ঘরের দেয়াল সাজিয়ে দেওয়া যায়, তাহলে সবকিছু মিলিয়ে আপনার ঘরটি অতুলনীয় রূপ লাভ করবে।
ভেবে দেখুন, সাদা রঙের দেয়ালে তিনটি মাঝারি আকারে কালো ফ্রেমের চিত্রকর্ম আপনি দেয়ালে লাগিয়েছেন, যার ওপরে একটি করে সাদা বাতি। ছবিগুলোর ওপরে এগুলো স্পটলাইটের মতো আলো দিচ্ছে। কেমন দেখাচ্ছে? কোনো নান্দনিক প্রদর্শনীর মতো কি?
বা বাতি যদি বিভিন্ন রঙের নকশা করা কোনো ফ্রেমের ভেতর বের হয়ে ছড়িয়ে পড়ে, তখন কেমন দেখাবে? দেয়ালে বিভিন্ন রঙের বাতি থেকে ছড়িয়ে পড়া আলো দিয়ে দেয়ালে যে নকশা সৃষ্টি হবে, তা দেয়ালের সৌন্দর্যে ভিন্ন মাত্রা যোগ করবে। এই আলো দিয়ে নকশা করার ব্যাপারটি পুরো ঘরের দৃশ্য পরিবর্তন করে দিতে পারে। এটি ব্যক্তির নান্দনিকতার বহিঃপ্রকাশও বটে।
তা ছাড়া ছোট ছোট ফটোফ্রেমের কিনার ঘেঁষে ছোট ছোট তারাবাতি দিয়েও ঘরের দেয়াল সাজানো যায়। বাতিগুলো আকাশের তারার মতো মিটিমিটি জ্বলবে-নিভবে। সব মিলিয়ে অপরূপ আলোর খেলা দেখা যাবে, আর দেয়ালও সাজানো হয়ে যাবে।
৪. গাছপালা
অনেক গাছ রয়েছে, যেগুলো ছোট ছোট টবে বেঁচে থাকতে পারে। এসব গাছের জন্য অনেক আলো-বাতাসের প্রয়োজন হয় না। ঘরের ভেতরে যেকোনো জায়গায় ভালোমতো বেঁচে থাকতে পারে এরা। বেশি কিছু চায় না, ‘অল্পে সন্তুষ্ট’ এসব গাছ দিয়ে আপনি আপনার ঘরের দেয়াল সাজিয়ে রাখতে পারেন। মানিপ্লান্ট, স্পাইডার প্ল্যান্ট বা ক্যাকটাস, বনসাই ইত্যাদি হরেক রকমের গাছ দিয়ে ঘরের দেয়াল সাজিয়ে রাখতে পারেন। কিছু কিছু উদ্ভিদ রয়েছে, যা দেয়ালের একপ্রান্তে ঝুলিয়ে রাখা যায়।
গাছ মূলত প্রশান্তির প্রতীক। ছোট ছোট গাছ দিয়ে ঘর সাজিয়ে কিংবা প্রতিদিন পরিবর্তন করে আনা বিভিন্ন রঙের ফুল আপনার ঘরের দেয়ালের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করার পাশাপাশি মন ও মস্তিষ্কে শান্তি বয়ে আনবে। ফুলের ঘ্রাণে ঘুমাবেন এবং আবার ঘুম থেকে ওঠেই নানা রং ও গন্ধের ফুল দেখবেন; এমন ফুল ও গাছ দিয়েও বিভিন্ন উপায়ে ঘরের দেয়াল সাজানো যেতে পারে।
অনেক গাছ রয়েছে, যেগুলো ছোট ছোট টবে বেঁচে থাকতে পারে। এসব গাছের জন্য অনেক আলো-বাতাসের প্রয়োজন হয় না। ঘরের ভেতরে যেকোনো জায়গায় ভালোমতো বেঁচে থাকতে পারে এরা। বেশি কিছু চায় না, ‘অল্পে সন্তুষ্ট’ এসব গাছ দিয়ে আপনি আপনার ঘরের দেয়াল সাজিয়ে রাখতে পারেন। মানিপ্লান্ট, স্পাইডার প্ল্যান্ট বা ক্যাকটাস, বনসাই ইত্যাদি হরেক রকমের গাছ দিয়ে ঘরের দেয়াল সাজিয়ে রাখতে পারেন। কিছু কিছু উদ্ভিদ রয়েছে, যা দেয়ালের একপ্রান্তে ঝুলিয়ে রাখা যায়।
গাছ মূলত প্রশান্তির প্রতীক। ছোট ছোট গাছ দিয়ে ঘর সাজিয়ে কিংবা প্রতিদিন পরিবর্তন করে আনা বিভিন্ন রঙের ফুল আপনার ঘরের দেয়ালের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করার পাশাপাশি মন ও মস্তিষ্কে শান্তি বয়ে আনবে। ফুলের ঘ্রাণে ঘুমাবেন এবং আবার ঘুম থেকে ওঠেই নানা রং ও গন্ধের ফুল দেখবেন; এমন ফুল ও গাছ দিয়েও বিভিন্ন উপায়ে ঘরের দেয়াল সাজানো যেতে পারে।
৫. আঁকিবুঁকি
ছবি আঁকায় যদি হাতযশ থেকে থাকে, তাহলে আপনি নিজেই আপনার ঘরের দেয়ালকে যেকোনো একটি রঙে না রাঙিয়ে বিভিন্ন রং দিয়ে সাজিয়ে তুলতে পারবেন।
ছবি আঁকায় যদি হাতযশ থেকে থাকে, তাহলে আপনি নিজেই আপনার ঘরের দেয়ালকে যেকোনো একটি রঙে না রাঙিয়ে বিভিন্ন রং দিয়ে সাজিয়ে তুলতে পারবেন।
বিশেষ করে, ঘরে ছোট বাচ্চা থাকলে তারা অনেক সময় বিভিন্ন রঙের পেনসিল বা কলম দিয়ে দেয়ালে এলোমেলো আঁকা আঁকি করে থাকে। এই কাঁচা হাতের এলোমেলো রেখাগুলোও কখনো কখনো খুব সুন্দর দেখায়, আবার অনেক সময় তাতে একটু মুনশিয়ানার দরকার পড়ে। সে ক্ষেত্রে আপনি সেই আঁকিবুঁকির সঙ্গে আরেকটু মিলিয়ে কিছু একটা এঁকে ফেলতে পারেন, বা এর ওপর অন্য কোনো রং ব্যবহার করে ভিন্ন এক রূপ দিতে পারেন। উভয় ক্ষেত্রেই দেয়ালের সৌন্দর্য বৃদ্ধি পাবে।
নির্দিষ্ট রং ব্যবহারের ফলে দেয়ালের সামগ্রিক চিত্রে একঘেয়ে ভাব চলে আসে; অপরিবর্তিত এবং খুবই সাদামাটা। তাই শৈল্পিকতার ছোঁয়াতে চার দেয়ালকে সাজিয়ে খুব সহজেই পাল্টে দেওয়া যায় ঘরের নকশা।
সারা দিন অক্লান্ত পরিশ্রম করে মানুষ যখন বাসায় ফেরে, তখন সে শুধু শান্তি চায়। এই শান্তি হলো মনের শান্তি, আত্মার শান্তি। আশপাশের পরিবেশ, বাসা, ব্যবহার্য জিনিসপত্র এবং সবশেষে আপনি যে কক্ষে বসবাস করেন, সে ঘরের মধ্য দিয়েই বাহিত হয় সেই শান্তির প্রবাহ।
লেখক বর্তমানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ এবং সাংবাদিকতা বিভাগে মাস্টার্সে (এমএসএস) অধ্যয়নরত। ইমেইল-mohd. imranasifkhan@gmail. com