চট্টগ্রামের মইজ্জ্যরটেক বাজারে কোরবানির পশুর হাটে নজর কাড়া গোলাপি রঙের মহিষ ‘রাজা বাবু’ বিক্রি হল সাড়ে তিন লাখ টাকায়।
প্রায় নয় মণ ওজনের মহিষটির জন্য ৫ লাখ টাকা হাঁকা হেকেছিল এর মালিক ফেমাস অ্যাগ্রো ফার্ম। এ খামারের স্বত্বাধিকারী মীর সাইফু জানান, গত বুধবার তারা মহিষটি বিক্রি করেছেন হাটে। খবর বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের।
“সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মহিষের ছবি আর খবর দেখে প্রতিদিন শত শত মানুষ ভিড় করছিল দেখতে। তাতে আমাদের অন্য মহিষ আর গরুগুলো বিক্রিতে সমস্যা হচ্ছিল। তাই বাধ্য হয়ে সাড়ে তিন লাখ টাকায় বিক্রি করে দিয়েছি।”
এর আগে তিন লাখ ৭০ হাজার টাকাও দর করেছিলেন এক ক্রেতা, কিন্তু সাড়ে চার লাখে বিক্রির আশায় তখন মহিষটি বিক্রি করেননি বিক্রেতা।
মীর সাইফু জানান, সিলেটের সড়কের বাজারের মোকাম থেকে আট মাস আগে ১০৫টি মহিষ চট্টগ্রামে এনেছিলেন তারা। এর মধ্যে চারটি মহিষের রঙ ‘হাল্কা গোলাপি’।
দুটি মহিষ গত মাসে মোহছেন আউলিয়ার ওরসের সময় তিন লাখ ১৫ হাজার টাকা করে বিক্রি করা হয়। বাকি দুটির মধ্যে একটি অসুস্থ থাকায় সেটিকে আলাদা রাখা হয়েছে। অন্যটি কোরবানির হাটে বিক্রি করে দেওয়া হল।
ফার্মের কর্মচারী সাইফুল ইসলাম জানান, আট মাস আগে মহিষগুলো আনা হলেও মানুষের মধ্যে তখন এত আগ্রহ ছিল না। এবার কোরবানির বাজারে অনেকেই মহিষটি দেখে ছবি তোলে। পরে রাজা বাবুর গায়ের রঙের খবর ছড়িয়ে যায়।
মহিষের রঙ সাধারণত হয় ধূসর। কিন্তু এ মহিষের রঙ গোলাপি বলেই সবার এত আগ্রহ।
বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহিষ উন্নয়ন প্রকল্পের একজন কর্মকর্তা জানান, অনেকে দেশেই এ ধরনের গোলাপি মহিষ দেখা যায়। বাংলাদেশে মিয়ানমার, থাইল্যান্ড ও ভারত থেকে কিছু কিছু মহিষ আনা হয়। অনেক খামারি শখের বশে গোলাপি মহিষ পালন করলেও বাণিজ্যিকভাবে বড় পরিসরে দেশে এখনও এর পালন শুরু হয়নি।