এমন পরিস্থিতিতে আফগানিস্তান ছাড়তে মরিয়া মার্কিন নাগরিক, অন্যান্য দেশগুলোর নাগরিক ও ঝুঁকিতে থাকা আফগানদের সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেছে যুক্তরাষ্ট্র ও তাদের মিত্র দেশগুলোর বাহিনী।
লোকজনকে সরানোর কাজ চলার মধ্যেই বৃহস্পতিবার কাবুল বিমানবন্দরের সামনে আত্মঘাতী বোমা হামলায় ১৩ মার্কিন সৈন্য ও আরও প্রায় ১৭০ জন নিহত হন। জঙ্গি গোষ্ঠী ইসলামিক স্টেট (আইএস) হামলার দায় স্বীকার করে।
এর প্রতিক্রিয়ায় আফগানিস্তান ছাড়ার শেষ পর্যায়েও শুক্রবার দেশটির নানগারহার প্রদেশে সন্দেহভাজন আইএস জঙ্গিদের ওপর ড্রোন হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র। এতে আইএসের দুই শীর্ষ জঙ্গি নিহত হয়েছে বলে দাবি করেছে ওয়াশিংটন।
তবে এ হামলাই যুক্তরাষ্ট্রের শেষ প্রতিশোধমূলক হামলা নয় বলে জানিয়েছেন বাইডেন। এই হুমকি আফগানিস্তানের বিশৃঙ্খল ও বিপজ্জনক পরিস্থিতির আরেকটি ইঙ্গিত।
বাইডেনের বেঁধে দেওয়া চূড়ান্ত সময়সীমা, মঙ্গলবারের (৩১ অগাস্ট) মধ্যে তালেবান নিয়ন্ত্রিত আফগানিস্তান থেকে অবশিষ্ট মার্কিন নাগরিক ও আফগানদের সরিয়ে আনার চেষ্টা করছে যুক্তরাষ্ট্র।
যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র অন্যান্য দেশও এই সময়সীমার মধ্যে আফগানিস্তান থেকে তাদের বাহিনী সরিয়ে নিচ্ছে। ফ্রান্স তাদের কার্যক্রম শুক্রবারই শেষ করেছে। যুক্তরাজ্য শনিবারের মধ্যে তাদের সব নাগরিকদের আফগানিস্তান থেকে সরিয়ে নেওয়া সম্পন্ন করেছে।