logo

করোনায় ৪ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ১৭৮

এফই অনলাইন ডেস্ক | Sunday, 7 November 2021


দেশে গত এক দিনে আরও ৩০৫ জনের মধ্যে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ধরা পড়েছে, মৃত্যু হয়েছে আরও ৭ জনের।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, রোববার সকাল পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় শনাক্ত নতুন রোগীদের নিয়ে দেশে এ পর্যন্ত আক্রান্ত কোভিড রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৫ লাখ ৭১ হাজার ১৩ জনে, মৃতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ২৭ হাজার ৮৯৫ জন।

নতুন শনাক্তদের মধ্যে ১১৯ জনই ঢাকা জেলার, যা সারা দেশের মোট শনাক্তের দুই তৃতীয়াংশ। আর যারা মারা গেছেন, তাদের দুইজন ঢাকা বিভাগের এবং একজন করে চট্টগ্রাম ও রাজশাহী বিভাগের। খবর বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের।

আগের দিন শনিবার দেশে ১৫৪ জন নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছিল, মৃত্যু হয়েছিল ১ জনের। সে হিসেবে শনাক্ত ও মৃত্যু দুটোই সামান্য বেড়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসাবে ২৪ ঘণ্টায় সেরে উঠেছেন ১৯০ জন। তাদের নিয়ে এ পর্যন্ত সুস্থ হয়ে উঠলেন ১৫ লাখ ৩৪ হাজার ৮২৫ জন।

এক দিনে নমুনা পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্ত রোগীর হার ১ দশমিক ১৭ শতাংশ হয়েছে, যা আগের দিন ছিল ১ দশমিক ১৮ শতাংশ ছিল।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, গত এক দিনে সারা দেশে মোট ১৫ হাজার ২৩৪টি নমুনা পরীক্ষা হয়েছে। এ পর্যন্ত পরীক্ষা হয়েছে ১ কোটি ৪ লাখ ৭৩ হাজার ৬০০টি নমুনা।

নমুনা পরীক্ষা অনুযায়ী এ পর্যন্ত শনাক্তের হার দীর্ঘদিন পর নেমে এসেছে ১৫ শতাংশে। তবে শনাক্ত অনুযায়ী মৃত্যুর হার এখনও ১ দশমিক ৭৮ শতাংশ।

গত ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া ব্যক্তিদের তিনজন পুরুষ, একজন নারী। তাদের মধ্যে একজনের বয়স ছিল ৯০ বছরের বেশি। বাকি তিনজনের বয়স ছিল ৫১ থেকে ৭০ বছরের মধ্যে। তিনজন সরকারি হাসপাতালে এবং একজন বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন।

বাংলাদেশে করোনাভাইরাসের প্রথম সংক্রমণ ধরা পড়েছিল গত বছরের ৮ মার্চ। গত ৩১ অগাস্ট তা ১৫ লাখ পেরিয়ে যায়। এর আগে ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টের ব্যাপক বিস্তারের মধ্যে ২৮ জুলাই দেশে রেকর্ড ১৬ হাজার ২৩০ জন নতুন রোগী শনাক্ত হয়।

প্রথম রোগী শনাক্তের ১০ দিন পর গত বছরের ১৮ মার্চ দেশে প্রথম মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এ বছর ১৪ সেপ্টেম্বর তা ২৭ হাজার ছাড়িয়ে যায়। তার আগে ৫ অগাস্ট ও ১০ অগাস্ট ২৬৪ জন করে মৃত্যুর খবর আসে, যা মহামারীর মধ্যে এক দিনের সর্বোচ্চ সংখ্যা।

বিশ্বে করোনাভাইরাসে মৃতের সংখ্যা ইতোমধ্যে ৫০ লাখ ৪৩ হাজার ছাড়িয়েছে। আর শনাক্ত হয়েছে ২৪ কোটি ৯৫ লাখের বেশি রোগী।