রাজস্ব বোর্ডের শুল্ক হ্রাসকরণ
অপেক্ষাকৃত কম মূল্যে মাইক্রোবাসের আমদানি
এফই রিপোর্ট | Wednesday, 29 September 2021
পরিবহন ব্যবস্থা সহজতর করতে সরকার ১০ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক কমানোয় পেট্রোল-চালিত মাইক্রোবাসের আমদানির খরচ আগের চেয়ে কমেছে।
বিভিন্ন ব্যবসায়িক সূত্র থেকে জানা যায়, এ বছরের পহেলা জুলাই থেকে আমদানি শুল্ক কমানোর দাবিতে বন্দরে ১০-১৫ আসনের প্রায় ২০০টি মাইক্রোবাস আটকে রয়েছে।
জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) শুল্ক বিভাগ একটি সংবিধিবদ্ধ নিয়ন্ত্রক আদেশ বা স্ট্যাটুটরি রেগুলেটরি অর্ডার (এসআরও) জারি করে সম্পূরক শুল্কের পরিমাণ ৩০ শতাংশ থেকে ২০ শতাংশে নামিয়েছে।
আগস্টের ২৯ তারিখ থেকে এই আদেশ কার্যকরী হয়।
চলতি অর্থবছরের বাজেটে এনবিআর শুধু ডিজেল-চালিত ১০-১৫ আসনের মাইক্রোবাসের জন্য সম্পূরক শুল্কের পরিমাণ কমিয়েছিল।
বহুল ব্যবহৃত এই জনপরিবহনের ‘এইচএস’ কোডটি অর্থ আইন ২০২১-এ অনিচ্ছাকৃতভাবে বাদ পড়ে যায়, বলেছেন উর্ধ্বতন শুল্ক কর্মকর্তা।
তিনি আরো বলেন, “আমরা এখন ওই পরিবহনগুলোকে পরিবর্তিত সম্পূরক শুল্ক সুবিধার আওতাভুক্ত করেছি।”
দেশের রিকন্ডিশন্ড গাড়ি আমদানিকারক ও পরিবেশকদের জাতীয় সংগঠনের (বারভিডা) সভাপতি মোহাম্মদ আব্দুল হক বলেছেন, পেট্রোল-চালিত মাইক্রোবাস ডিজেল-চালিত মাইক্রোবাসের তুলনায় অনেক বেশি ব্যবহৃত হয়, যা কিনা মোট মাইক্রোবাসের ৯৮ শতাংশ।
মংলা ও চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দরে দু’শরও বেশি পেট্রোলচালিত মাইক্রোবাস সাম্প্রতিক সম্পূরক শুল্ক হ্রাসকরণ আদেশের জন্য অপেক্ষা করছে।
তিনি বলেন, পহেলা জুলাই থেকে এখনো পর্যন্ত ৭৮ শতাংশ মাইক্রোবাস ৩০ সম্পূরক শুল্ক দিয়ে বন্দর থেকে ছাড় পেয়েছে।
তিনি বলেন, “যেহেতু ভোক্তা পর্যায়ে গাড়িগুলোর মূল্য একই থাকবে, তাই আমদানিকারকদের প্রদান করা অতিরিক্ত ১০ শতাংশ শুল্কের টাকা ফেরত পাওয়া উচিত”।
তিনি আরো উল্লেখ করেন, অতিরিক্ত শুল্ক ফেরত পাওয়ার জন্য বারভিডা সরকারের কাছে দাবি জানাবে।
বাজেট-পরবর্তী কনফারেন্সে রিকন্ডিশন্ড গাড়ির আমদানিকারকেরা চেয়েছেন যেন ১০-১৫ আসনের মাইক্রোবাসের উপর সম্পূরক শুল্ক পুরোপুরি উঠিয়ে নেওয়া হয়।