logo

  লোড শেডিংয়ের পরের পরিকল্পনা ‘সপ্তাহখানেক পর’

এফই অনলাইন ডেস্ক | Friday, 22 July 2022


সপ্তাহ খানেক পর্যবেক্ষণ করে লোড শেডিং নিয়ে পরবর্তী পরিকল্পনা করা হবে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপু।

শুক্রবার সকালে নিজের বাস ভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, “নেক্সট সপ্তাহে আমরা আরেকটা প্ল্যান করব, আমার টাইমিং সিডিউল আবার ঠিক করব।

“বিষয়টিকে গ্রাহকরা বিশেষ পরিস্থিতিতে মেনে নিচ্ছেন। আমার মনে হয়, সপ্তাহ খানেক…, ১০টা দিন হলে পরে আস্তে আস্তে ঠিক করে নিয়ে আসব, এটা বেটারের দিকে যাবে, আগামী সপ্তাহে পরবর্তী পরিকল্পনা করা হবে।”

শহর ও গ্রামের লোড শেডিং পরিস্থিতি তুলে ধরে নসরুল হামিদ বিপু বলেন, “ঢাকা শহরে যদি আমি একশ মেগাওয়াট লোড শেড করি, আর যদি ঢাকার বাইরে কোনো গ্রামাঞ্চলে একশ মেগাওয়াট লোড শেড করি দেখা যায় যে, গ্রামাঞ্চলে লোড শেড করলে তিনটা গ্রাম বন্ধ হয়ে যায়। এটা একটা সমস্যা।খবর বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের।

“কারণ গ্রামে বিদ্যুতের চাহিদা খুবই কম। ১০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ হয়ত একটা গ্রাম অথবা তিনটা গ্রাম মিলে ইউজ করে। কিন্তু ঢাকা শহরে একটা মহল্লাতেই ১০০ মেগাওয়াট ইউজ করে। ঢাকায় হয়ত আমি ১০০ মেগাওয়াট দিলাম, বাইরে আমি হয়ত ৫০/৩০ বা ৬০ মেগাওয়াট দিলাম। এতে কিন্তু গ্রামের অনেক জায়গা কাভার হয়ে যায়। এটা আমাদের চিন্তায় আছে।”

বর্তমানে গ্রামে লোড শেডিং বেশি হচ্ছে স্বীকার করে তিনি বলেন, “এটা (লোড শেডিং) কোনো কোনো জায়গাতে গ্রামে তিন ঘণ্টা-পাঁচ ঘণ্টা হয়ে যাচ্ছে। ওখানে কী মেজার নেব, আগামী এক সপ্তাহ পরে ওটা আমরা চিন্তাভাবনা করব।”

শিল্পকারখানায় গ্যসের চাহিদা বাড়ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, “অধিকাংশ গ্যাস দেওয়া হচ্ছে ইন্ডাস্ট্রিতে।”

এক প্র্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, “দেশে মোট ডিজেলের মাত্র ১০ শতাংশ বিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যবহার হয়। বাকি ৯০ শতাংশ সেচ ও পরিবহন খাতে ব্যবহার হয়ে থাকে।”

আগামী বছর রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হলে পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হবে জানান প্রতিমন্ত্রী।

“আমরা যদি কিছুটা সময় সহনীয় পর্যায়ে থাকি, তাহলে আমাদের কিছু অল্টারনেটিভ ফুয়েলের পাওয়ার প্ল্যান্ট চলে আসবে। এগুলো আগামী বছর থেকে আমরা নিয়ে আসতেছি। রামপাল চলে আসতেছে, আদানি (ভারত থেকে আমদানি করা বিদ্যুৎ) চলে আসতেছে।”