অল্প বৃষ্টিতেই চট্টগ্রাম মহানগরের নিম্নাঞ্চল ডুবে ভোগান্তিতে পড়তে হয়েছে সাধারণ মানুষদের।
নগরীর বিভিন্ন এলাকায় গোড়ালি থেকে হাঁটু পানিতে সড়ক, দোকানপাট ডুবে গেলেও সিটি করপোরেশনের কর্তারা বলছেন, নালা-নর্দমায় প্রতিবন্ধকতার কারণে পানি জমলেও তা ধীরে ধীরে সরে যাচ্ছে। খবর বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের।
মঙ্গলবার গভীর রাত থেকে বুধবার সকাল পর্যন্ত চট্টগ্রাম মহানগরে মাঝারি থেকে ভারি বৃষ্টি হয়। সকালে জোয়ার শুরু হওয়ায় জমে থাকা পানি নামতে দেরি হয় বলে জানা গেছে।
পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিসের হিসাবে, বুধবার বেলা ১২টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রামে ৩৬ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।
এতে বহদ্দারহাট, বাদুরতলা, কাপাসগোলা, চকবাজার, বাকলিয়া, ষোলশহর দুই নম্বর গেইট, মুরাদপুর, আগ্রাবাদসহ বিভিন্ন এলাকা ডুবে গেলে যান চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হয়।
বাদুরতলা এলাকার বাসিন্দা আতিকুর রহমান বলেন, বৃষ্টির কারণে হাঁটু পানি জমে গেছে। সকালে চাকরিতে যাওয়ার জন্য বের হয়ে যানবাহন পেতে ভোগান্তিতে পড়তে হয়েছে।
বহদ্দারহাট, কাপাসগোলা এলাকাতেও তিনি গোড়ালি থেকে হাঁটু সমান পানি জমে থাকতে দেখেছেন।
পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিসের আবহাওয়াবিদ শেখ ফরিদ আহমেদ বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, মৌসুমী বায়ু সক্রিয় থাকায় এ বৃষ্টিপাত হয়েছে। আগামী দুই-একদিন তা অব্যাহত থাকতে পারে। বেলা ১২টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘন্টায় মোট ৩৬ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।
তবে আমবাগান আবহাওয়া অফিসে সকাল নয়টা পর্যন্ত ৬০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয় বলেও জানান তিনি।
শেখ ফরিদ জানান, মঙ্গলবার গভীর রাত দু্ইটা ২২ মিনিটে ভাটা শুরু হয়ে বুধবার সকাল নয়টায় জোয়ার শুরু হয়। বৃষ্টির পর জোয়ার হওয়ায় পানি নামতে সমস্যা হতে পারে। তবে দুপুর দুইটা ৩৬ মিনিটে ভাটা শুরু হলে পানি নেমে যেতে পারে।
অল্প বৃষ্টিতে পানি জমে যাওয়া প্রসঙ্গে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের জলাবদ্ধতা স্ট্যান্ডিং কমিটির সভাপতি কাউন্সিলর মোবারক আলী বলেন, নালা-নর্দমায় পলিথিনসহ বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতার কারণে পানি জমেছে, জমে থাকা পানি আবার সরেও যাচ্ছে। সিটি করপোরেশনের কর্মীরা প্রতিবন্ধকতা অপসারণে কাজ করছে।