২১ থেকে ২৫ মার্চ অনলাইনে ট্রেনের টিকেট বিক্রি বন্ধ


এফই অনলাইন ডেস্ক | Published: March 14, 2022 17:12:26 | Updated: March 15, 2022 11:55:26


ফাইল ছবি (সংগৃহীত)

বাংলাদেশ রেলওয়ের সার্ভিস প্রোভাইডার পরিবর্তন এবং নতুন কোম্পানির দায়িত্ব নেওয়ার জটিলতায় আগামী ২১ থেকে ২৫ মার্চ অনলাইনে ট্রেনের টিকেট বিক্রি বন্ধ থাকছে; ওই পাঁচ দিন স্টেশনের কাউন্টার থেকে টিকেট সংগ্রহ করতে হবে।

রেলপথ মন্ত্রী মো. নূরুল ইসলাম সুজন সোমবার রেলভবনে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানিয়ে বলেন, কাউন্টার থেকে টিকেট বিক্রির সময় এ কয় দিন কোনো কোটা বা আসন সংরক্ষণ করা হবে না; অর্থাৎ সবার জন্য টিকিট উন্মুক্ত থাকবে।

এখন যাত্রার তারিখের পাঁচ দিন আগে অগ্রিম টিকেট কাটার সুযোগ আছে। তবে অনলাইনে টিকেট বিক্রি বন্ধের সময়টায় যাত্রীর দুদিন আগে আগাম টিকেট কেনার সুযোগ মিলবে। খবর বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের।

এতদিন রেলের কম্পিউটারাইজড টিকেটিংয়ের কাজটি করে আসছিল 'সিএনএস' নামের একটি কোম্পানি। এখন সেই কাজ পেয়েছে সহজ, সিনেসিস ও ভিনসেন জয়েন্ট ভেঞ্চার। গত ১৫ ফেব্রুয়ারি ওই তিন কোম্পানির সঙ্গে পাঁচ বছর মেয়াদি চুক্তি করেছে বাংলাদেশ রেলওয়ে।

রেলমন্ত্রী বলেন, ২০ মার্চ পর্যন্ত সিএনএস রেলওয়ের আন্তঃনগর ট্রেনের কম্পিউটারাইজড টিকেটিং পরিচালনা করবে। পরে ৭৭টি স্টেশনে এ কাজের দায়িত্ব বুঝে নেবে সহজ, সিনেসিস, ও ভিনসেন জয়েন্ট ভেঞ্চার। সেজন্য সিস্টেম হালনাগাদ করতে অন্তত পাঁচ দিন সময় লাগবে।

এই কদিন কাউন্টার থেকে টিকেট বিক্রি করে ২৬ মার্চ থেকে নতুন ব্যবস্থাপনায় আবার কম্পিউটারাইজড টিকেটিং চালু হবে বলে জানান রেলমন্ত্রী।

তিনি বলেন, মানুষকে আরও ভালো সেবা দেওয়ার উদ্যেশ্যে নতুন কোম্পানিকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, কারণ টিকেট বিক্রিতে স্বচ্ছতা আনা ও সহজলভ্য করাই মূল লক্ষ্য।

সুজন জানান, চুক্তি অনুযায়ী সহজ, সিনেসিস ও ভিনসেনের জয়েন্ট ভেঞ্চার প্রাথমিকভাবে বিদ্যমান সিসিএসআরটিএস সিস্টেমটি সচল রাখবে এবং আগামী ১৮ মাসের মধ্যে তা বিআরআইটিএস সিস্টেমে প্রতিস্থাপিত হবে।

রেলওয়ের টিকেট বিক্রির 'নিজস্ব সক্ষমতা' এখনও গড়ে ওঠেনি মন্তব্য করে সুজন বলেন, সে কারণেই বেসরকারি কোম্পানির ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে।

বাংলাদেশ রেলওয়েতে কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত টিকেটিং চালু করা হয় ১৯৯৪ সালে। শুরুর দিকে দেশের ২৭ স্টেশনে কম্পিউটারের মাধ্যমে টিকিট ইস্যু করা হত। এখন ৭৭টি স্টেশনে কম্পিউটারের মাধ্যমে ১০৪ টি আন্তঃনগর ট্রেনের টিকেট ইস্যু করা হচ্ছে।

প্রতিদিন প্রায় ৯০ হাজার এবং মাসে ২৭ লাখ যাত্রীর টিকেট কম্পিউটারের মাধ্যমে ইস্যু করা হচ্ছে বলে রেলওয়ে মন্ত্রণালয় জানিয়েছে।

Share if you like