নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে হাসেম ফুডস কারখানায় অগ্নিকাণ্ডে আহত শ্রমিকদের চিকিৎসা নিশ্চিত করতে অ্যাটর্নি জেনারেলকে স্বাস্থ্য সচিব ও শ্রম সচিবের সঙ্গে কথা বলতে বলেছে হাই কোর্ট। খবর বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের।
সেই সঙ্গে কতজন শ্রমিক আহত, চিকিৎসাধীন তার একটি তালিকা প্রকাশ করার কথাও আদালত বলেছে।
অগ্নিকাণ্ডে হতাহত শ্রমিকদের জন্য ক্ষতিপূরণ চেয়ে করা এক রিট আবেদনে আইনজীবী সারা হোসেন আদালতের অন্তর্বর্তী আদেশ চাইলে বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম রোববার রাষ্ট্রপক্ষকে এ নির্দেশ দেন।
রিটের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন আইনজীবী জেড আই খান পান্না, সারা হোসেন, অনীক আর হক, মো. শাহিনুজ্জামান। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল সমরেন্দ্রনাথ বিশ্বাস ও বিপুল বাগমার।
আইনজীবী সারা হোসেন শুনানিতে অগ্নিকাণ্ডে অর্ধশতাধিক মৃত্যুর তথ্য তুলে ধরে ক্ষতিপূরণের জন্য হাই কোর্টের অন্তর্বর্তীকালীন আদেশ চান।
বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম তখন বলেন, “আমার এখতিয়ার খুব সীমিত। একক বেঞ্চ হওয়ায় আমি তো কোনো রুল দিতে পারব না।”
রূপগঞ্জের ঘটনার প্রসঙ্গ ধরে বিচারক বলেন, “খুবই দুঃখজনক ঘটনা ঘটেছে। সমস্ত জাতি আমরা শোকাহত। এরকম ঘটনা আমরা আশা করি না। এ ঘটনায় তো ইতোমধ্যে একটি ফৌজদারী মামলা হয়েছে। এ মামলায় মালিক পক্ষের প্রায় সবাই গ্রেপ্তারও হয়েছে। বিচার তো সময়সাপেক্ষ ব্যপার। এখন তদন্ত হবে।“
নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে জ্বলছে হাসেম ফুডস কারখানা; শুক্রবার সকালে আগুন নেভোনোর চেষ্টায় ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা। ছবি: মাহমুদ জামান অভিনারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে জ্বলছে হাসেম ফুডস কারখানা; শুক্রবার সকালে আগুন নেভোনোর চেষ্টায় ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা। ছবি: মাহমুদ জামান অভিক্ষতিপূরণের নির্দেশনার ব্যাপারে বিচারপতি ইনায়েতুর রহিম বলেন, “ঠিকই আছে, ক্ষতিপূরণের হকদার বটে। যতটুকু দেখেছি ঘটনার দিন আমাদের শ্রম প্রতিমন্ত্রী গিয়েছিলেন। উনারা আহতদের সরকারিভাবে ২ লাখ টাকা করে দেওয়ার কথা বলেছেন। আজকে সকালে পত্রিকায় দেখেছি শ্রম সচিব হাসপাতালে গিয়ে আহতদের কিছু ক্ষতিপূরণ দেওয়ার কথাও বলেছেন। সেটি পর্যাপ্ত কিনা জানি না।
“আর একটা বিষয় হল, যে মৃত্যুগুলো হয়েছে, এখন পর্যন্ত ৫২টি লাশের মধ্যে মাত্র একটা লাশের পরিচয় নিশ্চিত হয়ে হস্তান্তর করতে পেরেছে। বাকি ৫১টি লাশ চিহ্নিত করাই সম্ভব হচ্ছে না। ডিএনএ টেস্ট হবে এবং এই প্রক্রিয়া ২১ দিনের আগে সম্পন্ন হবে না।
