Loading...
The Financial Express

সয়ামিল রপ্তানি অনির্দিষ্টকালের জন্য  বন্ধ

| Updated: October 14, 2021 16:37:01


ফাইল ছবি (সংগৃহীত) ফাইল ছবি (সংগৃহীত)

পোলটি ফিড ও পশুর খাদ্য তৈরির অন্যতম উপাদান সয়ামিল রপ্তানি অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ করেছে সরকার।

দেশে পোলটি ফিড ও পশুখাদ্য উৎপাদন স্বাভাবিক রাখতে এ পদক্ষেপ নিয়েছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। মন্ত্রণালয় থেকে আমদানি ও রপ্তানি প্রধান নিয়ন্ত্রকের দপ্তরে এ বিষয়ে আদেশেও পাঠানো হয়েছে।

বৃহস্পতিবার ১৪ অক্টোবর থেকে এ আদেশ কার্যকর করতে বলা হয়েছে। তবে আদেশে ১৩ অক্টোবরের মধ্যে যেসব এলসি ও টিটি সম্পন্ন হয়েছে, সেগুলো ২০ অক্টোবরের মধ্যে রপ্তানির কাজ শেষের সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছে।

বেশ কিছুদিন থেকে দেশে মুরগির বাজার ঊর্ধমুখী। খাবার ও ওষুধের দাম বেড়ে যাওয়ায় খামারিরা মুরগির দাম বাড়িয়েছেন বলে খুচরা বিক্রেতাদের দাবি। খবর বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের।

এর মধ্যে পাশ্ববর্তী দেশগুলোতে চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় বাংলাদেশ থেকে সয়ামিল রপ্তানি শুরু হয়। পোলট্রি ও গবাদিপশুর খাদ্য তৈরির গুরুত্বপূর্ণ এ কাঁচামাল রপ্তানি শুরুর পর থেকে দেশের বাজারে এ পণ্যের দাম বাড়তে থাকে।

তখন থেকেই পোলটি খামারিরা সয়ামিল বন্ধের দাবি জানিয়ে আসছিলেন। গত ২৭ সেপ্টেম্বর প্রাণিখাদ্য তৈরির প্রধান এ উপকরণেরকৃত্রিম সংকট’সৃষ্টির অভিযোগ এনে এর রপ্তানির সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছিল বাংলাদেশ ডেইরি ফার্মারস অ্যাসোসিয়েশন।

বুধবারও কারওয়ান বাজারে ব্রয়লার মুরগি প্রতিকেজি ১৯০ টাকায় বিক্রি হয়েছে, যা একমাস আগেও ১২০ টাকার মধ্যে ছিল। একইভাবে পাকিস্তানি কক মুরগি (সোনালিকা) ২২০ টাকা থেকে বেড়ে ৩৬০ টাকা হয়েছে। লেয়ার মুরগির দাম ১৯০ টাকা থেকে বেড়ে ২৫০ টাকা হয়েছে।

অপরদিকে বাজারে গরুর মাংস এখন প্রতিকেজি ৬০০ টাকা করে, যা ছয় মাস আগেও ৫৫০ টাকা ছিল।

মন্ত্রণালয়ের আদেশে বলা হয়, মৎস্য ও প্রাণি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের পৃথক দুটি চিঠি থেকে জানা গেছে, সয়াবিন মিল রপ্তানি অব্যাহত থাকলে এর প্রভাবে ডেইরি ও পোলট্রি খাদ্য উৎপাদন মারাত্মকভাবে বাধাগ্রস্ত হতে পারে। এর ফলে ডেইরি ও পোল্ট্রি খাদ্যের মূল্য বৃদ্ধি পাবে। এতে দেশের প্রাণি সম্পদ সেক্টর বিরূপ প্রভাব পড়বে।

সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে একাধিক পোলটি খামারের উদ্যোক্তার সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তারা প্রসঙ্গটি এড়িয়ে গেছেন।

Share if you like

Filter By Topic