প্রকাশিত হলো মুক্তিযুদ্ধকালীন সাপ্তাহিক পত্রিকা দাবানল-এর সুবর্ণজয়ন্তী সংখ্যা।
শুক্রবার জাতীয় প্রেসক্লাবে এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে পত্রিকার সুবর্ণজয়ন্তী সংখ্যাটি প্রকাশিত হয়।
গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, প্রকাশনা উৎসবে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য এ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম।
তিনি বলেন, “নতুন প্রজন্ম মুক্তিযুদ্ধের মিথ্যা ইতিহাস নিয়ে বেড়ে উঠছিল যখন স্বাধীনতাবিরোধীরা ক্ষমতায় ছিল। তবে বর্তমান সরকারের আমলে মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস জানতে পারছে নতুন প্রজন্ম। বিভিন্ন সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানকে ধ্বংস করার ষড়যন্ত্র করছে একটি মহল। মুক্তিযোদ্ধাদের ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।”
বিএনপির সঙ্গে আওয়ামী লীগের কখনো ঐক্য হতে পারে না উল্লেখ করে কামরুল ইসলাম বলেন, “বিএনপি-জামায়াতকে বাদ দিয়ে স্বাধীনতার স্বপক্ষের রাজনৈদিক দল নিয়ে একটা বৃহত্তর মোর্চা হোক, আমরা এটা চাই।”
তিনি মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী রাজনৈতিক দলগুলোর ঐক্যবদ্ধ অবস্থান ও একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন।
অনুষ্ঠানের প্রধান বক্তা নৌ-পরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী তাঁর বক্তব্যে বঙ্গবন্ধু, মুক্তিযুদ্ধ ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনার প্রতি অবিচল থাকতে দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানান।
দাবানল পত্রিকা সম্পর্কে তিনি বলেন, “মুক্তিযুদ্ধের সময় প্রচুর অপপ্রচার হয়েছে। অপপ্রচারকে রুখে দিয়ে মুক্তিযুদ্ধের উদ্দেশ্য ও স্পিরিট মানুষের কাছে পৌঁছে দিয়েছে দাবানলের মতো বেশ কয়েকটি পত্রিকা। ”
এ অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন বীর মুক্তিযোদ্ধা নাসির উদ্দীন ইউসুফ। মহান মুক্তিযুদ্ধে পত্রিকাটির ভূমিকা বর্ণনা করে তিনি বলেন, “মুক্তিযুদ্ধের যেসব পত্রিকা মুক্তিযোদ্ধাদের অনুপ্রেরণা যোগাতো এবং মুক্তিযুদ্ধের সঠিক তথ্য তুলে ধরা হতো তারমধ্যে দাবানল অন্যতম। ”
দাবানলের প্রতিষ্ঠাতা প্রকাশক ও পৃষ্ঠপোষক ছিলেন প্রয়াত জাতীয় নেতা ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলীর বড় সন্তান প্রয়াত ড. মোহাম্মদ সেলিম। বর্তমানে সেলিমের পুত্র মো. শেহেরিন সেলিম রিপন দাবানল পত্রিকার হাল ধরেছেন।
ক্যাপ্টেন এম. মনসুর আলীর বড় সন্তান রেজাউল করিম অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
শহীদ ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী ফাউন্ডেশনের সভাপতি এবং দাবানল পত্রিকার প্রকাশক ও সম্পাদক মো. শেহেরিন সেলিম রিপনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক এ্যাডভোকেট মুজিবুর রহমান।
