Loading...

সীমান্তে ঘরে ঘরে জ্বর, ‘লকডাউনের ভয়ে’কোভিড পরীক্ষায় অনীহা


সীমান্তে ঘরে ঘরে জ্বর, ‘লকডাউনের ভয়ে’কোভিড পরীক্ষায় অনীহা

যশোরের ভারতের সীমান্ত ঘেঁষা অঞ্চলে করোনাভাইরাসের প্রকোপ বাড়লেও গ্রামবাসী রোগ আড়ালের চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। খবর বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের।

একই সাথে সংক্রমণ রোধে শহর এলাকায় প্রশাসনের তৎপরতা দেখা গেলেও গ্রামাঞ্চলে মানুষ কোনো বিধিনিষেধই মানছে না।

শার্শা উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. ইউসুফ আলী বলেন, “কোভিড পজিটিভ হলে বাড়ি লকডাউন হবে, এই ভয়ে গ্রামের মানুষের পর্যাপ্ত করোনা টেস্ট হচ্ছে না।”

যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের জেনম সেন্টারের আরটিপিসিআর পরীক্ষার ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ‘শার্শার প্রায় সব গ্রামের বাসিন্দারই সংক্রমণ ধরা পড়েছে’। 

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার জাহিদুল ইসলাম বলেন, সোমবার পর্যন্ত উপজেলায় কোভিড আক্রান্তের সংখ্যা ১ হাজার ২১ জন। এর মধ্যে সুস্থ হয়েছেন ৮০৭ জন। বর্তমানে আক্রান্ত আছেন ২০০ জন।

এ রোগ শনাক্ত হয়ে মারা গেছে নয় জন। তবে সরকারি হিসেবে মৃত্যুর সংখ্যা কম থাকলেও স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও গ্রাম ডাক্তাররা বলছেন, করোনাভাইরাসের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যুর সংখ্যা অর্ধশতাধিক।

এ উপজেলার বেনাপোল, নাভারন, বাগআচড়া এবং শার্শা সদরে প্রশাসনের কঠোর নজরদারি থাকলেও গ্রামের হাট-বাজার অরক্ষিত রয়েছে।

বসতপুর, জামতলা, সামটা, গোগা, বালুন্ডা, বারোপোতা, ডিহি, নিজামপুর, শাড়াতলা, কাশিপুর, লক্ষণপুর, উলাশি, বাহাদুরপুর, শাখারিপোতা বাজারে প্রশাসনের লোকজন উপস্থিতি দেখলেই দোকান বন্ধ হয়ে যায়। তারা চলে গেলেই বাজার ফের জমজমাট হয়ে ওঠে।

 

Share if you like

Filter By Topic