Loading...

সাতকানিয়ায় ভোটের সংঘাতে নিহত ২

| Updated: February 08, 2022 10:32:33


সাতকানিয়ায় ভোটের সংঘাতে নিহত ২

চট্টগ্রামের সাতকানিয়ার নলুয়া ও বাজালিয়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের মধ্যে সংঘাতের মধ্যে দুইজন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। খবর বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের।

এর মধ্যে নলুয়ার ঘটনাটি ঘটে সোমবার দুপুরে ৮ নম্বর ওয়ার্ডের মরফলা বোর্ড কেন্দ্রের বাইরে। সেখানে দুই প্রার্থীর সমর্থকদের সংঘর্ষে এক কিশোরের মৃত্যু হয়।

এর আগে সকাল ১০টার দিকে বাজালিয়া ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডে দুই চেয়ারম্যান প্রার্থীর সমর্থকদের সংঘর্ষে আনুমানিক ৩৫ বছর বয়সী এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়।

সাতকানিয়ার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফাতেমা তুজ জোহরা বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “আমরা আপাতত দুজনের মৃত্যুর বিষয়ে জানি। পরে বিস্তারিত বলতে পারব।”

সপ্তম ধাপের ইউপি নির্বাচনে চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলায় ভোট হচ্ছে ১৬টি ইউনিয়নে।   এর মধ্যে আরও কয়েকটি ইউনিয়নে সকাল থেকে গোলযোগের খবর পাওয়া গেছে।

সকালে খাগড়িয়া ইউনিয়নের গণিপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও খাগরিয়া ইউনিয়ন পরিষদ কেন্দ্রের বাইরে সংঘর্ষ ও গোলাগুলির পর ভোটগ্রহণ বন্ধ করে দেওয়া হয় বলে দায়িত্বরত ম্যাজিস্ট্রেট উমর ফারুক জানিয়েছেন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, এ ইউনিয়নের মেয়র পদে আওয়ামী লীগের প্রার্থী আকতার হোসেন এবং মোটর সাইকেল প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী জসীম উদ্দিনের সমর্থকরা সকাল সাড়ে ৯টার দিকে লাঠিসোঁটা নিয়ে দুই কেন্দ্রের বাইরে জড়ো হয়। ওই দুই কেন্দ্রের মধ্যে দূরত্ব কয়েকশ গজ।

এক পর্যায়ে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ ও গোলাগুলি শুরু হয়। এ সময় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং ভোটাররা কেন্দ্র ছেড়ে সরে যাওয়ার চেষ্টা করেন।

মারামারির মধ্যে অতিরিক্ত পুলিশ ও বিজিবি সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর পরও গোলাগুলির শব্দ শোনা যায় বলে স্থানীয়রা জানান।

বেলা সাড়ে ১০টার পর গণিপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে পৌঁছান চট্টগ্রামের পুলিশ সুপার রশিদুল হক। এরপর সেখানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। কিন্তু তিনি চলে যাওয়ার পর আবারও গোলাগুলি শুরু হয়।

এদিকে ১৭ নম্বর সোনাকানিয়া ইউনিয়ন পরিষদের স্বতন্ত্র প্রার্থী ও চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সেলিম উদ্দিন চৌধুরীর ওপর হামলার অভিযোগও পাওয়া গেছে।

৬ ও ৭ নম্বর ওয়ার্ডে তার ওপর হামলা হয়েছে অভিযোগ এনে তিনি বলেন, “দুই কেন্দ্রে চেয়ারম্যান প্রার্থীর ব্যালেট ভোটারদের না দিয়ে আগে থেকে নৌকা মার্কায় সিল মেরে রাখা হয়েছে। প্রতিবাদ করায় আমাকে মারধর করা হয়।”

সেলিমের অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায় ১০৭ নম্বর মধ্য গারাংগিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে।

কেন্দ্রের একটি বুথে গিয়ে দেখা যায়, দুই সদস্য প্রার্থীর ব্যালেট দেওয়া হলেও চেয়ারম্যান প্রার্থীর ব্যালেট দেওয়া হয়নি। সেখানে পোলিং অফিসারের টেবিলে আগে থেকে নৌকা মার্কায় সিল মারা ব্যালেট দেখা গেছে।

এ বিষয়ে প্রশ্ন করলে কেন্দ্রের প্রিসাইডিং কর্মকর্তা মো. নাছির উদ্দিন বলেন, “এরকম তো কিছু ঘটেনি।”

 

 

 

Share if you like

Filter By Topic