Loading...

সন্ধ্যায় বাসায় ফিরছেন খালেদা জিয়া

| Updated: February 01, 2022 21:41:15


ফাইল ছবি ফাইল ছবি

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ৮১ দিন পর হাসপাতাল থেকে বাসায় ফিরছেন মঙ্গলবার সন্ধ্যায়।

দেশে কোভিডের বিস্তার আবার বেড়ে যাওয়ায় এভারকেয়ার হাসপাতালের মেডিকেল বোর্ডের সিদ্ধান্তে তিনি গুলশানের বাসায় ফিরছেন বলে জানিয়েছেন তার ব্যক্তিগত চিকিৎসক এজেডএম জাহিদ হোসেন। খবর বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের।

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে তিনি বলেন, “উনার অবস্থা আগের মতই আছে। কিন্তু সারাদেশে করোনা ও ওমিক্রন সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়ায় মেডিকেল বোর্ড ম্যাডামের সুরক্ষার স্বার্থে তাকে বাসায় নিয়ে চিকিৎসা করানোর পরামর্শ দিয়েছে।”

সন্ধ্যা ৬টার খালেদা জিয়া গুলশানের বাসা ফিরোজায় ফিরবেন জানিয়ে জাহিদ হোসেন বলেন, “সেজন্য সকল প্রস্তুতিও নেওয়া হয়েছে।”

এভারকেয়ার হাসপাতালের মেডিকেল বোর্ড বিকাল সাড়ে ৫টায় সংবাদ সম্মেলন করে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করবে বলেও জানিয়েছেন বিএনপি নেতা জাহিদ হোসেন।

২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতির মামলায় সাজা হলে কারাগারে যেতে হয় সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে। পরে জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলাতেও তার সাজার রায় আসে।

দেশে করোনাভাইরাস মহামারী শুরুর পর খালেদার পরিবারের আবেদনে তাকে গত বছরের ২৫ মার্চ নির্বাহী আদেশে সাময়িক মুক্তি দেয় সরকার। তবে তাতে শর্ত ছিল, তাকে দেশেই থাকতে হবে।

 কারাগার থেকে বেরিয়ে খালেদা জিয়া ওঠেন গুলশানের বাসা ফিরোজায়। এরপর করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হলে গত বছরের মাঝামাঝি সময়ে তিনি প্রায় দুই মাস হাসাপাতালে থাকেন। এরপর আরও দুই দফা তাকে হাসপাতালে যেতে হয়।

৭৬ বছর বয়সী এই সাবেক প্রধানমন্ত্রী বুহ বছর ধরে আর্থ্রাইটিস, ডায়াবেটিস, কিডনি, ফুসফুস, চোখের সমস্যাসহ নানা জটিলতায় ভুগছেন। সর্বশেষ গত ১৩ নভেম্বর ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর তার ‘পরিপাকতন্ত্রে’ রক্তক্ষরণ এবং লিভার সিরোসিসের কথা জানান চিকিৎসকরা।

বাংলাদেশে খালেদা জিয়ার ‘সুচিকিৎসার ব্যবস্থা নেই’ দাবি করে তাকে বিদেশে পাঠানোর জন্য কয়েক দফা আবেদন করেছিলেন তার ভাই। সাময়িক মুক্তির শর্তের বিষয়টি উল্লেখ করে প্রতিবারই তা নাকচ করা হয়।

এবার লিভার সিরোসিস ধরা পড়ায় খালেদাকে বিদেশে নেওয়ার অনুমতি চেয়ে পরিবারের পক্ষ থেকে আবারও সরকারের কাছে আবেদন করা হয়। তবে এবারও একই যুক্তিতে তা নাকচ করে বলা হয়, খালেদা জিয়াকে অনুমতি দেওয়ার ‘আইনি সুযোগ নেই’।

এভার কেয়ার হাসপাতালে অধ্যাপক শাহাবুদ্দিন তালুকদারের তত্ত্বাবধানে খালেদা জিয়ার চিকিৎসা চলে। গত ১০ জানুয়ারি তাকে সিসিইউ থেকে কেবিনে স্থানান্তর করা হয়।

ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন বলেন, “ম্যাডাম সুস্থ হননি। উনার যে রক্তক্ষরণ হত, সেটা এখন আপাতত বন্ধ আছে। তবে চিকিৎসক বোর্ডের আশঙ্কা, যে কোনো সময়ে তার অবনতি হতে পারে। ম্যাডামের সর্বোত্তম চিকিৎসা এখানে দেয়া হলেও তার রোগের উন্নত চিকিৎসা এখানে নেই।”

 

 

Share if you like

Filter By Topic