নিখোঁজ ইন্দোনেশীয় সাবমেরিনের অক্সিজেনের মজুদ শেষ হওয়ার শঙ্কা তুলে ধরে ৫৩ আরোহীকে জীবিত উদ্ধারে তেমন আশা দেখছেন না উদ্ধারকর্মীরা। খবর বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম-এর।
বালি উপকূল থেকে প্রায় ৬০ মাইল দূরে বুধবার যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়া সাবমেরিনটির সন্ধানে এর মধ্যে উড়োজাহাজ পাঠিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।
এ পর্যন্ত কমপক্ষে ছয়টি যুদ্ধজাহাজ, একটি হেলিকপ্টার ও ৪০০ উদ্ধারকর্মী সাবমেরিনটির অনুসন্ধানে কাজ করছে। সিঙ্গাপুর ও মালয়েশিয়া তাদের জাহাজ পাঠিয়েছে। অস্ট্রেলিয়া, ফ্রান্স, এবং জার্মানিও সহায়তা দিতে চেয়েছে।
বার্তাসংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়, সাবমেরিনটি অক্ষত পাওয়া গেলেও শনিবার ভোরের মধ্যেই অক্সিজেন ফুরিয়ে যাওয়ার কথা ইন্দোনেশীয় কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।
বিমান থেকে চালানো অনুসন্ধানে সাবমেরিনটি পানিতে ডুব দেওয়ার জায়গার কাছে তেল ছড়িয়ে থাকতে দেখা গেছে বলে জানিয়েছে দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়।
বিবিসির খবরে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্র নৌবাহিনীর পক্ষ থেকে পাঠানো সাবমেরিন অনুসন্ধানে ব্যবহৃত একটি পি-এইট পসেইডন উড়োজাহাজ শনিবার সকালে বালিতে পৌঁছেছে।
পেন্টাগন মুখপাত্র জন কিবরি বলেন, ইন্দোনেশিয়া ভাল বন্ধু এবং কৌশলগত অংশীদার।তাদের সাবমেরিন হারানোয় দুঃখ পেয়েছি। তাদের নৌবাহিনী, নাবিক ও তাদের পরিবারের জন্য আমাদের প্রার্থনা।
এর আগে ইন্দোনেশিয়ার সেনাপ্রধান জানান, ৪৪ বছরের পুরোনো কেআরআই নাংগালা-৪০২ নামের এই সাবমেরিনের খোঁজে যুদ্ধজাহাজ পাঠানো হয়েছে।
শুক্রবার ইন্দোনেশিয়ার নৌবাহিনী প্রধান ইউডো মারগোনো জানিয়েছেন, সাগরের ৫০ থেকে ১০০ মিটার গভীরে উচ্চ চৌম্বকীয় শক্তির একটি বস্তু শনাক্ত করা হয়েছে।
নৌবাহিনীর মুখপাত্র জুলিয়াস উইদজোজোনো জানিয়েছেন, ডিজেল-বিদ্যুৎ চালিত সাবমেরিনটি ৫০০ মিটার গভীর পর্যন্ত যেতে পারে। এর বেশি গভীরে গেলে তা ধ্বংস হয়ে যাবে। বালি সাগরের গভীরতা এক হাজার ৫০০ মিটার।