সারাদেশে লকডাউনের ঘোষণা আসার পর থেকে শিমুলিয়ায় যে জনস্রোত শুরু হযেছে তা অব্যাহত রয়েছে।
সোমবার লকডাউনের প্রথম দিন গণপরিবহন না থাকায় নানাভাবে শিমুলিয়া ঘাটে আসছে তারা। বিড়ম্বনা সত্ত্বেও পরিবার-পরিজন নিয়ে আসছেন অনেকে।
মাওয়া নৌপুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক সিরাজুল কবির বলেন, ভোর থেকেই ভিড় দেখা যাচ্ছে। ছোট যানবাহনে এমনকি হেঁটে হেঁটে আসছে সবাই। গত দুই দিনের মত ঘাটে আজও প্রচণ্ড চাপ রয়েছে।
যাত্রীর চাপে ঘাটে ভেড়া ফেরি থেকে গাড়ি নামাতেও সমস্যা হওয়ায় সকাল থেকে পন্টুনে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। লঞ্চসহ অন্যান্য নৌযান চলাচল বন্ধ থাকায় ফেরিতে গাদাগাদি করে দাঁড়িয়েই পদ্মা পাড়ি দিচ্ছে মানুষ। গণপরিবহন না থাকায় বেশি খরচের পাশাপাশি ঘাটে ঘণ্টার পর ঘণ্টা ফেরির অপেক্ষায় বসে থাকছেন তারা। খবর বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের।
লৌহজং থানার ওসি আলমগীর হোসাইন বলেন, “জনসাধারণ একেবারেই সচেতন না। তারা আন্তরিকও না।”
শিমুলিয়া ঘাটের বিআইডব্লিউটিসি ব্যবস্থাপক আহাম্মদ আলী বলেন, “ঘাটে আসা মানুষের যাকেই জিজ্ঞেস করি সে-ই যুক্তি দেখায়। প্রয়োজনের কথা বলে। তাদের শৃংখলার মধ্যে আনতে হবে। এক্ষেত্রে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর ভূমিকা বেশি। ঘাটে যাতে একসঙ্গে বেশি মানুষ আসতে না পারে সেদিকে লক্ষ রাখতে হবে।”
ঘাটে চাপ ঠেকাতে সিরাজদিখান, শ্রীনগর ও শিমুলিয়ার হিলশা মোড়ে পুলিশের চেকপোস্ট বসানো হয়েছে। সরকারি আদেশ অমান্য করেই চলছে নানা যানবাহন। ঘাটে পারাপারের অপেক্ষায় শতশত যান।
