উইকেট ব্যাটিং সহায়ক হলেও ১৯৪ রান তাড়া সহজ নয় কখনোই। সৌম্যর ফিফটি ও সম্মিলিত ব্যাটিং পারফরম্যান্সে সেই লক্ষ্য ছুঁয়ে ফেলল বাংলাদেশ। শেষ ম্যাচে ৫ উইকেটের জয়ে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ জিতে নিল ২-১ ব্যবধানে।
আগ্রাসী ব্যাটিংয় শেষ সময়ের দাবি মেটালেন শামীম হোসেন। তার দারুণ ক্যামিওতে লক্ষ্য ছুঁয়ে ফেলল বাংলাদেশ ৪ বল বাকি রেখে।
ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় আন্তর্জাতিক ম্যাচেই ১৫ বলে ৩১ রান করে অপরাজিত শামীম। আগের ম্যাচে করেছিলেন ১৩ বলে ২৯।
১৫ বলে যখন দরকার ২৫ রান, ডিওন মায়ার্সের বলে শামীমের টানা তিন বাউন্ডারিতে সমীকরণ হয়ে ওঠে সহজ। শেষ ওভারে প্রয়োজন পড়ে ৫ রানের। শামীম প্রথম বলেই মারেন বাউন্ডারি। পরের বলে সিঙ্গেল নিয়ে জয়।
বাংলাদেশের এটি দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান তাড়ায় জয়। ২০১৮ সালে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে কলম্বোতে ২১৫ রান তাড়ায় জয়টিই কেবল এগিয়ে।
দ্বিপাক্ষিক টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশের চতুর্থ সিরিজ জয় এটি। তিনটি জয়ই এলো দেশের বাইরে।
এবারের জিম্বাবুয়ে সফরে একমাত্র টেস্ট, তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজের সবকটি জয়ের পর টি-টোয়েন্টি সিরিজও জিতল বাংলাদেশ।
২ উইকেট নেওয়ার পর ৬৮ রানের ইনিংস খেলে ম্যাচের সেরা সৌম্য সরকার।
সংক্ষিপ্ত স্কোর:
জিম্বাবুয়ে: ২০ ওভারে ১৯৩/৫ (মারুমানি ২৭, মাধেভেরে ৫৪, চাকাভা ৪৮, রাজা ০, মায়ার্স ২৩, বার্ল ৩১*, জঙ্গুয়ে ১*; তাসকিন ২-০-২৮-০, সাইফ ৪-০-৫০-০, শরিফুল ৪-০-২৭-১, সাকিব ৪-০-২৪-১, নাসুম ৩-০-৩৭-০, সৌম্য ৩-০-১৯-২)।
বাংলাদেশ: ১৯.২ ওভারে ১৯৪/৫ (নাঈম ৩, সৌম্য ৬৮, সাকিব ২৫, মাহমুদউল্লাহ ৩৪, আফিফ ১৪, শামীম ৩১*, সোহান ১*; রাজা ১-০-১৩-০, চাতারা ৪-০-২৭-০, মুজারাবানি ৪-০-২৭-২, মায়ার্স ৪-০-৪২-০, জঙ্গুয়ে ৩-০-৪২-২, মাসাকাদজা ৩.২-০-৩৭-১)।