রোহিঙ্গা শিবির থেকে আরও ৫ জন গ্রেপ্তার
এফই অনলাইন ডেস্ক |
Published:
October 09, 2021 12:33:52
| Updated:
October 09, 2021 17:20:00
মোহাম্মদ মুহিবুল্লাহ খুনের পর কক্সবাজারের উখিয়ায় রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবির থেকে আরও পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা ‘আরাকান রিপাবলিকান স্যালভেশন আর্মি (আরসা)’র সদস্য বলে রোহিঙ্গাদের ভাষ্য, যে সংগঠনটিকে খুনের জন্য দায়ী করছে মুহিবুল্লার স্বজনরা।
১৪ এপিবিএন’র অধিনায়ক পুলিশ সুপার মো. নাইমুল হক সাংবাদিকদের জানান, শুক্রবার রাত থেকে শনিবার ভোর পর্যন্ত উখিয়া উপজেলার বিভিন্ন রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবিরে অভিযান চালিয়ে পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। খবর বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের।
তারা হলেন- উখিয়ার কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্পের জি-১৪ ব্লকের মৃত সুলতান মোহাম্মদের ছেলে খালেদ হোসেন (৩৩), লম্বাশিয়া ১-ইস্ট নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ই-১৩ ব্লকের মৃত আমির হোসেনের ছেলে মাস্টার সৈয়দ (৩৮), একই ক্যাম্পের জি-১১ ব্লকের আবুল খায়েরের ছেলে মোহাম্মদ শাকের (৩৫), বি-৩ ব্লকের নূর বশরের ছেলে মোহাম্মদ (১৮) এবং ডি-৫ ব্লকের মৃত মোহাম্মদ রশিদের ছেলে মোহাম্মদ ইলিয়াস (২২)।
একদিন আগে নুর বশরসহ ছয়জনকে গ্রেপ্তার করেছিল এপিবিএন।
নাইমুল বলেন, “রোহিঙ্গা নেতা মুহিবুল্লাহ হত্যাকাণ্ডের পর ক্যাম্পের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে উখিয়ার বিভিন্ন ক্যাম্পে এপিবিএনের একটি বিশেষ দল অভিযান চালায়।
“এতে রোহিঙ্গা ক্যাম্পকেন্দ্রিক সক্রিয় সন্ত্রাসী গোষ্ঠির ৫ সদস্যকে আটক করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে রোহিঙ্গা ক্যাম্প এলাকায় চাঁদাবাজি, হত্যা, অপহরণ, ডাকাতি, মাদকপাচার, মানবপাচার ও পুলিশ এসল্টসহ বিভিন্ন অভিযোগে উখিয়া থানায় মামলা রয়েছে।”
আটক পাঁচজনকে উখিয়া থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানান এপিবিএন কর্মকর্তা নাইমুল হক।
গত ২৯ সেপ্টেম্বর রাতে উখিয়ায় লম্বাশিয়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পে রোহিঙ্গা নেতা মুহিবুল্লাহকে (৪৮) গুলি চালিয়ে হত্যা করে একদল অস্ত্রধারী। তিনি ছিলেন ‘আরাকান রোহিঙ্গা সোসাইটি ফর পিস অ্যান্ড হিউম্যান রাইটস’ নামে রোহিঙ্গাদের একটি সংগঠনের চেয়ারম্যান।
মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের মংডুর এলাকার স্কুলশিক্ষক মুহিবুল্লাহ পশ্চিমা সংবাদ মাধ্যমে ‘রোহিঙ্গাদের কণ্ঠস্বর’ হিসেবে বিবেচিত ছিলেন।
শরণার্থী শিবিরে খুনের ঘটনায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের উদ্বেগের মধ্যে মুহিবুল্লাহ হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে অন্তত পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তার পাশাপাশি ক্যাম্পেও অভিযান চলছে।