মিয়ানমার থেকে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত হয়ে বাংলাদেশের কক্সবাজারে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠির নেতামোহাম্মদ মুহিবুল্লাহকে গুলি চালিয়ে হত্যার সাথে জড়িত থাকার সন্দেহে একজনকে আটক করেছে আর্মড পুলিশ ব্যাটলিয়ন (এপিবিএন)।
এপিবিএন ১৪'র কমান্ডিং অফিসার পুলিশ সুপার নাইমুল হক জানান আজ (শুক্রবার) সকালে কুতুপালং ক্যাম্প থেকে ঐ ব্যক্তিকে আটক করা হয়, খবর বিবিসি বাংলার।
নাইমুল হক বলেন, "সকাল ১১ টার দিকে ক্যাম্পের ভেতর থেকে সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে। এরপর তাকে উখিয়া থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।"
রোহিঙ্গা নেতা মুহিবুল্লাহ হত্যার ঘটনায় গতকাল তার পরিবারের পক্ষ থেকে উখিয়া থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়।
উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সনজুর মোর্শেদ জানান অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামী করে নিহত মুহিবুল্লাহর ভাই হাবিবুল্লাহ মামলাটি দায়ের করেছেন।
ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোর্শেদ বলেন, "অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামী করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলায় আসামীর কোনো সংখ্যা উল্লেখ করা হয়নি।"
বুধবার সন্ধ্যায় কক্সবাজারের উখিয়ায় কুতুপালং ক্যাম্পের ভেতরে বন্দুকধারীদের গুলিতে রোহিঙ্গাদের একজন শীর্ষ নেতা মুহিবুল্লাহ নিহত হন।
মুহিবুল্লাহ ছিলেন আরাকান রোহিঙ্গা সোসাইটি ফর পিস অ্যান্ড হিউম্যান রাইটসের (এআরএসপিএইচ) চেয়ারম্যান।
হত্যাকাণ্ডের সাথে তার পরিচিত ব্যক্তিরা জড়িত বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে পুলিশ।
কক্সবাজারে কুতুপালং ক্যাম্পের দায়িত্বে থাকা আর্মড পুলিশ ব্যাটলিয়ন ১৪'র কমান্ডিং অফিসার পুলিশ সুপার নাইমুল হক বৃহস্পতিবার বলছিলেন, "যেহেতু হত্যাকারীরা তার কাছে যেতে পেরেছিলেন এবং তার সাথে দেখা করতে পেরেছিলেন, তারা তার পরিচিত ব্যক্তি ছিলেন বলেই প্রাথমিকভাবে আমাদের মনে হচ্ছে।"