কক্সবাজারের উখিয়ায় রোহিঙ্গা ক্যাম্পে গোলাগুলির পর একটি অ্যাসল্ট রাইফেলসহ বিপুল পরিমাণ গুলি উদ্ধার করেছে এপিবিএন। খবর বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের।
এছাড়া টেকনাফের আরেকটি রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পৃথক অভিযানে দেশে তৈরি চারটি বন্দুক ও গুলি উদ্ধার করার কথা জানিয়েছেন এ বাহিনীর কর্মকর্তারা।
বৃহস্পতিবার বিকালে টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের নয়াপাড়া নিবন্ধিত রোহিঙ্গা ক্যাম্প এবং রাতে উখিয়া উপজেলার পালংখালী ইউনিয়নের ১৮ নম্বর তানজিমার ঘোনা রোহিঙ্গা ক্যাম্পে এই অভিযান চলে।
উখিয়ায় ৮ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের উপ-অধিনায়ক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. কামরান হোসেন বলেন, দূর্বৃত্তরা অস্ত্র মজুদ করেছে খবর পেয়ে এপিবিএনের একটি দল রাত ১১টার দিকে উখিয়ার ওই ক্যাম্পে অভিযান চালায়।
“ঘটনাস্থলে পৌঁছালে এপিবিএন সদস্যদের লক্ষ্য করের দূর্বৃত্তরা গুলি ছুড়তে থাকে। আত্মরক্ষার্থে এপিবিএন সদস্যরাও পাল্টা গুলি ছোড়ে। এক পর্যায়ে গুলি ছুড়তে ছুড়তে দূর্বৃত্তরা পালিয়ে যায়। গোলাগুলি থেমে গেলে ঘটনাস্থলে তল্লাশি করে যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি একটি অটোমেটিক অ্যাসল্ট রাইফেল এবং ৪৯১টি গুলি পাওয়া যায়।”
ওই অভিযানে কাওকে ধরা যায়নি জানিয়ে এপিবিএন কর্মকর্তা কামরান বলেন, “গোলাগুলিতে জড়িত সন্ত্রাসীদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান অব্যাহত রয়েছে।”
শুক্রবার সকালে সংবাদ সম্মেলন করে ওই অভিযানের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হবে বলে তিনি জানিয়েছেন।
এদিকে বৃহস্পতিবার বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে টেকনাফের রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অভিযান চালিয়ে চারটি দেশীয় বন্দুক এবং চারটি গুলি উদ্ধার করা হয় বলে জানান ১৬ এপিবিএন এর অধিনায়ক পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম।
তিনি বলেন, “দূর্বৃত্তরা পালিয়ে যাওয়ায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।”
রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এবং অপরাধ দমনে এপিবিএনের বিশেষ অভিযানে ড্রোন ব্যবহার করা হচ্ছে জানিয়ে তারিকুল ইসলাম বলেন, “এর মাধ্যমেই নয়াপাড়া নিবন্ধিত রোহিঙ্গা ক্যাম্পের নুরালীপাড়া সংলগ্ন পাহাড়ি এলাকায় একদল ডাকাতের উপস্থিতি শনাক্ত করা হয়।
“এপিবিএন সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছালে দূর্বৃত্তরা পালিয়ে যায়। পরে তল্লাশি চালিয়ে পাহাড়ে গুহায় লুকিয়ে রাখা বন্দুক ও গুলি পাওয়া যায়।”
