রাশিয়া গত ২৪ ফেব্রুয়ারিতে ইউক্রেইনে আগ্রাসন শুরুর পর থেকে এ পর্যন্ত ১১ হাজারের বেশি রুশ সেনাকে হত্যার দাবি করেছে ইউক্রেইন।
রয়টার্স ও বিবিসির বরাত দিয়ে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম।
রোববার ইউক্রেইনের সেনাবাহিনীর জেনারেল স্টাফ এই দাবি করেছে। একদিন আগেই ইউক্রেইন রুশ বাহিনীর দশ হাজারের বেশি সদস্য হতাহতের দাবি করেছিল। তবে ইউক্রেইনীয় সেনা হতাহতের সংখ্যা জানায়নি।
ব্রিটিশ সামরিক গোয়েন্দারা রোববার বলেছেন, রাশিয়া বাহিনী ইউক্রেইনের জনবহুল এলাকাগুলোকে নিশানা করে হামলা চালাচ্ছে। তবে ইউক্রেইনের প্রতিরোধের ফলে তাদের অগ্রযাত্রা কিছুটা ধীর হয়ে গেছে।
ব্রিটিশ গোয়েন্দারা সর্বশেষ জানিয়েছে, ইউক্রেইনের প্রতিরোধের মাত্রা এবং শক্তি রাশিয়াকে বিস্মিত করছে। খারকিভ, চেরনিহিভ এবং মারিওপোলসহ একাধিক জনবহুল এলাকাকে নিশানা করে হামলা চালাচ্ছে রাশিয়া।
রাশিয়া ১৯৯৯ সালে চেচনিয়া এবং ২০১৬ সালে সিরিয়ায় একই কৌশল অবলম্বন করেছিল বলে জানিয়েছেন ব্রিটিশ গোয়েন্দারা। তবে রাশিয়া বরাবরই বেসামরিক এলাকাগুলোকে লক্ষ্য করে হামলা চালানোর কথা অস্বীকার করে আসছে।
যুক্তরাজ্যের উপ-প্রধানমন্ত্রী ডমিনিক রাব বলেছেন, ইউক্রেইনের যুদ্ধ বছর না হলেও অন্তত কয়েক মাস ধরে চলবে।
যুদ্ধের কারণে ইউক্রেইন থেকে এরই মধ্যে আশেপাশের দেশগুলোতে চলে গেছে ১৫ লাখের বেশি বাস্তুচ্যুত মানুষ। জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক হাইকমিশনার এই তথ্য জানিয়েছে। এদের মধ্যে ছয় লাখ মানুষ প্রতিবেশী পোল্যান্ডে আশ্রয় নিয়েছে।
এর বাইরে হাঙ্গেরি, রোমানিয়া, মলদোভা, স্লোভাকিয়াসহ অন্যান্য ইউরোপীয় দেশগুলোতে আশ্রয় নিয়েছে বাকিরা। ১১দিন আগে ইউক্রেইনে হামলা শুরু করেছে রাশিয়া। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ইউরোপে এই প্রথম এত দ্রুত শরণার্থীর সংখ্যা বাড়ছে।