রমজানকে সামনে রেখে টেকনাফ স্থলবন্দর দিয়ে মিয়ানমার থেকে ছোলা আসা শুরু হয়েছে। খবর বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম-এর।
সোমবার সন্ধ্যায় সাড়ে ৭০০ বস্তায় ৩৩৮ মেট্রিক টনের কিছু বেশি ছোলা স্থলবন্দরে এসে পৌঁছেছে বলে টেকনাফ স্থলবন্দরের শুল্ক কর্মকর্তা শাহীন আক্তার জানান।
স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, গত বছর মিয়ানমার থেকে টেকনাফ স্থলবন্দর দিয়ে এক হাজার ৪৯১ মেট্রিক টন ছোলা আমদানি করা হয়েছিল। চলতি মাসে কয়েক দিনে এ পর্যন্ত ৮৫৭ মেট্রিক টন ছোলা এসেছে মিয়ানমার থেকে। সরকার ছোলা আমদানিতে কোনো ধরনের রাজস্ব আদায় করছে না। তাই ব্যবসায়ীদের সব ধরনের সহযোগিতা করা হচ্ছে।
মেসার্স সেভেন স্টারের তত্ত্বাবধায়ক মোহাম্মদ আরাফাতুর রহিম বলেন, “সোমবার সন্ধ্যায় সেভেন স্টার ও মেসার্স ওয়াটার ওয়েজ নামে দুটি আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানের সাড়ে ৭০০ বস্তা ছোলা স্থলবন্দরে এসে পৌঁছেছে। কয়েক দিনের মধ্যে আরও ৫০০ মেট্রিক টন ছোলা আমদানি করা হবে। রমজান সামনে রেখে মিয়ানমারের ব্যবসায়ীরা সে দেশে ছোলার দাম বাড়িয়ে দিয়েছেন।”
টেকনাফ স্থলবন্দর সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি আবদুল আমিন জানান, আমদানি করা প্রতি কেজি ছোলার দাম পড়ছে ৬৪ টাকা। শ্রমিক, বন্দর ও জাহাজভাড়া বাবদ খরচ হচ্ছে সাড়ে তিন টাকা, চট্টগ্রামের খাতুনগঞ্জে নিয়ে বিক্রি করতে খরচ পড়ছে কেজিপ্রতি দুই টাকা। আর দেড় টাকা লাভ করে স্থানীয় ব্যবসায়ীদের কাছে ৭১ টাকায় বিক্রি করা হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, চট্টগ্রাম বন্দরের পরিবর্তে টেকনাফ স্থলবন্দর দিয়ে ছোলা আমদানি করা হলে তা তুলনামূলক কম দামে বিক্রি করা যাবে। কারণ, টেকনাফ স্থলবন্দর থেকে মিয়ানমার খুব কাছে হওয়ায় পরিবহন খরচ কম পড়ছে। তাই ব্যবসায়ীরা এদিকে ঝুঁকছেন।
