দেশের মানুষের সুরক্ষায় সরকার যেখান থেকেই হোক করোনাভাইরাসের টিকা সংগ্রহ করবে বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দ্বিতীয় পুত্র শেখ জামালের ৬৮তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে বুধবার বনানী কবরস্থানে তার সমাধিতে শ্রদ্ধা জানানোর পর সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি। খবর বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম-এর।
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক কাদের বলেন, করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিন নিয়ে কারো সাথে বিশেষ কোনো সম্পর্কের দরকার নেই, জনগণকে বাঁচাতে হলে যেখান থেকেই পারে ভ্যাকসিন সংগ্রহ করবে সরকার।
ভারত থেকে টিকা সরবরাহের সাম্প্রতিক সঙ্কটে যারা সরকারের সমালোচনা করছেন, তাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, দোষারোপের রাজনীতি পরিহার করে দলমত নির্বিশেষে ঐক্যবদ্ধভাবে সকলের অভিন্ন শত্রু করোনাকে মোকাবেলা করাই এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।
সবকিছুতে ব্যর্থ হয়ে বিএনপি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে রাজনীতি থেকে সরিয়ে দেওয়ার ষড়যন্ত্র করছে বলে আবারও অভিযোগ করেন আওয়ামী লীগ নেতা কাদের।
বিএনপি নেতাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, হত্যা, ষড়যন্ত্রের রাজনীতি পরিহার করুন। যে যেই দলই করুক, হত্যার রাজনীতি কারও কাম্য নয়।
বাংলাদেশে সত্যিকারের গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করতে হলে বিএনপিকে হত্যা, ষড়যন্ত্র ও সন্ত্রাসের পথ থেকে সরে আসতে হবে। জিয়াউর রহমান নিজেই হত্যাকাণ্ডের মাস্টার মাইন্ড ছিলেন এবং তার পরিণতি তাকে ভোগ করতে হয়েছে।
শেখ জামালকে বঙ্গবন্ধু পরিবারের সাহস ও মেধার রাজনীতির অনন্য দৃষ্টান্ত হিসেবে বর্ণনা করে ওবায়দুল কাদের বলেন, তার জন্মদিনে শপথ হোক, বাংলাদেশে হত্যা ও ষড়যন্ত্রের রাজনীতির ট্র্যাজেডি থেকে জাতিকে মুক্তি দিতে হবে।
যারা ১৯৭৫ এর নির্মম হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে জড়িত ছিলেন, তারাও কিন্তু রেহাই পায়নি, হত্যা হত্যাকেই ডেকে আনে। বঙ্গবন্ধুর এই নৃশংস হত্যাকাণ্ড না হলে আরও একটি খুনির দল জিয়াউর রহমানকে হত্যা করার সাহস পেত না।
শেখ জামালের সমাধিতে প্রথমে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে এবং পরে দলের পক্ষ থেকে শ্রদ্ধা জানান ওবায়দুল কাদের।
পরে ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, কৃষকলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, মৎস্যজীবী লীগ, মহিলা শ্রমিক লীগ, শেখ জামাল জাতীয় স্মৃতি পরিষদ, বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটসহ বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতারা ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান।