করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে লকডাউনের বিধিনিষেধের মধ্যে ঢাকা মহানগর পুলিশের ঘোষণা অনুযায়ী মোটর সাইকেল থেকে চালক ছাড়া অন্য আরোহীদের নামিয়ে দেওয়া হচ্ছে। খবর বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম-এর।
চালক কিংবা মোটর সাইকেলের যথাযথ কাগজপত্র না থাকলে নির্দেশ অমান্য করার অভিযোগে মামলাও দিচ্ছে ট্রাফিক পুলিশ।
মঙ্গলবার সকালে আজিমপুর চৌরাস্তায় দেখা যায় কোনো মোটর সাইকেলে দুজন থাকলে একজনকে নামিয়ে দেওয়া হচ্ছে। তবে চালকের পেছনে নারী আরোহী থাকলে পুলিশ তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করে ছেড়ে দিচ্ছে।
আজিমপুর চৌরাস্তায় দায়িত্ব পালনকারী ট্রাফিক পুলিশের জ্যেষ্ঠ সহকারী কমিশনার সাইদুল ইসলাম বলেন, “মানুষকে সচেতন করার জন্যই একটু বেশি চেক করা হচ্ছে।”
সোমবার থেকে ১ জুলাইয়ের আগ পর্যন্ত ‘সীমিত পরিসরে’ লকডাউন শুরুর পর এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে মোটর সাইকেলে চালক ছাড়া অন্য আরোহী বহন করা যাবে না বলে জানায় ঢাকা মহানগর পুলিশ।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, মোটর সাইকেলে রাইড শেয়ারের কারণে একই হেলমেট বারবার বিভিন্ন মানুষ ব্যবহার করায় করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঝুঁকি বাড়ছে।
তেজগাঁও বিভাগের ট্রাফিক পুলিশের উপ-কমিশনার সাহেদ আল মাসুদ বলেন, “কড়াকড়ি অভিযান শুরু হবে ১ জুলাই থেকে। আজ মোটরসাইকেলে দুজন থাকলে একজনকে নামিয়ে দেওয়া হচ্ছে। মাঝে মাঝে আদেশ অমান্য করার মামলা দেওয়া হচ্ছে।”
লকডাউনে গণপরিবহন বন্ধ থাকলেও রিকশা চলাচলের অনুমতি রয়েছে। ব্যক্তিগত গাড়ি ব্যবহারেও বিধি-নিষেধ নেই। সোমবারের মতো মঙ্গলবারও রাজধানীর রাস্তায় রিকশা ও ব্যক্তিগত গাড়ি ছাড়া আর কোনো পরিবহন দেখা যায়নি।
করোনাভাইরাস সংক্রমণ উদ্বেগজনক হয়ে ওঠায় সোমবার থেকে সীমিত পরিসরে এবং আগামী ১ জুলাই থেকে সাত দিন সারাদেশে ‘সর্বাত্মক লকডাউন’ ঘোষণা করেছে সরকার।
লকডাউনে এবার ‘মুভমেন্ট পাস’ থাকবে না এবং জরুরি প্রয়োজন ছাড়া কেউ বের হওয়ার ক্ষেত্রেও বিধি-নিষেধ থাকছে বলে জানিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব।
মানুষ যাতে ‘কোনোভাবেই’ বের হতে না পারে সেজন্য লকডাউনে আর্মি, বিজিবি, ব্যাটালিয়ান পুলিশ টহলে থাকবে। কেউ কথা না শুনলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও ঘোষণায় বলা হয়েছে।
