Loading...

মের্কেলের পরে কে? ভোট দিচ্ছে জার্মানি

| Updated: September 28, 2021 15:54:02


ছবি: রয়টার্স ছবি: রয়টার্স

নতুন নেতৃত্ব বেছে নিতে সাধারণ নির্বাচনে ভোট দিচ্ছেন ছয় কোটির বেশি জার্মান নাগরিক, আর এর মধ্যে দিয়ে জার্মানিতে আঙ্গেলা মের্কেল যুগের অবসান ঘটতে যাচ্ছে। খবর বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের।

দীর্ঘ ১৬ বছরের নেতৃত্বে চ্যান্সেলর মের্কেল ইউরোপের সবচেয়ে শক্তিশালী অর্থনীতির এ দেশকে বদলে দিয়েছেন অনেকখানি। মের্কেল তার দেশে এতটাই জনপ্রিয় ছিলেন যে তরুণ ভোটারদের অনেকে অন্য কোনো চ্যান্সেলরের নামও মনে করতে পারেন না।

কিন্তু কে হচ্ছেন মের্কেলের উত্তরসূরি? ভোটের আগে জনমত জরিপে তার স্পষ্ট কোনো আভাস মেলেনি।

রোববার জার্মানিতে ছুটির দিন, রাজধানী বার্লিনের রাস্তায় হবে বার্ষিক ম্যারাথন, কিন্তু সকাল ৮টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত দেশজুড়ে চলবে ভোটের ম্যারাথন, যার মধ্যে দিয়ে গঠিত হবে জার্মান পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষ- বুন্ডেসটাগ।   

ফেডারেল জার্মানির ইতিহাসে এবারই প্রথম নির্বাচনের আগে তিন প্রধান দলের চ্যান্সেলর পদপ্রার্থীরা টেলিভিশন বিতর্কে অংশ নিয়েছেন। তবে ভোটের আগে নিশ্চিত জয়ের আভাস পাচ্ছেন না কেউ। 

সর্বশেষ জনমত জরিপ বলছে, সামাজিক গণতন্ত্রী এসপিডি খুব সামান্য ব্যবধানে মের্কেলের রক্ষণশীল ইউনিয়ন শিবিরের চেয়ে এগিয়ে আছে।

তবে একটি বিষয় স্পষ্ট, ভোট শেষে যে দলই এগিয়ে থাক, সরকার গড়তে তাদের জোটের শরণ নিতে হবে।

জার্মান সংবাদমাধ্যম ডয়চে ভেলে লিখেছে, এসপিডি প্রার্থী ওলাফ শলৎস ও ইউনিয়ন শিবিরের প্রার্থী আরমিন লাশেটের হাতে সংসদের আসন সংখ্যার মধ্যে ফারাক যদি সত্যি খুব কম হয়, সে ক্ষেত্রে দুই পক্ষই সমান্তরালভাবে সরকার গড়ার লক্ষ্যে বাকিদের সঙ্গে আলোচনা চালাতে পারে বলে ধরে নেওয়া হচ্ছে৷

বুন্ডেসটাগে আসন থাকে অন্তত ৫৯৮টি। অন্তত বলা হচ্ছে কারণ এই সংখ্যা বাড়তে পারে। জার্মানির নির্বাচন পদ্ধতিই এমন।

কোন দল এ নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাচ্ছে তা ভোট শেষে রাতের মধ্যেই স্পষ্ট হয়ে যাবে। তবে সরকারে কে যাচ্ছে তা স্পষ্ট হতে আরও কিছুটা সময় লাগবে। সরকার গঠনের জন্য অন্য দলের সঙ্গে জোট বেঁধে পার্লামেন্টে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে হবে কোনো দলকে। ফলে নতুন চ্যান্সেলর কে হবেন, তা জানতেও অপেক্ষায় থাকতে হবে।  

ভোটের প্রচারের শেষ দিন শনিবার বিদায়ী চ্যান্সেলর  মের্কেল তার নিজের শহর আখেনে এসপিডি প্রার্থী ওলাফ শলৎসের নির্বাচনী সমাবেশে যোগ দেন।

তিনি বলেন, জার্মানির প্রয়োজন স্থিতিশীলতা, আর তরুণ জার্মানদের দরকার সুন্দর ভবিষ্যত। সুতরাং ক্ষমতায় কে থাকবে, সেটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

Share if you like

Filter By Topic