মারিউপোলের কেন্দ্রে রুশ বাহিনী, আজভ সাগরে ইউক্রেইনের প্রবেশ বন্ধ


এফই অনলাইন ডেস্ক | Published: March 19, 2022 15:08:44 | Updated: March 20, 2022 10:21:33


মারিউপোলের কেন্দ্রে রুশ বাহিনী, আজভ সাগরে ইউক্রেইনের প্রবেশ বন্ধ

শুক্রবার রাতে এক বিবৃতিতে মন্ত্রণালয়টি বলেছে, দখলকারীরা দোনেৎস্কের অভিযানরত জেলায় আংশিক সফলতা পেয়েছে আর ইউক্রেইন আজভ সাগরে প্রবেশ থেকে সাময়িকভাবে বঞ্চিত হয়েছে।

তবে ইউক্রেইনীয় বাহিনীগুলো সাগরটিতে প্রবেশের অধিকার ফের আদায় করে নিতে পেরেছে কিনা, বিবৃতিতে মন্ত্রণালয়টি তা নির্দিষ্ট করে বলেনি, বার্তা সংস্থা রয়টার্স এর বরাত দিয়ে এ খবর জানিয়েছে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

শুক্রবার রাশিয়া জানিয়েছিল, তাদের বাহিনীগুলো মারিউপোলের চারপাশে অবস্থান জোরদার করে শহরটিকে আরও হাতের মুঠোয় নিয়ে এসেছে আর তাতে শত্রুপক্ষের জন্য পরিস্থিতি মোকাবেলা কঠিন হয়ে পড়েছে।

মারিউপোলের মেয়র ভাদিম বইশেঙ্কো জানিয়েছেন, লড়াই নগরীর কেন্দ্রস্থলে পৌঁছে গেছে।

রুশ সেনারা শহরের কেন্দ্রস্থলে পৌঁছে গেছে বলে রাশিয়া এর আগে যে খবর দিয়েছিল, এর মাধ্যমে সেটিই নিশ্চিত করছেন ভাদিম।

বিবিসি জানিয়েছে, শহরটির ভেতরে লড়াই চলছে, রাশিয়ার সেনারা সাঁজোয়া বহর নিয়ে শহরের ভেতরে ঢুকে পড়ছে।

এর আগে পশ্চিমা সমর বিশেষজ্ঞরা আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছিলেন, সপ্তাহ দুয়েকের মধ্যেই শহরটির পতন হতে পারে।

রুশ বাহিনীর হামলায় নগরীর ৮০ শতাংশের বেশি আবাসিক ভবন হয় ধ্বংস নয়ত ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং এর ৩০ শতাংশই আর পুনরুদ্ধার করার মতো অবস্থায় নেই বলে জানিয়েছেন মেয়র ভাদিম।

তিনি জানান, মারিউপোলের যে নাট্যশালায় রুশ বাহিনী বোমাবর্ষণ করেছিল তার ধ্বংসস্তূপ থেকে বেসামরিকদের বের করে আনার কাজ চলছে, কিন্তু লড়াইয়ের কারণে উদ্ধারকাজ বিঘ্নিত হচ্ছে।

বোমা হামলা থেকে রক্ষা পেতে এক হাজারেরও বেশি স্থানীয় বাসিন্দা নাট্যশালার অস্থায়ী শিবিরে আশ্রয় নিয়েছিল বলে জানা গেছে। তাদের অনেকেই সেখানে আটকা পড়ে আছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

আজভ সাগরের তীরে কৌশলগতভাবে খুব গুরুত্বপূর্ণ স্থানে বন্দরনগরী মারিউপোলের অবস্থান। ২৪ ফেব্রুয়ারি রাশিয়া ইউক্রেইনে কথিত বিশেষ অভিযান শুরু করার পর থেকেই শহরটি তাদের অন্যতম লক্ষ্যস্থল হয়ে আছে।

পশ্চিমে রাশিয়া অধিকৃত ক্রাইমিয়া ও পূর্বে দোনেৎস্ক অঞ্চলের সংযোগ সড়ক মারিউপোলের ভেতর দিয়ে গেছে। দোনেৎস্কর কিছু অংশ আগে থেকেই রুশপন্থি বিচ্ছিন্নতাবাদীদের নিয়ন্ত্রণে ছিল। এখন এই শহরটির নিয়ন্ত্রণ নিতে পারলে ইউক্রেইনের পুরো পূর্বাঞ্চলীয় উপকূল রাশিয়ার নিয়ন্ত্রণে চলে যাবে।

Share if you like