ভারত, জার্মানি, চেক রিপাবলিক, নরওয়ে ও হাঙ্গেরিতে নিযুক্ত ইউক্রেইনের রাষ্ট্রদূতদের বহিষ্কার করেছেন ভলোদিমির জেলেনস্কি।
নতুনদের জায়গা দিতেই এ ৫ দূতকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, শনিবার ইউক্রেইনের প্রেসিডেন্ট এমনটাই বলেছেন বলে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।
দায়িত্ব হারানো এ ৫ রাষ্ট্রদূতের মধ্যে জার্মানিতে নিযুক্ত আন্দ্রি মেলনিকও আছেন, যিনি রাশিয়ার ‘আগ্রাসন’ মোকাবেলায় বার্লিনের কাছ থেকে ‘পর্যাপ্ত সহায়তা না পেয়ে’ নিয়মিতই জার্মান রাজনীতিক ও বুদ্ধিজীবীদের সমালোচনা করে আসছিলেন।
জেলেনস্কি বলেছেন, ‘কূটনৈতিক চর্চার’ অংশ হিসেবেই এ ৫ জনকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।
এই জ্যেষ্ঠ কূটনীতিকদের অন্য কোনো দায়িত্ব দেওয়া হবে কিনা তা স্পষ্ট করেনি জেলেনস্কির দপ্তর। খবর বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের।
ফেব্রুয়ারিতে রাশিয়া ইউক্রেইনে তাদের সামরিক অভিযান শুরুর পরপরই জেলেনস্কি রুশবিরোধী লড়াইয়ে কিইভের জন্য সমর্থন ও সহযোগিতা জোগাড়ে রাষ্ট্রদূতদের দায়িত্ব দিয়েছিলেন।
২০১৪ সালের শেষদিকে জেলেনস্কির পূর্বসূরী পেত্রো পোরোশেঙ্কো জার্মানিতে মেলনিককে রাষ্ট্রদূত করে পাঠিয়েছিলেন।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক সরব ৪৬ বছর বয়সী এ কূটনীতিক কিছুদিন আগে জেলেনস্কির ইউক্রেইন সফরের আমন্ত্রণ সঙ্গে সঙ্গে গ্রহণ না করায় জার্মানির চ্যান্সেলর ওলাফ শলৎসের কঠোর সমালোচনা করেছিলেন।
রাশিয়ার ‘আগ্রাসন’ মোকাবেলায় ইউক্রেইনকে সামরিক সহায়তা দিতে বিরোধিতাকারী রাজনীতিক ও বুদ্ধিজীবীদের তিনি ‘মস্কোকে তুষ্টকারী’ বলেও নিয়মিত তাচ্ছিল্য করছিলেন।
রক্ষণাবেক্ষণের জন্য কানাডায় পাঠানো একটি গ্যাস টারবাইন নিয়ে এখন কিইভ ও বার্লিনের মধ্যে মনকষাকষি চলছে।
জার্মানি চাইছে, ইউরোপে গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক রাখার স্বার্থে অটোয়া যেন টারবাইনটি রাশিয়ার গ্যাস জায়ান্ট গ্যাজপ্রমকে ফেরত দেয়।
কিন্তু কিইভ অটোয়াকে টারবাইনটি ফেরত না দেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছে।
টারবাইন গ্যাজপ্রমকে দিলে তা হবে মস্কোর ওপর পশ্চিমাদের দেওয়ার নিষেধাজ্ঞার লংঘন, বলছে তারা।
