মানবতার সংকট উত্তরণে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রত্যাশা পূরণে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ‘ভূমিকা রেখেছেন’ বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মো. আখতারুজ্জামান।
তার কথায়, “মানবতার সংকট নিরসনের রবীন্দ্রনাথের প্রাচ্যের প্রতি যে প্রত্যাশা ছিল, তা পূরণে বঙ্গবন্ধু ভূমিকা রেখেছিলেন- তাতে কোনো সন্দেহ নেই।”
বিশ্বকবির ১৬১তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে রোববার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি মিলনায়তনে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় এ মন্তব্য করেন উপাচার্য। খবর বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের।
অধ্যাপক আখতারুজ্জামান বলেন, “রবীন্দ্রনাথের প্রতি গভীর অনুরাগী ছিলেন বঙ্গবন্ধু। রবীন্দ্রনাথের সঙ্গে বঙ্গবন্ধুর চিন্তার মিল রয়েছে। সে কারণে আজ এই দুই মহামানবের প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করছি। কেননা সকল মহামানবের চিন্তা এক জায়গায় পুঞ্জীভূত হয়, সকল উদার চিন্তা এক জায়গায় গিয়ে মেশে, সকল উদার চিন্তাই শ্বাশত।”
বিশ্বকবির প্রতি বঙ্গবন্ধুর অনুরাগের কথা বলতে গিয়ে উপাচার্য বলেন, বঙ্গবন্ধুর নির্দেশনায় বাংলার গণমানুষ সম্মিলিতভাবে একটি কঠিন সংকটকে কাটিয়ে যে স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্রের জন্ম দিতে সক্ষম হয়েছে, এটি বঙ্গবন্ধুর কাছে একটি পরম তৃপ্তির বিষয়।
“রবীন্দ্রনাথকে ধারণ করেন বলেই বঙ্গবন্ধু তখন বলেছিলেন, কবিগুরু তুমি দেখো, আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি বাঙালি কিন্তু মানুষ হয়েছে। রবীন্দ্রনাথের অন্য প্রসঙ্গে কথাগুলো বললেও সেদিন বঙ্গবন্ধুর এই কথা দ্বারা রবীন্দ্রনাথের প্রতি তার অনুরাগের বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে।”
‘রবীন্দ্রনাথ ও মানবতার সংকট’ শীর্ষক প্রতিপাদ্যের ওপর মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ভীষ্মদেব চৌধুরী।
বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার প্রবীর কুমার সরকারের সঞ্চালনায় এ আয়োজনে বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভাগীয় চেয়ারম্যান, শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উপস্থিতে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশন করে সঙ্গীত ও নৃত্যকলা বিভাগ।
