Loading...

বাংলাদেশের সিরিজ জয়


বাংলাদেশের সিরিজ জয়

মাঝারি রান তাড়ায় ভালো শুরুর পর হঠাৎ দিক হারাল বাংলাদেশ। ব্যাটসম্যানরা যেন যোগ দিলেন উইকেট ছুড়ে আসার মিছিলে। অন্য প্রান্তে দাঁড়িয়ে দেখলেন সাকিব আল হাসান। বুঝে নিলেন বাঁহাতি এই অলরাউন্ডার, আজ তার দিন। দলকে জয়ের বন্দরে টেনে নিতে হবে তাকেই। অসাধারণ এক ইনিংসে ঠিক তা-ই করলেন সাকিব। তার বীরত্বে রোমাঞ্চকর লড়াইয়ে তিন উইকেটে জিতে সিরিজ জিতে নিল বাংলাদেশ।

সাকিব-সাইফ জুটিতে পঞ্চাশ

অষ্টম উইকেটে দারুণ এক জুটিতে দলকে টানছেন দুই অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান ও মোহাম্মদ সাইফ উদ্দিন। বাংলাদেশের আশা বাঁচিয়ে রাখা এই জুটির পঞ্চাশ এসেছে ৫৩ বলে।

স্বাভাবিকভাবেই অগ্রণী সাকিব। ২৫ বলে ২৫ রান এসেছে তার ব্যাট থেকে। ২৮ বলে ১৯ রান করেছেন সাইফ।

৪৮ ওভারে বাংলাদেশের স্কোর ৭ ওভারে ২২৯। জয়ের জন্য শেষ ২ ওভারে ১২ রান চাই তাদের। ৯০ রানে খেলছেন সাকিব, ২২ রানে সাইফ।

সাকিব-সাইফ জুটিতে পঞ্চাশ

অষ্টম উইকেটে দারুণ এক জুটিতে দলকে টানছেন দুই অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান ও মোহাম্মদ সাইফ উদ্দিন। বাংলাদেশের আশা বাঁচিয়ে রাখা এই জুটির পঞ্চাশ এসেছে ৫৩ বলে।

স্বাভাবিকভাবেই অগ্রণী সাকিব। ২৫ বলে ২৫ রান এসেছে তার ব্যাট থেকে। ২৮ বলে ১৯ রান করেছেন সাইফ।

৪৮ ওভারে বাংলাদেশের স্কোর ৭ ওভারে ২২৯। জয়ের জন্য শেষ ২ ওভারে ১২ রান চাই তাদের। ৯০ রানে খেলছেন সাকিব, ২২ রানে সাইফ।

বাংলাদেশের দুইশ

লুক জঙ্গুয়েকে বাউন্ডারি মেরে বাংলাদেশের রান দুইশ পার করলেন সাকিব আল হাসান। টানটান উত্তেজনার ম্যাচে সফরকারীরা তাকিয়ে আছে বাঁহাতি এই ব্যাটসম্যানের দিকে।

৪৪ ওভারে বাংলাদেশের স্কোর ৭ উইকেটে ২০৩। ৯৫ বলে ৮০ রানে খেলছেন সাকিব। ১৭ বলে ১০ রানে তাকে সঙ্গ দিচ্ছেন মোহাম্মদ সাইফ উদ্দিন।

জয়ের জন্য শেষ ৬ ওভারে ৩৮ রান চাই বাংলাদেশের।

স্টাম্পড আফিফ

এক-দুই করেই জুটি বেশ এগোচ্ছিল। রান রেটের এমন কোনো চাপ নেই। তবুও অফ স্পিনারকে বেরিয়ে এসে খেলতে চাইলেন আফিফ হোসেন। এর মাশুল দিলেন স্টাম্পড হয়ে।

সিকান্দার রাজার ফুল লেংথ ডেলিভারি ওভাবে খেলার কোনো প্রয়োজন ছিল না। তবুও অনেকটা বেরিয়ে গেলেন আফিফ। মিস করলেন বলের লাইন। বাকিটা অনায়সে সারলেন কিপার রেজিস চাকাভা।

২৩ বলে ১৫ রান করেন আফিফ।

৩৯ ওভারে বাংলাদেশের স্কোর ৭ উইকেটে ১৭৩। ক্রিজে সাকিব আল হাসানের সঙ্গী মোহাম্মদ সাইফ উদ্দিন।

টিকলেন না মিরাজ

কোনো দরকার ছিল না। তবুও ঝুঁকি নিয়ে উড়িয়ে মারলেন মেহেদী হাসান মিরাজ। এর মাশুল দিলেন নিজের উইকেট বিলিয়ে।

ওয়েসলি মাধেভেরের অফ স্পিন স্লগ সুইপ করে ছক্কায় ওড়াতে চেয়েছিলেন মিরাজ। টাইমিং করতে পারেননি। খুঁজে পান লেগে সীমানায় থাকা একমাত্র ফিল্ডার ডিওন মায়ার্সকে। তিনি কিছুটা এগিয়ে এসে মুঠোয় জমান ক্যাচ।

১৫ বলে ৬ রান করেন মিরাজ।

৩২ ওভারে বাংলাদেশের স্কোর ৬ উইকেটে ১৪৫। ক্রিজে সাকিবের সঙ্গী আফিফ হোসেন। জয়ের জন্য শেষ ১৮ ওভারে সফরকারীদের চাই ৯৬ রান।

সাকিবের লড়াকু ফিফটি

ব্যাট হাতে সময়টা ভালো কাটছিল না সাকিব আল হাসানের। তবে দলের প্রয়োজনের সময় দাঁড়িয়ে গেলেন বাঁহাতি এই অলরাউন্ডার। দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ে করলেন ফিফটি।

সিকান্দার রাজাকে কাভার দিয়ে চার মেরে ৫৯ বলে পঞ্চাশে পৌঁছান সাকিব।

দশম ওভারে ক্রিজে যাওয়ার পর বাঁহাতি এই ব্যাটসম্যান দেখেছেন একের পর এক সঙ্গীর বিদায়। তাতে দিশেহারা হয়ে যাননি, ঠাণ্ডা মাথায় এগিয়ে নিয়েছেন দলকে। ফিফটির পথে মেরেছেন ছয়টি চার।

৩০ ওভারে বাংলাদেশের স্কোর ৫ উইকেটে ১৩৭। জয়ের জন্য শেষ ২০ ওভারে আরও ১০৪ রান চাই তাদের।

মাহমুদউল্লাহর বিদায়ে ভাঙল জুটি

জমে গিয়েছিল জুটি, কেটে গিয়েছিল চাপ। এমন সময়ে কট বিহাইন্ড হয়ে ফিরে গেলেন মাহমুদউল্লাহ।

পঞ্চাশ ছোঁয়া জুটি ভাঙতে বোলিং আক্রমণের সেরা অস্ত্র ব্লেসিং মুজারাবানিকে ফেরান টেইলর। অধিনায়ককে হতাশ করেননি পেসার। তার বাড়তি লাফানো বলে কাট করার চেষ্টায় কিপার রেজিস চাকাভাকে সহজ ক্যাচ দেন মাহমুদউল্লাহ, ভাঙে ৫৫ রানের জুটি।

৩৫ বলে তিন চারে ২৬ রান করেন মাহমুদউল্লাহ।

২৯ ওভারে বাংলাদেশের স্কোর ৫ উইকেটে ১৩১। ক্রিজে ডানহাতি-বামহাতি কম্বিনেশন রাখতে আফিফ হোসেনের আগে ব্যাটিংয়ে এসেছেন মেহেদী হাসান মিরাজ।

জয়ের জন্য ২১ ওভারে ১১০ রান চাই বাংলাদেশের।

সাকিব-মাহমুদউল্লাহর জুটির পঞ্চাশ

৭৪ রানে চার উইকেট হারিয়ে ধুঁকতে থাকা বাংলাদেশকে টানছেন দুই অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যান সাকিব আল হাসান ও মাহমুদউল্লাহ। পঞ্চম উইকেটে তারা গড়েছেন পঞ্চাশ রানের জুটি।

লুক জঙ্গুয়েকে চমৎকার স্ট্রেট ড্রাইভে বাউন্ডারি মেরে জুটির পঞ্চাশ পূর্ণ করেন সাকিব, ৫৩ বলে।

২৭ ওভারে বাংলাদেশের স্কোর ৪ উইকেটে ১২৫। মাহমুদউল্লাহ ৩০ বলে ২৩ ও সাকিব ৫৩ বলে ৪৫ রানে ব্যাট করছেন।

Share if you like

Filter By Topic