দ্রুত রানের চেষ্টায় শেষ দিকে হুড়মুড়িয়ে উইকেট হারিয়ে তিনশ ছোঁয়া হলো না জিম্বাবুয়ের। তবে যা হলো, সেটিও কম নয়। বাংলাদেশকে ২৯৯ রানের লক্ষ্য দিতে পারল তারা।
সিরিজের সেরা ব্যাটিং উইকেটে শুরুটা ভালো করেও এক পর্যায়ে তারা অস্বস্তিতে ছিল ১৭২ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে। ষষ্ঠ উইকেটে সিকান্দার রাজা ও রায়ান বার্লের দারুণ জুটি দলকে এগিয়ে নেয় বড় স্কোরের পথে। ৮০ বলে ১১২ রানের জুটি গড়েন দুজন।
শেষ তিন ওভারে প্রত্যাশিত রান না উঠলেও শেষ ১০ ওভারে জিম্বাবুয়ে তুলেছে ৯৪ রান।
সিরিজের আগের দুই ম্যাচ বাংলাদেশের বোলিং দুর্দান্ত হলেও এ দিন ছিল একদমই বিবর্ণ। তাসকিন ছিলেন অধারাবাহিক, সাইফ উদ্দিন এলোমেলো। দলে ফিরে মুস্তাফিজ ছিলেন ভালো-মন্দ মিলিয়ে। সাকিব খারাপ করেননি। তবে দলের সেরা বোলার ছিলেন সম্ভবত মাহমুদউল্লাহ।
বাংলাদেশের ব্যাটিং এই ম্যাচে অনেক লম্বা। উইকেট ব্যাটিংয়ের জন্য দারুণ। তার পরও লক্ষ্য তাড়া করতে হলে অনেক ভালো খেলতে হবে তাদের।
শেষ দিকে দ্রুত কিছু উইকেট হারিয়ে জিম্বাবয়ে পারল না তিনশ ছুঁতে। অল আউট তারা ২৯৮ রানে। মুস্তাফিজুর রহমানের দারুণ স্লোয়ারে স্লগ করতে গিয়ে বোল্ড শেষ ব্যাটসম্যান ব্লেসিং মুজরাবানি।
১২ বলের মধ্যে ১৪ রানে জিম্বাবুয়ে হারাল শেষ ৫ উইকেট।
সংক্ষিপ্ত স্কোর:
জিম্বাবুয়ে: ৪৯.৩ ওভারে ২৯৮ (চাকাভা ৮৪, মারুমানি ৮, টেইলর ২৮, মায়ার্স ৩৪, মাধেভেরে ৩, রাজা ৫৭, বার্ল ৫৯, জঙ্গুয়ে ৪* টিরিপানো ০, চাতারা ১, মুজারাবানি ০; তাসকিন ১০-১-৪৮-১, সাইফ ৮-০-৮৭-২, মুস্তাফিজ ৯.৩-০-৫৭-৩, মাহমুদউল্লাহ ১-০-৪৫-২, সাকিব ১০-০-৪৬-১, মোসাদ্দেক ২-০-১৩-০)।