বঙ্গবন্ধু ও শহীদ বীর মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্যের জন্য আওয়ামী লীগ থেকে বহিষ্কৃত গাজীপুর সিটি করপোরেশনের মেয়র মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম দাবি করেছেন, তিনি ষড়যন্ত্রের শিকার। সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার আবেদন করবেন তিনি।
আওয়ামী লীগের সিদ্ধান্ত জানানোর পরদিন শনিবার সকালে নিজের বাড়িতে সাংবাদিকদের নানা প্রশ্নের জবাব দেওয়ার সময় কেঁদে ফেলেন জাহাঙ্গীর। তার সঙ্গে তার সমর্থক নেতাকর্মীরাও ছিল।
তুলনামূলক কম বয়সেই গাজীপুর মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হওয়ার পর সিটি করপোরেশনের মেয়রও হন তিনি। দলীয় পদ যাওয়ার পাশাপাশি তার মেয়র পদ থাকাও এখন অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।
জাহাঙ্গীর বলেন, ষড়যন্ত্রকারীরা আমার সম্পর্কে ভুলভাবে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে উপস্থাপন করেছেন। আমি যদি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে সরাসরি আমার ওই অডিও/ভিডিওর বিষয়ে কথা বলতে পারতাম, তবে প্রধানমন্ত্রী সবকিছু বুঝতে পারতেন। তখন তিনি হয়ত আমার ব্যাপারে এমন কঠোর সিদ্ধান্ত নিতেন না।
বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার জন্য আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের কাছে আবেদন করবেন বলে জাননান তিনি।
জাহাঙ্গীর আবারও বলেন, তারই বক্তব্য কাটছাঁট করে বিকৃতভাবে সোশাল মিডিয়ায় দেওয়া হয়েছে।
আমার বক্তব্যের একটি অংশ সুপার এডিট করে তার ভিডিও এবং অডিও করে ইন্টারনেটে ভাইরাল করা হয়েছে।
ছাত্রলীগের সাবেক এই কেন্দ্রীয় নেতা বলেন, ছাত্র রাজনীতিতে তিনি যখন ছিলেন, তখন থেকেই তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র শুরু হয়।
পরবর্তীতেও আমার বিরুদ্ধে চক্রান্ত ও ষড়যন্ত্র থামেনি।