সুনামগঞ্জে বন্যায় এবার ৪৫ হাজার ঘরবাড়ির ক্ষতি হয়েছে বলে ডিসি মো. জাহাঙ্গীর হোসেন জানিয়েছেন।
তাছাড়া এখনও ক্ষতিগ্রস্ত বিপুলসংখ্যক ঘরবাড়ি পরিসংখ্যানের বাইরে রয়েছে। ক্ষয়ক্ষতির পূর্ণাঙ্গ চিত্র পেতে আরও এক মাস সময় লাগবে বলে প্রশাসনের ভাষ্য। খবর বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের।
ডিসি জাহাঙ্গীর বলেন, প্রাথমিক পরিসংখ্যান অনুযায়ী বন্যায় এ জেলায় এবার বসবাসের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে চার হাজার ৭৪৫টি পরিবারের বাড়িঘর। আর ৪০ হাজার ৫৪১টি পরিবারের ঘরবাড়ি আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত।
বুধবার এই পরিসংখ্যান মন্ত্রিপরিষদ সচিব বরাবর পাঠানো হয়েছে বলে তিনি জানান।
ডিসি বলেন, এর বাইরে সড়ক, সেতু, কালভার্ট, গবাদিপশু, ফসল ও মাছের খামার ক্ষয়ক্ষতির চিত্র এই পরিসংখ্যানে আসেনি।
স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও বানভাসি লোকজন জানিয়েছেন, ঘরবাড়ির কথা বললে সব বলা হয় না। ঘরের বিছানা, কাঁথা-বালিশ, বাসনকোসন, আসবাবপত্র, কাপড়চোপড়সহ নিত্যপণ্যের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
সদর উপজেলার বালিকান্দি গ্রামের ছানোয়ারা বেগম বলেন, সহযোগিতা না পেলে তিনি আর ঘর দাঁড় করাতে পারবেন না।
তাছাড়া এখনও অনেক ঘরবাড়ি পানিতে ডুবে আছে বলে জানিয়েছেন সদর উপজেলার কাঠইর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মুফতি শামসুল ইসলাম।
তিনি বলেন, পানি কমে গেলে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ আরও বাড়বে।
