Loading...

ফি দিয়ে আরকাইভস থেকে তথ্য পাওয়া যাবে, সংসদে বিল পাস

| Updated: September 16, 2021 16:33:55


ফি দিয়ে আরকাইভস থেকে তথ্য পাওয়া যাবে, সংসদে বিল পাস

সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ বৃহস্পতিবার সংসদে ১৯৮৩ সালের এ সংক্রান্ত অ্যধাদেশ বাতিল করে ‘বাংলাদেশ জাতীয় আরকাইভস বিল-২০২১’ পাসের প্রস্তাব করেন। পরে সেটি কণ্ঠ ভোটে পাস হয়। 

এর আগে বিলের ওপর দেওয়া জনমত যাচাই, বাছাই কমিটিতে পাঠাতো এবং সংশোধনীগুলোর নিষ্পত্তি করেন স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী। খবর বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের। 

গত ৬ জুন বিলটি সংসদে উত্থাপন করেন মন্ত্রী কে এম খালিদ। পরে বিলটি পরীক্ষা করে সংসদে প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে পাঠানো হয়।

জাতীয় আরকাইভস পরিচালনার জন্য ১৯৮৩ সালের একটি অধ্যাদেশ রয়েছে। উচ্চ আদালতের নির্দেশনা অনুসারে সামরিক শাসন আমলে প্রণীত যেসব আইন বা অধ্যাদেশের এখনও প্রয়োজন রয়েছে, সেগুলোকে পরিমার্জন করে বাংলায় রূপান্তরের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। সেজন্য বিলটি আনা হয়েছে।

বিলে বলা হয়েছে, জাতীয় আরকাইভস পরিচালনায় একটি উপদেষ্টা পরিষদ থাকবে। এখানে একজন মহাপরিচালক থাকবেন। অধ্যাদেশে এই মহাপরিচালকের পদটি ছিল না।

বিদ্যমান আইনে রেকর্ড বিনষ্ট করার যে বিধান ছিল, খসড়া আইনে তা বাদ দেওয়া হয়েছে।

গবেষক ও তথ্য সেবা গ্রহীতাদের অনলাইন ডিজিটাল সেবা দেওয়ার নির্দেশনা রয়েছে বিলে। ফি দিয়ে কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করলে গোপন কোনো দলিল না হলে তা সরবরাহ করার বিধান রাখা হয়েছে।

বিলে বলা হয়েছে, সরকারি রেকর্ড আর্কাইভে থাকলে হলে তা ২৫ বছর বা তার বেশি পুরনো হতে হবে। ব্যক্তিগত রেকর্ডও আরকাইভসে রাখা যাবে।

ঐতিহাসিক, সামাজিক, রাজনৈতিক, কিংবা সাংস্কৃতিক তাত্পর্য রয়েছে এমন ৩০ বছর বা তার বেশি পুরনো ব্যক্তিগত রেকর্ড আরকাইভসে সংরক্ষণ করা যাবে।

বিলে বলা হয়েছে, আরকাইভসে রক্ষিত রেকর্ড চুরি, নষ্ট বা হ্যাক করলে তিন বছরের জেল এবং ২০ হাজার টাকা জরিমানা হবে। রেকর্ড পাচার করলে পাঁচ বছরের জেল এবং এক লাখ টাকা অর্থদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে।

খসড়া আইনে রেকর্ডের সফট কপি করার বিধান রাখা হয়েছে, আগের আইনে যা ছিল না।

Share if you like

Filter By Topic